hadith book logo

বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৫

জামা’আতে নামায

১৬২। একাকী নামায আদায় করার চেয়ে জামা’আতে নামায আদায় করার সওয়াব ২৭ গুণ বেশি। (বুখারী, হা: ৬৪৫, ৬৪৬)

১৬৩। যতদূর থেকে আসবেন সওয়াব তত বেশি হবে। (বুখারী, হা: ৬৫১, ৬৫৫, ৬৫৬)

১৬৪। মসজিদের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিগণ আরশের ছাঁয়ায় স্থান পাবে।

(বুখারী, হা: ৬৬০)

১৬৫। জামা’আতের অপেক্ষায় বসে থাকার ফযীলত অনেক। (বুখারী, হা: ৬৫৯, ৬৬১)

১৬৬। প্রথম কাতারে দাঁড়ানোর ফযীলত বেশি। (বুখারী, হা: ৬৫৩)

১৬৭। জামা’আত বর্জনকারীর প্রতি নবী ﷺ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

(বুখারী, হা: ৬৪৪)

১৬৮। জামা’আতে অনুপস্থিত থাকা মুনাফিকের কাজ। (বুখারী, হা: ৬৫৭)

১৬৯। উযর থাকলে বাড়িতে নামায পড়া যায়। (বুখারী, হা: ৬১৬, ৬৬৭)

১৭০। রোগী ব্যক্তিও পারলে জামা’আতে শরীক হবে। (বুখারী, হা: ৬৬৫)

১৭১। ছোট বালক ও মহিলারা জামা’আতে শরীক হতে পারবে।

(বুখারী, হা: ৮৬০, ৮৬৪)

১৭২। ইবনে আববাস (রা:) ছোটকালেই জামা’আতে শরীক হতেন। (বুখারী, হা: ৮৬৩)

১৭৩। মহিলাদেরকে মসজিদে যেতে বাধা দিতে নেই। (বুখারী, হা: ৮৭৩)

১৭৪। রাতেও মহিলাদের মসজিদে যাওয়ার অনুমতি আছে। (বুখারী, হা: ৮৬৫, ৮৬৯)

১৭৫। নবী ﷺ এর সাথে মহিলারাও নামায পড়েছেন। (বুখারী, হা: ৮৬৮)

১৭৬। কাতার ঠিক করার সময় প্রথমে পুরুষ ও বড়রা, তারপর ছোটরা, তারপর মহিলারা দাঁড়াবে। (বুখারী, হা: ৮৭১)

১৭৭। মুসল্লি দু’জন হলেও জামা’আতের সাথে সালাত আদায় করতে হবে।

(বুখারী, হা: ৬৫৮)

১৭৮। মুক্তাদী একজন হলে ইমামের বরাবর ডানে দাঁড়াবে। (বুখারী, হা: ৬৯৭)

১৭৯। মহিলা একজন হলে ইমামের পিছনে দাঁড়াবে। (বুখারী, হা: ৭২৭)

১৮০। ইমাম একা নামায শুরু করলেও তাঁর সাথে শরীক হওয়া যায়।

(বুখারী, হা: ৬৯৯)

১৮১। কাতার সোজা করার প্রতি অত্যধিক গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।

(বুখারী, হা: ৭১৭, ৭২৩, ৭২৪)

১৮২। ইকামাত হলে ইমাম মুক্তাদীদের দিকে ফিরে কাতার সোজা করতে বলবেন। (বুখারী, হা: ৭১৯)

১৮৩। নামাযের সৌন্দর্য হল কাতার সোজা করা। (বুখারী, হা: ৭২২)

১৮৪। একে অপরের পায়ের সাথে পা এবং কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াবে। (বুখারী, হা: ৭২৫)

১৮৫। প্রচন্ড ক্ষুধার সময় খাবার উপস্থিত থাকলে আহার করার পর জামা’আত ধরবে। (বুখারী, হা: ৬৭৩)

১৮৬। জামা’আতে শরীক হওয়ার জন্য দৌড়ানো ঠিক নয়। (বুখারী, হা: ৬৩৫, ৬৩৬)