১
ইসলামে মানবাধিকার
লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
৩) ধর্মীয় স্বাধীনতা:
ধর্মীয় স্বাধীনতার ব্যাপারে তারা বলে, মানুষ ইচ্ছা অনুযায়ী ধর্ম গ্রহণ করবে। অর্থাৎ মানুষ ব্যক্তিগতভাবে ধর্ম পালন করবে। তবে অন্যের উপর জোর করে ধর্ম বা কোন ধর্মীয় বিষয় চাপিয়ে দিবে না।
কিন্তু কথা হল, আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসূলের উপর যে ধর্ম অবর্তীণ করেছেন তা হল ইসলাম। এটিই সত্য ধর্ম। যে ব্যক্তি এ ধর্ম অবলম্বন করবে সে মুসলিম। অত:এব কেউ যদি বলে, আমি স্বাধীন। আমি ইসলাম বাদ দিয়ে অন্য ধর্ম গ্রহণ করব। তবে তা মানা হবে না। কেন? উত্তর হল, সে তাহলে একটা পাগল যে কিনা নিজের কল্যাণ বুঝতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে ইহ ও পরকালীন উভয় জীবনে ইসলাম তার জন্য কল্যাণকর। তাকে যদি আমরা ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্ম গ্রহণের হওয়ার সুযোগ দেই তবে তাকে যেন আমরা জাহান্নামে যাওয়ার অনুমতি দিলাম।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ
“যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত।” [সূরা আলে ইমরান/৮৫]
সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
مَنْ بَدَّلَ دِينَهُ فَاقْتُلُوهُ
“যে তার দ্বীন পরিবর্তন করল তাকে তোমরা হত্যা করো।” [সহীহ বুখারী হা/৬৯২২]
সুতরাং কোন মুসলিম যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয় তাকে হত্যা করা অপরিহার্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا مَن يَرْتَدَّ مِنكُمْ عَن دِينِهِ فَسَوْفَ يَأْتِي اللَّـهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ
“তোমাদের মধ্যে যে স্বীয় দ্বীন থেকে ফিরে যাবে, অচিরেই আল্লাহ এমন সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন, যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন এবং তারা তাঁকে ভালবাসবে।” [সূরা মায়িদাহ/৫৪]
কিন্তু একজন অমুসলিম তার ইচ্ছেমত যে কোন ধর্ম গ্রহণ করতে পারে। মানুষকে আমরা ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করবো না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহুদী-খৃস্টানদেরকে তাদের ধর্মের উপর অবিচল থাকার স্বীকৃতি দিয়েছেন। কিন্তু সেই সাথে তিনি তাদেরকে ইসলামের দিকে আহবান জানিয়েছেন, তাদেরকে আদেশ-নিষেধ করেছেন।
সুতরাং ইসলামী রাষ্ট্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা রয়েছে এই শর্তে যে, কেউ ইসলাম ছেড়ে অন্য ধর্মে ধর্মন্তরিত হতে পারবে না। কেননা, ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম। আর ইসলামী শরীয়ত এসেছে মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে। সুতরাং কোন ব্যক্তি যদি ইসলাম ধর্ম পরিত্যাগ করে তবে এতে প্রমাণিত হয়ে সে সুবুদ্ধির ধারক নয়।
কিন্তু কথা হল, আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসূলের উপর যে ধর্ম অবর্তীণ করেছেন তা হল ইসলাম। এটিই সত্য ধর্ম। যে ব্যক্তি এ ধর্ম অবলম্বন করবে সে মুসলিম। অত:এব কেউ যদি বলে, আমি স্বাধীন। আমি ইসলাম বাদ দিয়ে অন্য ধর্ম গ্রহণ করব। তবে তা মানা হবে না। কেন? উত্তর হল, সে তাহলে একটা পাগল যে কিনা নিজের কল্যাণ বুঝতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে ইহ ও পরকালীন উভয় জীবনে ইসলাম তার জন্য কল্যাণকর। তাকে যদি আমরা ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্ম গ্রহণের হওয়ার সুযোগ দেই তবে তাকে যেন আমরা জাহান্নামে যাওয়ার অনুমতি দিলাম।
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ
“যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতিগ্রস্ত।” [সূরা আলে ইমরান/৮৫]
সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
مَنْ بَدَّلَ دِينَهُ فَاقْتُلُوهُ
“যে তার দ্বীন পরিবর্তন করল তাকে তোমরা হত্যা করো।” [সহীহ বুখারী হা/৬৯২২]
সুতরাং কোন মুসলিম যদি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয় তাকে হত্যা করা অপরিহার্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا مَن يَرْتَدَّ مِنكُمْ عَن دِينِهِ فَسَوْفَ يَأْتِي اللَّـهُ بِقَوْمٍ يُحِبُّهُمْ وَيُحِبُّونَهُ
“তোমাদের মধ্যে যে স্বীয় দ্বীন থেকে ফিরে যাবে, অচিরেই আল্লাহ এমন সম্প্রদায় সৃষ্টি করবেন, যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন এবং তারা তাঁকে ভালবাসবে।” [সূরা মায়িদাহ/৫৪]
কিন্তু একজন অমুসলিম তার ইচ্ছেমত যে কোন ধর্ম গ্রহণ করতে পারে। মানুষকে আমরা ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করবো না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহুদী-খৃস্টানদেরকে তাদের ধর্মের উপর অবিচল থাকার স্বীকৃতি দিয়েছেন। কিন্তু সেই সাথে তিনি তাদেরকে ইসলামের দিকে আহবান জানিয়েছেন, তাদেরকে আদেশ-নিষেধ করেছেন।
সুতরাং ইসলামী রাষ্ট্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা রয়েছে এই শর্তে যে, কেউ ইসলাম ছেড়ে অন্য ধর্মে ধর্মন্তরিত হতে পারবে না। কেননা, ইসলামই একমাত্র সঠিক ধর্ম। আর ইসলামী শরীয়ত এসেছে মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে। সুতরাং কোন ব্যক্তি যদি ইসলাম ধর্ম পরিত্যাগ করে তবে এতে প্রমাণিত হয়ে সে সুবুদ্ধির ধারক নয়।