১
বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৯
খাওয়া-দাওয়ার আদব ও সুন্নাত
৭৫৫। বিস্মিল্লাহ বলে ডান হাতে খাবে। (বুখারী, হা: ৫৩৭৬)
৭৫৬। খাওয়া-দাওয়া ও সবকাজে ডান দিকের গুরুত্ব দেয়া। (বুখারী, হা: ৫৩৮০)
৭৫৭। এক সাথে বেশি খাবার মুখে দিতে নেই। (বুখারী, হা: ৫৪৪৬)
৭৫৮। খাদিমকে সাথে বসানো অথবা কিছু দেয়া। (বুখারী, হা: ৫৪৬০)
৭৫৯। নবী ﷺ টেবিলের উপর খেতেন না, দস্তর খানার উপর খেতেন।
(বুখারী, হা: ৫৩৮৬, ৫৩৮৭)
৭৬০। নবী ﷺ খাবার না চিনে খেতেন না। (বুখারী, হা: ৫৩৯১)
৭৬১। নবী ﷺ হেলান দিয়ে খেতেন না। (বুখারী, হা: ৫৩৯৮, ৫৩৯৯)
৭৬২। নবী ﷺ কোন খাদ্যের দোষ বের করতেন না। (বুখারী, হা: ৫৪০৯)
৭৬৩। নবী ﷺ লাউ পছন্দ করতেন। (বুখারী, হা: ৫৪২০)
৭৬৪। নবী ﷺ মুরগীর গোস্ত খেয়েছেন। (বুখারী, হা: ৫৫১৭)
৭৬৫। নবী ﷺ হালুয়া ও মধু খেতে ভালোবাসতেন। (বুখারী, হা: ৫৪৩১)
৭৬৬। প্রতিদিন সকালে সাতটি আযওয়া নামক খেজুর খাওয়ার উপকারিতা অনেক। (বুখারী, হা: ৫৪৪৫)
৭৬৭। হাতের আঙ্গুল চেটে খাওয়া সুন্নাত। (বুখারী, হা: ৫৪৫৬)
৭৬৮। খাবার শেষে পাঞ্জা, বাজু অথবা পায়ের মধ্যে হাত মাসেহ করা যায়।
(বুখারী, হা: ৫৪৫৭)
৭৬৯। গন্ধযুক্ত জিনিস খেয়ে মসজিদে যেতে নেই। (বুখারী, হা: ৫৪৫২)
৭৭০। সোনা-রূপার পাত্রে আহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। (বুখারী, হা: ৫৪২৬)
৭৭১। একজনের খাবার দু’জনের জন্য এবং দু‘জনের খাবার তিন জনের জন্য যথেষ্ট হয়। (বুখারী, হা: ৫৩৯২)
৭৭২। সাথি অসমত্মুষ্ট না হলে পছন্দের খাবার নিয়ে খাওয়া যায়। (বুখারী, হা: ৫৩৭৯)
৭৭৩। মুমিনগণ কখনো কাফিরদের মত কেবল খাওয়া-পরাকে লক্ষ্যস্থল বানাবে না। (বুখারী, হা: ৫৩৯৩)
৭৭৪। খাদ্যবস্ত্ত ঢেকে রাখা উত্তম। (বুখারী, হা: ৫৬০৬)
৭৭৫। মেহমানকে খাওয়ানোতে বরকত হয়। (বুখারী, হা: ৫৩৮১)
৭৭৬। ছোটরা বড়দের খেদমত করবে। (বুখারী, হা: ৫৬২২)
৭৭৭। খাবার শেষে উঠে যাবে কাউকে কষ্ট দেবে না।
(সূরা আহযাব- ৫৩; বুখারী, হা: ৫৪৬৬)
৭৫৬। খাওয়া-দাওয়া ও সবকাজে ডান দিকের গুরুত্ব দেয়া। (বুখারী, হা: ৫৩৮০)
৭৫৭। এক সাথে বেশি খাবার মুখে দিতে নেই। (বুখারী, হা: ৫৪৪৬)
৭৫৮। খাদিমকে সাথে বসানো অথবা কিছু দেয়া। (বুখারী, হা: ৫৪৬০)
৭৫৯। নবী ﷺ টেবিলের উপর খেতেন না, দস্তর খানার উপর খেতেন।
(বুখারী, হা: ৫৩৮৬, ৫৩৮৭)
৭৬০। নবী ﷺ খাবার না চিনে খেতেন না। (বুখারী, হা: ৫৩৯১)
৭৬১। নবী ﷺ হেলান দিয়ে খেতেন না। (বুখারী, হা: ৫৩৯৮, ৫৩৯৯)
৭৬২। নবী ﷺ কোন খাদ্যের দোষ বের করতেন না। (বুখারী, হা: ৫৪০৯)
৭৬৩। নবী ﷺ লাউ পছন্দ করতেন। (বুখারী, হা: ৫৪২০)
৭৬৪। নবী ﷺ মুরগীর গোস্ত খেয়েছেন। (বুখারী, হা: ৫৫১৭)
৭৬৫। নবী ﷺ হালুয়া ও মধু খেতে ভালোবাসতেন। (বুখারী, হা: ৫৪৩১)
৭৬৬। প্রতিদিন সকালে সাতটি আযওয়া নামক খেজুর খাওয়ার উপকারিতা অনেক। (বুখারী, হা: ৫৪৪৫)
৭৬৭। হাতের আঙ্গুল চেটে খাওয়া সুন্নাত। (বুখারী, হা: ৫৪৫৬)
৭৬৮। খাবার শেষে পাঞ্জা, বাজু অথবা পায়ের মধ্যে হাত মাসেহ করা যায়।
(বুখারী, হা: ৫৪৫৭)
৭৬৯। গন্ধযুক্ত জিনিস খেয়ে মসজিদে যেতে নেই। (বুখারী, হা: ৫৪৫২)
৭৭০। সোনা-রূপার পাত্রে আহার করতে নিষেধ করা হয়েছে। (বুখারী, হা: ৫৪২৬)
৭৭১। একজনের খাবার দু’জনের জন্য এবং দু‘জনের খাবার তিন জনের জন্য যথেষ্ট হয়। (বুখারী, হা: ৫৩৯২)
৭৭২। সাথি অসমত্মুষ্ট না হলে পছন্দের খাবার নিয়ে খাওয়া যায়। (বুখারী, হা: ৫৩৭৯)
৭৭৩। মুমিনগণ কখনো কাফিরদের মত কেবল খাওয়া-পরাকে লক্ষ্যস্থল বানাবে না। (বুখারী, হা: ৫৩৯৩)
৭৭৪। খাদ্যবস্ত্ত ঢেকে রাখা উত্তম। (বুখারী, হা: ৫৬০৬)
৭৭৫। মেহমানকে খাওয়ানোতে বরকত হয়। (বুখারী, হা: ৫৩৮১)
৭৭৬। ছোটরা বড়দের খেদমত করবে। (বুখারী, হা: ৫৬২২)
৭৭৭। খাবার শেষে উঠে যাবে কাউকে কষ্ট দেবে না।
(সূরা আহযাব- ৫৩; বুখারী, হা: ৫৪৬৬)