১
বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
কয়েকটি কথা
আলহামদু-লিল্লাহ! ‘১২০০ মাস’আলা’ বইটি প্রকাশ করতে পেরে আল্লাহ তা‘আলার শুকরিয়া আদায় করছি। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক বিশ্বনবী মুহাম্মাদ ﷺ -এর উপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবায়ে কেরামের উপর।
ইসলাম প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয করে দিয়েছে। কারণ দ্বীনের জ্ঞান না থাকলে দ্বীনের উপর চলা যায় না। বিশেষ করে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলো সম্পর্কিত যেসকল গুরুত্বপূর্ণ মাস’আলা রয়েছে, তা জানা খুবই জরুরি।
এ গ্রন্থটিতে সংক্ষিপ্তাকারে কিছু প্রয়োজনীয় মাস’আলা-মাসায়েল তুলে ধরা হয়েছে। সবগুলো মাস’আলাই কুরআন মাজীদের পর সবচেয়ে বিশুদ্ধ কিতাব, সহীহুল বুখারী থেকে চয়নকৃত। এ গ্রন্থটি দ্বীনের জ্ঞান পিপাসু ভাই-বোনদেরকে ইসলামের কিছু সঠিক তথ্য দেবে, ইনশা-আল্লাহ।
নবী ﷺ বলেছেন, ‘‘আল্লাহ যার কল্যাণ কামনা করেন, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন।’’ (সহীহ বুখারী, হা/৩১১৬)
ইসলাম প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয করে দিয়েছে। কারণ দ্বীনের জ্ঞান না থাকলে দ্বীনের উপর চলা যায় না। বিশেষ করে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিষয়গুলো সম্পর্কিত যেসকল গুরুত্বপূর্ণ মাস’আলা রয়েছে, তা জানা খুবই জরুরি।
এ গ্রন্থটিতে সংক্ষিপ্তাকারে কিছু প্রয়োজনীয় মাস’আলা-মাসায়েল তুলে ধরা হয়েছে। সবগুলো মাস’আলাই কুরআন মাজীদের পর সবচেয়ে বিশুদ্ধ কিতাব, সহীহুল বুখারী থেকে চয়নকৃত। এ গ্রন্থটি দ্বীনের জ্ঞান পিপাসু ভাই-বোনদেরকে ইসলামের কিছু সঠিক তথ্য দেবে, ইনশা-আল্লাহ।
নবী ﷺ বলেছেন, ‘‘আল্লাহ যার কল্যাণ কামনা করেন, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন।’’ (সহীহ বুখারী, হা/৩১১৬)