১
ইসলামে মানবাধিকার
লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
ইসলামে মানুষের স্বাধীনতা:
মানবাধিকার কথাটি সম্পৃক্ত স্বাধীনতার সাথে। আর স্বাধীনতার ব্যাপারে কথা হল, যেমনটি আমরা ইতোপূর্বে আলোচনা করেছি যে, বাধামুক্ত শর্তহীন স্বাধীনতা বলতে কিছু নাই। বরং যে স্বাধীনতার কথা বলা হচ্ছে তা শর্তযুক্ত স্বাধীনতা।
গবেষণা করলে দেখা যায় যে, ব্যক্তি স্বাধীনতা বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন,
-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা
- সফর ও চলাচলের ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা
-যে কোন শহরে বসবাস ও জীবনযাপনের ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ইত্যাদি।
- রাজনৈতিক স্বাধীনতা (তাদের ভাষায়)
- যে কোন মানুষের যে কোন ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা ইত্যাদি।
জাতিসংঘ প্রণিত ‘মানবাধিকার সনদ’এ সকল বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
কিন্তু ইসলামী শরীয়তে মানুষকে পূর্ণ ও বাধাহীন স্বাধীনতা দেয়া হয় নি-যেমনটি আগে আলোচনা করা হয়েছে। কেননা, মানুষকে যদি শর্তহীনভাবে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় আর এ সুযোগে যেখানে যা খুশি করবে বেড়াবে তাহলে তা বিশ্ব মানবতার জন্য কল্যাণকর হবে না। আর ব্যক্তি বিশেষের কল্যাণের চেয়ে সমাজ, দেশ ও জাতির কল্যাণ অগ্রগণ্য। এ মর্মে সকল ধর্ম ও মতাদর্শ একমত।
এই কারণে ইসলামী শরীয়ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের বড় বড় বিষয়ে স্বাধীনতার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তবে সে স্বাধীনতা এমনভাবে প্রয়োগ করে যাতে মানুষ ইসলাম প্রদত্ব কল্যাণ লাভ করতে পারে। আর এ কথা স্বত:সিদ্ধ যে, ইসলাম এসেছে মানবজাতির কল্যাণ সাধন করার জন্য এবং তাতে পূর্ণতা দেয়ার জন্য। অনুরূপভাবে ইসলামের আবির্ভাব হয়েছে মানবজাতিকে অকল্যাণ ও বিপর্যয়ের হাত থেকে থেকে রক্ষা করার জন্য বা সমাজ থেকে অকল্যাণের প্রাদূর্ভাব কমানোর জন্য।
গবেষণা করলে দেখা যায় যে, ব্যক্তি স্বাধীনতা বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন,
-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা
- সফর ও চলাচলের ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা
-যে কোন শহরে বসবাস ও জীবনযাপনের ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ইত্যাদি।
- রাজনৈতিক স্বাধীনতা (তাদের ভাষায়)
- যে কোন মানুষের যে কোন ধর্ম গ্রহণের স্বাধীনতা ইত্যাদি।
জাতিসংঘ প্রণিত ‘মানবাধিকার সনদ’এ সকল বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
কিন্তু ইসলামী শরীয়তে মানুষকে পূর্ণ ও বাধাহীন স্বাধীনতা দেয়া হয় নি-যেমনটি আগে আলোচনা করা হয়েছে। কেননা, মানুষকে যদি শর্তহীনভাবে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় আর এ সুযোগে যেখানে যা খুশি করবে বেড়াবে তাহলে তা বিশ্ব মানবতার জন্য কল্যাণকর হবে না। আর ব্যক্তি বিশেষের কল্যাণের চেয়ে সমাজ, দেশ ও জাতির কল্যাণ অগ্রগণ্য। এ মর্মে সকল ধর্ম ও মতাদর্শ একমত।
এই কারণে ইসলামী শরীয়ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের বড় বড় বিষয়ে স্বাধীনতার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তবে সে স্বাধীনতা এমনভাবে প্রয়োগ করে যাতে মানুষ ইসলাম প্রদত্ব কল্যাণ লাভ করতে পারে। আর এ কথা স্বত:সিদ্ধ যে, ইসলাম এসেছে মানবজাতির কল্যাণ সাধন করার জন্য এবং তাতে পূর্ণতা দেয়ার জন্য। অনুরূপভাবে ইসলামের আবির্ভাব হয়েছে মানবজাতিকে অকল্যাণ ও বিপর্যয়ের হাত থেকে থেকে রক্ষা করার জন্য বা সমাজ থেকে অকল্যাণের প্রাদূর্ভাব কমানোর জন্য।