১
ইসলামে মানবাধিকার
লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮
মানব রচিত মানবাধিকারের দূর্বলতা:
মানুষ মানুষকে অধিকার দিতে গেলে প্রবৃত্তির তাড়না থেকে বাঁচতে পারে না। যে আইন রচনা করে -সে যেই হোক না কেন- আইনের মধ্যে নিজের ইচ্ছা ও প্রবৃত্তিকে ঢুকিয়ে দেয়। তাই দেখা যায়, পশ্চাত্যের আইনগুলো (যেমন ফ্রান্স বা আমেরিকার আইন) মাঝে মধ্যেই পরিবর্তন হয়। কেননা, প্রথম যখন আইন তৈরি করা হয় তখন তা ছিল বিশেষ স্বার্থে। সেটা তৈরী হয়েছিল দেশের বিশেষ স্বার্থ রক্ষার জন্য বা কোন ব্যাপারে রাষ্ট্রের অহমিকা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে। কিন্তু সময়ের পরিবর্তন ঘটেছে। সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতিরও পরিবর্তন ঘটেছে। তাই আইন পরিবর্তন করারও প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
এ কারণে আল্লাহ তায়ালা জাহেলী শাষণ ব্যবস্থাকে প্রবৃত্তির শাষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন,
احْكُم بَيْنَهُم بِمَا أَنزَلَ اللَّـهُ ۖ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ عَمَّا جَاءَكَ مِنَ الْحَقِّ
“অতএব,আপনি তাদের পারস্পারিক ব্যাপারাদিতে আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করুন এবং আপনার কাছে যে সৎপথ এসেছে, তা ছেড়ে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না।” [সূরা মায়িদাহ/৪৯]
কেননা যখন কোন আইন শরীয়তের সাথে সাংঘর্ষিক হয় তখন বুঝতে হবে নিশ্চিতভাবেই তাতে প্রবৃত্তির প্রাধান্য বিস্তার করেছে। যার কারণে তা নির্ভূল হয় নি। এতে কোন সন্দেহ নাই যে, যখন মানবিক কুপ্রবৃত্তি প্রাধান্য পাবে তখন কোনভাবেই মানুষের যথার্থ অধিকার প্রদান করা সম্ভব নয়।
তাহলে দেখা যাচ্ছে, মানবাধিকারের উপরোক্ত মূলনীতিগুলো তৈরী করা হয়েছে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে। যেগুলো মানবিক কুপ্রবৃত্তির অনুপ্রবেশ থেকে মুক্ত নয়। অথবা সেগুলো ছিল রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার চিন্তায় কিংবা সামরিকভাবে দূর্বল অথচ সম্পদশালী দেশগুলো উপর ক্ষমতা বিস্তারের আগ্রহে।
এ কারণে আল্লাহ তায়ালা জাহেলী শাষণ ব্যবস্থাকে প্রবৃত্তির শাষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন,
احْكُم بَيْنَهُم بِمَا أَنزَلَ اللَّـهُ ۖ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ عَمَّا جَاءَكَ مِنَ الْحَقِّ
“অতএব,আপনি তাদের পারস্পারিক ব্যাপারাদিতে আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফয়সালা করুন এবং আপনার কাছে যে সৎপথ এসেছে, তা ছেড়ে তাদের প্রবৃত্তির অনুসরণ করবেন না।” [সূরা মায়িদাহ/৪৯]
কেননা যখন কোন আইন শরীয়তের সাথে সাংঘর্ষিক হয় তখন বুঝতে হবে নিশ্চিতভাবেই তাতে প্রবৃত্তির প্রাধান্য বিস্তার করেছে। যার কারণে তা নির্ভূল হয় নি। এতে কোন সন্দেহ নাই যে, যখন মানবিক কুপ্রবৃত্তি প্রাধান্য পাবে তখন কোনভাবেই মানুষের যথার্থ অধিকার প্রদান করা সম্ভব নয়।
তাহলে দেখা যাচ্ছে, মানবাধিকারের উপরোক্ত মূলনীতিগুলো তৈরী করা হয়েছে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে। যেগুলো মানবিক কুপ্রবৃত্তির অনুপ্রবেশ থেকে মুক্ত নয়। অথবা সেগুলো ছিল রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার চিন্তায় কিংবা সামরিকভাবে দূর্বল অথচ সম্পদশালী দেশগুলো উপর ক্ষমতা বিস্তারের আগ্রহে।