১
বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
আযান ও ইকামত
১৩২। আযানের শব্দ দু’বার ও একামতের শব্দ একবার করে বলতে হবে।
(বুখারী, হা: ৬০৫)
১৩৩। ইকামতে ‘‘ক্বদ ক্ব-মাতিস্ সলাহ’’ দু’বার বলতে হবে। (বুখারী, হা: ৬০৭)
১৩৪। আযানের শব্দ উচ্চৈঃস্বরে বলতে হবে। (বুখারী, হা: ৬০৯)
১৩৫। আযানের সময় ডানে বামে মুখ ফিরানো যাবে। (বুখারী, হা: ৬৩৪)
১৩৬। আযানের মৌখিক জবাব দেয়া সুন্নাত। (বুখারী, হা: ৬১১)
১৩৭। ‘‘হাইয়া ‘আলাস্ সলাহ’’, শোনার পর ‘‘লা- হাওলা ওয়ালা- কূওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ’’ বলতে হবে। (বুখারী, হা: ৬১৩)
১৩৮। আযানের পর দু‘আ পাঠ করলে কিয়ামতের দিন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শাফায়াত লাভ করা যাবে। (বুখারী, হা: ৬১৪)
১৩৯। সফরের সময় জামা’আতে নামায পড়ার জন্য আযান দেয়া যাবে।
(বুখারী, হা: ৬৩০)
১৪০। অন্ধ ব্যক্তি আযান দিতে পারে। (বুখারী, হা: ৬১৭)
১৪১। আযানের সময় শয়তান পলায়ন করে। (বুখারী, হা: ৬০৮)
১৪২। আযান দেয়ার অনেক ফযীলত রয়েছে। (বুখারী, হা: ৬১৫)
(বুখারী, হা: ৬০৫)
১৩৩। ইকামতে ‘‘ক্বদ ক্ব-মাতিস্ সলাহ’’ দু’বার বলতে হবে। (বুখারী, হা: ৬০৭)
১৩৪। আযানের শব্দ উচ্চৈঃস্বরে বলতে হবে। (বুখারী, হা: ৬০৯)
১৩৫। আযানের সময় ডানে বামে মুখ ফিরানো যাবে। (বুখারী, হা: ৬৩৪)
১৩৬। আযানের মৌখিক জবাব দেয়া সুন্নাত। (বুখারী, হা: ৬১১)
১৩৭। ‘‘হাইয়া ‘আলাস্ সলাহ’’, শোনার পর ‘‘লা- হাওলা ওয়ালা- কূওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ’’ বলতে হবে। (বুখারী, হা: ৬১৩)
১৩৮। আযানের পর দু‘আ পাঠ করলে কিয়ামতের দিন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শাফায়াত লাভ করা যাবে। (বুখারী, হা: ৬১৪)
১৩৯। সফরের সময় জামা’আতে নামায পড়ার জন্য আযান দেয়া যাবে।
(বুখারী, হা: ৬৩০)
১৪০। অন্ধ ব্যক্তি আযান দিতে পারে। (বুখারী, হা: ৬১৭)
১৪১। আযানের সময় শয়তান পলায়ন করে। (বুখারী, হা: ৬০৮)
১৪২। আযান দেয়ার অনেক ফযীলত রয়েছে। (বুখারী, হা: ৬১৫)