১
বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
নামায পড়ার নিয়ম
২০০। ইমাম, মুক্তাদী ও একাকী নামাযী ব্যক্তি সকলের জন্য সব সময় সূরা ফাতিহা পড়া ওয়াজিব। (বুখারী, হা: ৭৫৬)
২০১। ইমাম-মুক্তাদী সকলের জোরে ‘আমীন’ বলা সুন্নাত। (বুখারী, হা: ৭৮০, ৭৮২)
২০২। আমীন বলার ফযীলত অনেক। (বুখারী, হা: ৭৮১)
২০৩। প্রথম দু’রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে আরো কিছু আয়াত বা সূরা পাঠ করবে। (বুখারী, হা: ৭৬২)
২০৪। যোহর ও আসরের নামাযে নিম্নস্বরে কিরাআত পাঠ করতে হবে।
(বুখারী, হা: ৭৬১)
২০৫। নবী ﷺ ফজরের নামাযে ৬০-১০০ আয়াত পাঠ করতেন। (বুখারী, হা: ৭৭১)
২০৬। নামাযে প্রত্যেক উঠা-নামা করার সময় তাকবীর বলবে। (বুখারী, হা: ৭৮৫, ৭৮৯)
২০৭। রুকুতে যাওয়ার সময় ও রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময় হাত উঠাবে। (বুখারী, হা: ৭৩৬)
২০৮। সিজদার সময় নাক ও কপাল মাটিতে লাগাবে। (বুখারী, হা: ৮১২)
২০৯। সিজদার সময় হাতের কনুই শরীর ও মাটি থেকে পৃথক রাখবে।
(বুখারী, হা: ৮০৭, ৮২২, ৫৩২)
২১০। ধীরস্থিরভাবে সিজদা করতে হবে। (বুখারী, হা: ৩৮৯)
২১১। প্রথম ও তৃতীয় রাক‘আত শেষ করে একটু বসে তারপর উঠবে।
(বুখারী, হা: ৮০২, ৮২৩)
২১২। দুই রাকআতের পর দাঁড়ালে আবার হাত উঠাবে। (বুখারী, হা: ৭৩৯)
২১৩। প্রথম ও শেষ বৈঠকে তাশাহ্হুদ পাঠ করবে। (বুখারী, হা: ৮৩৫)
২১৪। শেষ বৈঠকে দুরূদ পাঠ করবে। (বুখারী, হা: ৪৭৯৭, ৪৭৯৮)
২১৫। ইমামের সাথে মুক্তাদীগণও সালাম ফিরাবে। (বুখারী, হা: ৮৩৮)
২১৬। সালামের পর ডান অথবা বাম দিকে ফিরে বসা যায়। (বুখারী, হা: ৮৫২)
২১৭। নবী ﷺ সালাম ফিরানোর পর একটু বসতেন। (বুখারী, হা: ৮৪৯)
২১৮। সালাম ফিরানোর পর উপদেশ প্রদান করা যায়। (বুখারী, হা: ৪১৯)
২১৯। ইমাম নিজ স্থানে সুন্নাত পড়তে পারবেন। (বুখারী, হা: ৮৪৮)
২২০। কোন প্রয়োজনে ইমাম তাড়াতাড়ি উঠে যেতে পারবেন। (বুখারী, হা: ৮৫১)
২২১। মহিলারা উঠে যাওয়ার পর পুরুষরা উঠবে। (বুখারী, হা: ৮৩৭)
২২২। সালাম ফিরানোর পর একবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে। (বুখারী, হা: ৮৪২)
২২৩। নামাযের পর তাসবীহ পড়ার ফযীলত অনেক। (বুখারী, হা: ৮৪৩)
২২৪। অসুস্থ হলে বসে বসে নামায পড়া যায়। (বুখারী, হা: ৬৮৯)
২২৫। বসে আরম্ভ করার পর শক্তি পেলে দাঁড়ানো যাবে। (বুখারী, হা: ১১১৯)
২২৬। দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে সব অবস্থায় নামায পড়া চলে। (বুখারী, হা: ১১১৫, ১১১৭)
২২৭। প্রয়োজনে ইশারা-ইঙ্গিতেও নামায পড়া যায়। (বুখারী, হা: ১০৯৬)
২২৮। বিশেষ প্রয়োজনে দু’নামায একত্রে পড়া যায়। (বুখারী, হা: ৫৪৩)
২২৯। অসুবিধার কারণে কাপড়ে সিজদাহ করা যায়। (বুখারী, হা: ১২০৮)
২৩০। নামাযের জায়গায় কেউ থাকলে হাত নাড়া দিয়ে সতর্ক করা যায়।
(বুখারী, হা: ১২০৯)
২৩১। নবী ﷺ এর নামাযের মতো করে নামায পড়তে হবে। (বুখারী, হা: ৬৩১)
২০১। ইমাম-মুক্তাদী সকলের জোরে ‘আমীন’ বলা সুন্নাত। (বুখারী, হা: ৭৮০, ৭৮২)
২০২। আমীন বলার ফযীলত অনেক। (বুখারী, হা: ৭৮১)
২০৩। প্রথম দু’রাকাতে সূরা ফাতিহার সাথে আরো কিছু আয়াত বা সূরা পাঠ করবে। (বুখারী, হা: ৭৬২)
২০৪। যোহর ও আসরের নামাযে নিম্নস্বরে কিরাআত পাঠ করতে হবে।
(বুখারী, হা: ৭৬১)
২০৫। নবী ﷺ ফজরের নামাযে ৬০-১০০ আয়াত পাঠ করতেন। (বুখারী, হা: ৭৭১)
২০৬। নামাযে প্রত্যেক উঠা-নামা করার সময় তাকবীর বলবে। (বুখারী, হা: ৭৮৫, ৭৮৯)
২০৭। রুকুতে যাওয়ার সময় ও রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময় হাত উঠাবে। (বুখারী, হা: ৭৩৬)
২০৮। সিজদার সময় নাক ও কপাল মাটিতে লাগাবে। (বুখারী, হা: ৮১২)
২০৯। সিজদার সময় হাতের কনুই শরীর ও মাটি থেকে পৃথক রাখবে।
(বুখারী, হা: ৮০৭, ৮২২, ৫৩২)
২১০। ধীরস্থিরভাবে সিজদা করতে হবে। (বুখারী, হা: ৩৮৯)
২১১। প্রথম ও তৃতীয় রাক‘আত শেষ করে একটু বসে তারপর উঠবে।
(বুখারী, হা: ৮০২, ৮২৩)
২১২। দুই রাকআতের পর দাঁড়ালে আবার হাত উঠাবে। (বুখারী, হা: ৭৩৯)
২১৩। প্রথম ও শেষ বৈঠকে তাশাহ্হুদ পাঠ করবে। (বুখারী, হা: ৮৩৫)
২১৪। শেষ বৈঠকে দুরূদ পাঠ করবে। (বুখারী, হা: ৪৭৯৭, ৪৭৯৮)
২১৫। ইমামের সাথে মুক্তাদীগণও সালাম ফিরাবে। (বুখারী, হা: ৮৩৮)
২১৬। সালামের পর ডান অথবা বাম দিকে ফিরে বসা যায়। (বুখারী, হা: ৮৫২)
২১৭। নবী ﷺ সালাম ফিরানোর পর একটু বসতেন। (বুখারী, হা: ৮৪৯)
২১৮। সালাম ফিরানোর পর উপদেশ প্রদান করা যায়। (বুখারী, হা: ৪১৯)
২১৯। ইমাম নিজ স্থানে সুন্নাত পড়তে পারবেন। (বুখারী, হা: ৮৪৮)
২২০। কোন প্রয়োজনে ইমাম তাড়াতাড়ি উঠে যেতে পারবেন। (বুখারী, হা: ৮৫১)
২২১। মহিলারা উঠে যাওয়ার পর পুরুষরা উঠবে। (বুখারী, হা: ৮৩৭)
২২২। সালাম ফিরানোর পর একবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে। (বুখারী, হা: ৮৪২)
২২৩। নামাযের পর তাসবীহ পড়ার ফযীলত অনেক। (বুখারী, হা: ৮৪৩)
২২৪। অসুস্থ হলে বসে বসে নামায পড়া যায়। (বুখারী, হা: ৬৮৯)
২২৫। বসে আরম্ভ করার পর শক্তি পেলে দাঁড়ানো যাবে। (বুখারী, হা: ১১১৯)
২২৬। দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে সব অবস্থায় নামায পড়া চলে। (বুখারী, হা: ১১১৫, ১১১৭)
২২৭। প্রয়োজনে ইশারা-ইঙ্গিতেও নামায পড়া যায়। (বুখারী, হা: ১০৯৬)
২২৮। বিশেষ প্রয়োজনে দু’নামায একত্রে পড়া যায়। (বুখারী, হা: ৫৪৩)
২২৯। অসুবিধার কারণে কাপড়ে সিজদাহ করা যায়। (বুখারী, হা: ১২০৮)
২৩০। নামাযের জায়গায় কেউ থাকলে হাত নাড়া দিয়ে সতর্ক করা যায়।
(বুখারী, হা: ১২০৯)
২৩১। নবী ﷺ এর নামাযের মতো করে নামায পড়তে হবে। (বুখারী, হা: ৬৩১)