hadith book logo

বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা

লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪

ঈমানদারের গুণাবলি

১১। মহান আল্লাহ, নবী ﷺ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা পোষণ করতে হবে। (বুখারী, হা: ১৬)

১২। রাসূল ﷺ কে ভালোবাসতে হবে। (বুখারী, হা: ১৫)

১৩। সাহাবীদেরকে ভালোবাসতে হবে। (বুখারী, হা: ১৭)

১৪। নিজের জন্য যা পছন্দ অন্য ভাইয়ের জন্যও তা পছন্দ করতে হবে।

(বুখারী, হা: ১৩)

১৫। হাত ও মুখ দ্বারা কাউকে কষ্ট দেয়া যাবে না। (বুখারী, হা: ১০, ১১)

১৬। মুসলমানদের কল্যাণ কামনা করতে হবে এবং তাদেরকে উপদেশ দিতে হবে। (বুখারী, হা: ৫৮)

১৭। না বুঝে কেউ ভুল করলে তার উপর চড়াও হওয়া যাবে না। (বুখারী, হা: ২২০)

১৮। সৃষ্টিজীবের প্রতি দয়া করতে হবে। (বুখারী, হা: ১৭৩)

১৯। মানুষের সাথে কোমল ও নম্র আচরণ করতে হবে। (বুখারী, হা: ৬১৩১)

২০। বিধবা ও মিসকীনের সাহায্য করার অনেক সওয়াব রয়েছে। (বুখারী, হা: ৬০০৬)

২১। ভালোবাসার ক্ষেত্রে সকল মুমিন একটি দেহ স্বরূপ। (বুখারী, হা: ৬০১১)

২২। গাছ লাগানোর অনেক সওয়াব রয়েছে। (বুখারী, হা: ৬০১২)

২৩। যে ব্যক্তি সৃষ্টির প্রতি দয়া করে না, আল্লাহ তা‘আলাও তার প্রতি দয়া করেন না। (বুখারী, হা: ৬০১৩)

২৪। মুমিনরা সবাই একটি ইমারতের ন্যায়। (বুখারী, হা: ৬০২৬)

২৫। দ্বীন শিক্ষা করতে কোন লজ্জা নেই। (বুখারী, হা: ৬১২১)

২৬। লজ্জা একটি ঈমানের অঙ্গ। (বুখারী, হা: ৬১১৮)

২৭। আল্লাহ তা‘আলা নম্রতাকে পছন্দ করেন। (বুখারী, হা: ৬০২৪)

২৮। মানুষকে ভালোবাসা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত। (বুখারী, হা: ৬০৪১)

২৯। ভাল কাজে সুপারীশ করার অনেক সওয়াব রয়েছে। (বুখারী, হা: ৬০২৮ )

৩০। তিন দিন মেহমানদারী করতে হয়। (বুখারী, হা: ৬০১৯)

৩১। প্রত্যেক ভাল কাজ সাদকাহ স্বরূপ। (বুখারী, হা: ৬০২১)

৩২। হাসি মুখে কথা বলাও সাদকাহ। (বুখারী, হা: ৬০২৩)

৩৩। মালিকের আমানত রক্ষা করা কর্তব্য। (বুখারী, হা: ২৫৫৪)

৩৪। খাদিমকে খানার অংশ দেয়া উচিৎ। (বুখারী, হা: ২৫৫৭)

৩৫। অধিনস্তরা খারাপ কাজ করলে শাস্তি দেয়া যাবে। (বুখারী, হা: ২৫৫৬)

৩৬। রোগী ও ক্ষুধার্তদেরকে সাহায্য করার নির্দেশ। (বুখারী, হা: ৫৩৭৩)

৩৭। দেখা করতে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করা যায়। (বুখারী, হা: ৬০৮০)

৩৮। সামনা-সামনি প্রশংসা করা নিষেধ। (বুখারী, হা: ৬০৬০)

৩৯। মিথ্যা ত্যাগ না করলে রোযা কাজে লাগে না। (বুখারী, হা: ৬০৫৭)

৪০। সত্য বলা পূণ্য আর মিথ্যা বলা পাপ। (বুখারী, হা: ৬০৯৪) (তাওবা-১১৯)

৪১। মিথ্যা বলা মুনাফিকের কাজ। (বুখারী, হা: ৬০৯৫)

৪২। পরকালে মিথ্যাবাদীকে গাল চিরে শাস্তি দেয়া হবে। (বুখারী, হা: ৬০৯৬)

৪৩। চুগলখোর ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (বুখারী, হা: ৬০৫৬)

৪৪। চুগলখোরী করা কাবীরা গুনাহের অমত্মর্ভুক্ত। (বুখারী, হা: ৬০৫৫)

৪৫। মুসলিম ব্যক্তি একে অপরকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং মারামারি করা কুফরী। (বুখারী, হা: ৬০৪৪)

৪৬। কোন মুসলিমকে ফাসেক ও কাফের বলে গালি দেয়া নিষেধ।

(বুখারী, হা: ৬০৪৫, ৬১০৩)

৪৭। নবী ﷺ অশালীন বাক্য বলতেন না। (বুখারী, হা: ৬০৪৬)

৪৮। মুমিনকে অভিশাপ দেয়া নিষেধ। (বুখারী, হা: ৬০৪৭)

৪৯। কু-ধারণা, হিংসা ও গোয়েন্দাগিরী করা নিষেধ। (বুখারী, হা: ৬০৬৪)

৫০। এক মুসলিম অপর মুসলিম ভাই হতে তিন দিনের বেশি বিচ্ছিন্ন থাকা বৈধ নয়। (বুখারী, হা: ৬০৬৫, ৬০৭৩, ৬০৭৪)

৫১। কর্কশভাষী, অহংকারী এবং শক্ত হৃদয়ের অধিকারী ব্যক্তি জাহান্নামী হবে। (বুখারী, হা: ৬০৭১)

৫২। আল্লাহর নাফরমানীমূলক বিষয়সমূহকে ঘৃণা করতে হবে। (বুখারী, হা: ৬১০৯)

৫৩। পাপের কথা কারো কাছে প্রকাশ করতে নেই। (বুখারী, হা: ৬০৬৯)

৫৪। যে আগে সালাম দেবে সেই উত্তম। (বুখারী, হা: ৬০৭৭)

৫৫। রাগ দমন করাই প্রকৃত বীরত্ব। (বুখারী, হা: ৬১১৪)

৫৬। রাগ না করার জন্য নবী ﷺ অসিয়ত করেছেন। (বুখারী, হা: ৬১১৬)

৫৭। যে যাকে ভালোবাসবে পরকালে সে তার সাথে থাকবে। (বুখারী, হা: ৬১৭০)

৫৮। সময় ও সুস্থতাকে কাজে লাগনো জরুরি। (বুখারী, হা: ৬৪১২)

৫৯। বড়দের সম্মান করা উচিত। (বুখারী, হা: ৬১৪৩)