১
বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৮
বিয়ে
৬২৬। বিয়ে করা নবীদের সুন্নাত। (বুখারী, হা: ৫০৬৩)
৬২৭। বিয়ের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা বৈধ। (বুখারী, হা: ৫০৬৫, ৫০৬৯)
৬২৮। বিয়ে করতে অক্ষম হলে রোযা রাখার নির্দেশ। (বুখারী, হা: ৫০৬৬)
৬২৯। নবী ﷺ খাসি হতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী, হা: ৫০৭১, ৫০৭৫)
৬৩০। গরীব হলেও বিয়ে করা ও উপার্জন করা উচিৎ। (বুখারী, হা: ৫০৮৭)
৬৩১। গরীবকে অবহেলা করা উচিৎ নয়। (বুখারী, হা: ৫০৯১)
৬৩২। কুমারী নারীকে বিয়ে করা উত্তম। (বুখারী, হা: ৫০৭৭, ৫০৭৯)
৬৩৩। প্রয়োজনে বিধবাকেও বিয়ে করা যায়। (বুখারী, হা: ৫০৮০)
৬৩৪। ইয়াতিম নারীদেরকে বিয়ে করলেও, তাদের মহর যথাযথভাবে আদায় করতে হবে। (বুখারী, হা: ৫০৬৪)
৬৩৫। অসৎ মেয়েদেরকে বিবাহ করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। (বুখারী, হা: ৫০৮২)
৬৩৬। স্বামীর সম্মান রক্ষা করতে পারবে- এমন মহিলাকে বিবাহ করা উত্তম। (বুখারী, হা: ৫০৮২)
৬৩৭। দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দেয়া উচিৎ। (বুখারী, হা: ৫০৯০)
৬৩৮। মেয়েদেরকে ছোটকালে বিয়ে দেয়া বৈধ। (বুখারী, হা: ৫০৮১, ৫১৩৩)
৬৩৯। কোন মহিলা নিজেই তার বিয়ের প্রস্তাব পেশ করতে পারবে।
(বুখারী, হা: ৫১১৩, ৫১২০)
৬৪০। বিয়ের পূর্বে কনেকে দেখে নিতে পারবে। (বুখারী, হা: ৫১২৫)
৬৪১। মেয়ে পক্ষের অভিভাবক আগে প্রস্তাব পেশ করতে পারেন।
(বুখারী, হা: ৫১২২, ৫১২৯)
৬৪২। একজনের প্রস্তাবের উপর আরেকজন প্রস্তাব দেবে না। (বুখারী, হা: ৫১৪২)
৬৪৩। কুমারী বা বিবাহিত মহিলার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেয়া যাবে না।
(বুখারী, হা: ৫১৩৬)
৬৪৪। মেয়েদের ক্ষেত্রে চুপ থাকাই তার সম্মতির লক্ষণ। (বুখারী, হা: ৫১৩৭)
৬৪৫। কন্যার অসন্তুষ্টিতে বিয়ে হলে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। (বুখারী, হা: ৫১৩৮)
৬৪৬। মহর হিসেবে স্বর্ণ দেয়া যাবে। (বুখারী, হা: ৫১৪৮)
৬৪৭। মহর হিসেবে আংটি দেয়া যাবে। (বুখারী, হা: ৫১৫০)
৬৪৮। এছাড়াও অন্য জিনিস দিয়ে মহর দেয়া যাবে। (বুখারী, হা: ৫১৪৯)
৬৪৯। নারীকে বিয়ে বসতে বাধা দেয়া যাবে না। (বুখারী, হা: ৫১৩০)
৬৫০। এক সাথে সর্বোচ্চ চারটি বিয়ে করা বৈধ। (বুখারী, হা: ৫০৯৮)
৬৫১। নবী ﷺ এর এক সাথে নয়জন স্ত্রী ছিল। (বুখারী, হা: ৫০৬৭)
৬৫২। বিবাহে ওয়ালীমা করা ওয়াজিব। (বুখারী, হা: ৫১৫৫)
৬৫৩। সামান্য কিছু দিয়ে হলেও ওয়ালীমা করতে হবে। (বুখারী, হা: ৫১৭২)
৬৫৪। নবী ﷺ নিজে ওয়ালীমা করেছেন। (বুখারী, হা: ৫১৬৮, ৫১৬৯)
৬৫৫। ওয়ালীমার দাওয়াত গ্রহণ করার নির্দেশ। (বুখারী, হা: ৫১৭৩, ৫১৭৪)
৬৫৬। ওয়ালীমায় গরীবদেরকেও দাওয়াত দেয়া কর্তব্য। (বুখারী, হা: ৫১৭৭)
৬৫৭। দাওয়াত কবুলের জন্য নফল রোযা ছেড়ে দেয়া যায়। (বুখারী, হা: ৫১৭৯)
৬৫৮। দাওয়াত খেতে গিয়ে অনৈসলামিক কর্ম দেখলে ফিরে আসা যাবে।
(বুখারী, হা: ৫১৮১)
৬২৭। বিয়ের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা বৈধ। (বুখারী, হা: ৫০৬৫, ৫০৬৯)
৬২৮। বিয়ে করতে অক্ষম হলে রোযা রাখার নির্দেশ। (বুখারী, হা: ৫০৬৬)
৬২৯। নবী ﷺ খাসি হতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী, হা: ৫০৭১, ৫০৭৫)
৬৩০। গরীব হলেও বিয়ে করা ও উপার্জন করা উচিৎ। (বুখারী, হা: ৫০৮৭)
৬৩১। গরীবকে অবহেলা করা উচিৎ নয়। (বুখারী, হা: ৫০৯১)
৬৩২। কুমারী নারীকে বিয়ে করা উত্তম। (বুখারী, হা: ৫০৭৭, ৫০৭৯)
৬৩৩। প্রয়োজনে বিধবাকেও বিয়ে করা যায়। (বুখারী, হা: ৫০৮০)
৬৩৪। ইয়াতিম নারীদেরকে বিয়ে করলেও, তাদের মহর যথাযথভাবে আদায় করতে হবে। (বুখারী, হা: ৫০৬৪)
৬৩৫। অসৎ মেয়েদেরকে বিবাহ করা থেকে সতর্ক থাকতে হবে। (বুখারী, হা: ৫০৮২)
৬৩৬। স্বামীর সম্মান রক্ষা করতে পারবে- এমন মহিলাকে বিবাহ করা উত্তম। (বুখারী, হা: ৫০৮২)
৬৩৭। দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দেয়া উচিৎ। (বুখারী, হা: ৫০৯০)
৬৩৮। মেয়েদেরকে ছোটকালে বিয়ে দেয়া বৈধ। (বুখারী, হা: ৫০৮১, ৫১৩৩)
৬৩৯। কোন মহিলা নিজেই তার বিয়ের প্রস্তাব পেশ করতে পারবে।
(বুখারী, হা: ৫১১৩, ৫১২০)
৬৪০। বিয়ের পূর্বে কনেকে দেখে নিতে পারবে। (বুখারী, হা: ৫১২৫)
৬৪১। মেয়ে পক্ষের অভিভাবক আগে প্রস্তাব পেশ করতে পারেন।
(বুখারী, হা: ৫১২২, ৫১২৯)
৬৪২। একজনের প্রস্তাবের উপর আরেকজন প্রস্তাব দেবে না। (বুখারী, হা: ৫১৪২)
৬৪৩। কুমারী বা বিবাহিত মহিলার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দেয়া যাবে না।
(বুখারী, হা: ৫১৩৬)
৬৪৪। মেয়েদের ক্ষেত্রে চুপ থাকাই তার সম্মতির লক্ষণ। (বুখারী, হা: ৫১৩৭)
৬৪৫। কন্যার অসন্তুষ্টিতে বিয়ে হলে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। (বুখারী, হা: ৫১৩৮)
৬৪৬। মহর হিসেবে স্বর্ণ দেয়া যাবে। (বুখারী, হা: ৫১৪৮)
৬৪৭। মহর হিসেবে আংটি দেয়া যাবে। (বুখারী, হা: ৫১৫০)
৬৪৮। এছাড়াও অন্য জিনিস দিয়ে মহর দেয়া যাবে। (বুখারী, হা: ৫১৪৯)
৬৪৯। নারীকে বিয়ে বসতে বাধা দেয়া যাবে না। (বুখারী, হা: ৫১৩০)
৬৫০। এক সাথে সর্বোচ্চ চারটি বিয়ে করা বৈধ। (বুখারী, হা: ৫০৯৮)
৬৫১। নবী ﷺ এর এক সাথে নয়জন স্ত্রী ছিল। (বুখারী, হা: ৫০৬৭)
৬৫২। বিবাহে ওয়ালীমা করা ওয়াজিব। (বুখারী, হা: ৫১৫৫)
৬৫৩। সামান্য কিছু দিয়ে হলেও ওয়ালীমা করতে হবে। (বুখারী, হা: ৫১৭২)
৬৫৪। নবী ﷺ নিজে ওয়ালীমা করেছেন। (বুখারী, হা: ৫১৬৮, ৫১৬৯)
৬৫৫। ওয়ালীমার দাওয়াত গ্রহণ করার নির্দেশ। (বুখারী, হা: ৫১৭৩, ৫১৭৪)
৬৫৬। ওয়ালীমায় গরীবদেরকেও দাওয়াত দেয়া কর্তব্য। (বুখারী, হা: ৫১৭৭)
৬৫৭। দাওয়াত কবুলের জন্য নফল রোযা ছেড়ে দেয়া যায়। (বুখারী, হা: ৫১৭৯)
৬৫৮। দাওয়াত খেতে গিয়ে অনৈসলামিক কর্ম দেখলে ফিরে আসা যাবে।
(বুখারী, হা: ৫১৮১)