hadith book logo

বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৬

ইমাম সংক্রামত্ম

১৮৭। ইমামকে না দেখে মুক্তাদী দাঁড়াবে না। (বুখারী, হা: ৬৩৭)

১৮৮। ইমামের বিশেষ সমস্যা দেখা দিলে মুক্তাদীরা অপেক্ষা করবে।

(বুখারী, হা: ৬৪০, ৬৪২)

১৮৯। ইমাম ইঙ্গিত করে অন্যকে ইমামত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

(বুখারী, হা: ৬৮১)

১৯০। ইমাম অপারগ হলে অন্য কোন বিজ্ঞ ব্যক্তি ইমামতি করবে।

(বুখারী, হা: ৬৭৮)

১৯১। ইমামতি করার জন্য কুরআন সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত ব্যক্তিই প্রাধান্যযোগ্য। (বুখারী, হা: ৬৯২)

১৯০। ইল্মের ক্ষেত্রে সমান হলে বয়সে বড় ব্যক্তি ইমামতি করবে। (বুখারী, হা: ৬৮৫)

১৯১। ইমাম যেই হোক তাঁর অনুসরণ করা ওয়াজিব। (বুখারী, হা: ৬৯৩)

১৯২। ইমামের ভুলের দায়িত্ব ইমামের উপরই বর্তাবে। (বুখারী, হা: ৬৯৪)

১৯৩। ইমামের আগে কারো সিজদাহ করা উচিত নয়। (বুখারী, হা: ৬৯০)

১৯৪। ইমাম নামাযকে খুব বেশি লম্বা করবে না। (বুখারী, হা: ৭০২)

১৯৫। একা নামাযী যত ইচ্ছা নামাযকে লম্বা করে পড়তে পারে। (বুখারী, হা: ৭০৩)

১৯৬। ইমাম মানুষকে ফিত্নায় (কষ্টে) ফেলবেন না। (বুখারী, হা: ৭০৫)

১৯৭। বিশেষ প্রয়োজনে সালাত সংক্ষিপ্ত করেও পড়া যায়। (বুখারী, হা: ৭১০)

১৯৮। তবে সংক্ষেপ করতে গিয়ে নামাযকে অসম্পূর্ণ করা উচিত নয়।

(বুখারী, হা: ৭০৬)

১৯৯। লোকমায় (ভুল সংশোধনার্থে) পুরুষ সুব্হানাল্লাহ বলবে আর মহিলারা হাত দিয়ে শব্দ করবে। (বুখারী, হা: ১২০৩, ১২০৪)