১
বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
সময় সংক্রামত্ম
১২০। সঠিক সময়ে নামায আদায়ের গুরুত্ব ও ফযীলত অনেক। (বুখারী, হা: ৫২৭)
১২১। সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়লেই যোহরের সময় হয়। (বুখারী, হা: ৫৪০)
১২২। প্রচন্ড গরমের সময় যোহরের নামায একটু দেরীতে পড়া উত্তম।
(বুখারী, হা: ৫৩৫, ৫৩৬)
১২৩। আসরের পরে মাগরিব হতে অনেক সময় বাকী থাকতো।
(বুখারী, হা: ২৪৮৫, ৫৫০, ৫৫১)
১২৪। সূর্য অসত্মমিত হলেই মাগরিবের সময় হয়ে যায়। (বুখারী, হা: ৫৬১)
১২৫। এশার নামায অর্ধেক রাত পর্যন্ত বিলম্ব করে পড়া যায়। (বুখারী, হা: ৫৭২)
১২৬। নবী ﷺ অন্ধকার থাকতেই ফজরের নামায শেষ করতেন। (বুখারী, হা: ৫৭৮)
১২৭। দেরীতে নামায পড়া নামাযের হক নষ্ট করার শামিল। (বুখারী, হা: ৫২৯)
১২৮। ফজর ও আসরের পরে নফল নামায পড়া নিষেধ। (বুখারী, হা: ৫৮১, ৫৮৪)
১২৯। সূর্যোদয় ও অস্ত যাওয়ার সময় নামায পড়া নিষেধ। (বুখারী, হা: ৫৮৩, ৫৮৫)
১৩০। ফজর ও আসরের পর কাযা নামায আদায় করা যাবে। (বুখারী, হা: ৫৯০)
১৩১। এশার পূর্বে ঘুমানো এবং এশার পরে গল্প গুজব করা অপছন্দনীয়।
(বুখারী, হা: ৫৯৯)
১২১। সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়লেই যোহরের সময় হয়। (বুখারী, হা: ৫৪০)
১২২। প্রচন্ড গরমের সময় যোহরের নামায একটু দেরীতে পড়া উত্তম।
(বুখারী, হা: ৫৩৫, ৫৩৬)
১২৩। আসরের পরে মাগরিব হতে অনেক সময় বাকী থাকতো।
(বুখারী, হা: ২৪৮৫, ৫৫০, ৫৫১)
১২৪। সূর্য অসত্মমিত হলেই মাগরিবের সময় হয়ে যায়। (বুখারী, হা: ৫৬১)
১২৫। এশার নামায অর্ধেক রাত পর্যন্ত বিলম্ব করে পড়া যায়। (বুখারী, হা: ৫৭২)
১২৬। নবী ﷺ অন্ধকার থাকতেই ফজরের নামায শেষ করতেন। (বুখারী, হা: ৫৭৮)
১২৭। দেরীতে নামায পড়া নামাযের হক নষ্ট করার শামিল। (বুখারী, হা: ৫২৯)
১২৮। ফজর ও আসরের পরে নফল নামায পড়া নিষেধ। (বুখারী, হা: ৫৮১, ৫৮৪)
১২৯। সূর্যোদয় ও অস্ত যাওয়ার সময় নামায পড়া নিষেধ। (বুখারী, হা: ৫৮৩, ৫৮৫)
১৩০। ফজর ও আসরের পর কাযা নামায আদায় করা যাবে। (বুখারী, হা: ৫৯০)
১৩১। এশার পূর্বে ঘুমানো এবং এশার পরে গল্প গুজব করা অপছন্দনীয়।
(বুখারী, হা: ৫৯৯)