hadith book logo

বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৫

তাহাজ্জুদের নামায

২৮৭। তাহাজ্জুদের নামায জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায় হতে পারে।

(বুখারী, হা: ১১২১, ১১২২)

২৮৮। নবী ﷺ তাহাজ্জুদ পড়ার জন্য পরিবারকে উৎসাহ দিতেন। (বুখারী, হা: ১১২৬)

২৮৯। তাহাজ্জুদ পড়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে। (বুখারী, হা: ১১২৭)

২৯০। নবী ﷺ রাতের প্রথমাংশে ঘুমাতেন এবং শেষাংশে নামায পড়তেন।

(বুখারী, হা: ১১৪৬)

২৯১। নবী ﷺ রাতে এতো নামায পড়তেন যে তাঁর পা ফুলে যেতো।

(বুখারী, হা: ১১৩০)

২৯২। নবী ﷺ বিভিন্ন সময় সাত, নয় ও এগারো রাক’আত নামায পড়তেন। (বুখারী, হা: ১১৩৯)

২৯৩। তাহাজ্জুদে নবী ﷺ লম্বা সিজদা করতেন। (বুখারী, হা: ১১২৩)

২৯৪। নবী ﷺ তাহাজ্জুদ দু’রাক’আত করে পড়তেন। (বুখারী, হা: ১১৩৭)

২৯৫। নবী ﷺ দাঁড়িয়ে না পারলে বসে বসে তাহাজ্জুদ পড়তেন। (বুখারী, হা: ১১৪৮)

২৯৭। তাহাজ্জুদের অভ্যাস করে আবার ছেড়ে দেয়া ঠিক নয়। (বুখারী, হা: ১১৫২)

২৯৮। শয়তান রাতে নামায পড়তে বাধা দেয়। (বুখারী, হা: ১১৪২)

২৯৯। যে ফজরের সময় ঘুমায় তার কবরে শাস্তি হয়। (বুখারী, হা: ১১৪৩)

৩০০। যে ফজরের সময় উঠে না তার কানে শয়তান পেশাব করে। (বুখারী, হা: ১১৪৪)