১
বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
মৃত্যু ও জানাযা
৪২০। কার কি পরিণতি হবে- কেউ জানে না। (বুখারী, হা: ১২৪৩)
৪২১। মৃত্যুর সংবাদ প্রচার করা যায়। (বুখারী, হা: ১২৪৫)
৪২২। শব্দ না করে ক্রন্দন করা দোষণীয় নয়। (বুখারী, হা: ১২৪৪, ১২৪৬, ১৩০৩)
৪২৩। মৃতের জন্য বিলাপ করা তাকে কষ্ট দেয়ার শামিল। (বুখারী, হা: ১২৯১, ১২৯০)
৪২৪। মৃতের স্বজনদেরকে শান্তনা দেয়া উচিৎ। (বুখারী, হা: ১২৫২, ১২৮৪)
৪২৫। সন্তান মারা গেলে ধৈর্যধারণ করার সওয়াব অনেক। (বুখারী, হা: ১২৪৮, ১২৪৯)
৪২৬। বিপদের শুরু থেকেই ধৈর্য ধরতে হয়। (বুখারী, হা: ১২৮৩)
৪২৭। স্বামী ছাড়া অন্যের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা নিষেধ। (বুখারী, হা: ১২৮১)
৪২৮। জীবিত থাকতেই কাফন তৈরি করে রাখা যায়। বুখারী হাঃ নং ১২৭৭)
৪২৯। জানাযায় শরীক হওয়ার ফযীলত অনেক। (বুখারী, হা: ১৩২৩, ১৩২৪)
৪৩০। দাফন পর্যন্ত অপেক্ষা করলে দ্বিগুণ সওয়াব হয়। (বুখারী, হা: ১৩২৫)
৪৩১। জানাযার পিছনে চলা এবং তা কাঁধ থেকে নামানোর আগে না বসা সুন্নাত। (বুখারী, হা: ১৩১০)
৪৩২। জানাযা দেখলে দাঁড়ানো উচিৎ। (বুখারী, হা: ১৩০৮)
৪৩৩। দাফন করার মূহুর্তে উপস্থিত লোকদেরকে উপদেশ দান করা যায়।
(বুখারী, হা: ১৩৬২)
৪৩৪। কাতারবদ্ধ হয়ে ৪ তাকবীরে জানাযা পড়বে। (বুখারী, হা: ১৩১৮)
৪৩৫। জানাযা মহিলার হলে ইমাম লাশের মাঝ বরাবর দাঁড়াবেন। (বুখারী, হা: ১৩৩১)
৪৩৬। জানাযা নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করা সুন্নাত। (বুখারী, হা: ১৩৩৫)
৪৩৭। দাফনের পরেও জানাযা পড়া যায়। (বুখারী, হা: ১৩৩৭)
৪৩৮। ছোট বাচ্চাদেরও জানাযা পড়তে হয়। (বুখারী, হা: ১৩৫৮)
৪৩৯। শহীদদেরকে গোসল ছাড়াই দাফন করতে হয়। (বুখারী, হা: ১৩৪৬)
৪৪০। প্রয়োজনে একই কবরে একাধিক লাশ রাখা যায়। (বুখারী, হা: ১৩৪৫)
৪৪১। যিনি কুরআন বেশি জানেন তাকে প্রথমে রাখতে হবে। (বুখারী, হা: ১৩৪৮)
৪৪২। মুশরিক বা মুনাফিকের জানাযা পড়া যাবে না। (বুখারী, হা: ১২৬৯, ১৩৬৬)
৪৪৩। মুশরিকদের সন্তানদের ব্যাপারে আল্লাহই ফায়সালা করবেন।
(বুখারী, হা: ১৩৮৩, ১৩৮৫)
৪৪৪। আত্মহত্যাকারী জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে। (বুখারী, হা: ১৩৬৩, ১৩৬৪, ১৩৬৫)
৪৪৫। মৃতদেরকে মন্দ বলা বা গালি দেয়া নিষেধ। (বুখারী, হা: ১৩৯৩)
৪৪৬। মৃতের ব্যাপারে জীবিতদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য। (বুখারী, হা: ১৩৬৭, ১৩৬৮)
৪৪৭। মুমিনদেরকে কবরে সত্য বলার তাওফিক দেয়া হয়। (বুখারী, হা: ১৩৬৯)
৪৪৮। কবরের আযাব চিরন্তন সত্য। (বুখারী, হা: ১৩৭২, ১৩৭৩)
৪৪৯। গীবত ও অপবিত্রতার কারণে কবরের আযাব হয়। (বুখারী, হা: ১৩৭৮)
৪৫০। কবরেই সকলকে তার আবাসস্থল দেখানো হয়। (বুখারী, হা: ১৩৭৯)
৪৫১। নবী ﷺ কবরের আযাব থেকে পানাহ চাইতেন। (বুখারী, হা: ১৩৭৬)
৪৫২। কবরকে কেন্দ্র করে মাজার বানানো নিষেধ। (বুখারী, হা: ১৩৩০)
৪২১। মৃত্যুর সংবাদ প্রচার করা যায়। (বুখারী, হা: ১২৪৫)
৪২২। শব্দ না করে ক্রন্দন করা দোষণীয় নয়। (বুখারী, হা: ১২৪৪, ১২৪৬, ১৩০৩)
৪২৩। মৃতের জন্য বিলাপ করা তাকে কষ্ট দেয়ার শামিল। (বুখারী, হা: ১২৯১, ১২৯০)
৪২৪। মৃতের স্বজনদেরকে শান্তনা দেয়া উচিৎ। (বুখারী, হা: ১২৫২, ১২৮৪)
৪২৫। সন্তান মারা গেলে ধৈর্যধারণ করার সওয়াব অনেক। (বুখারী, হা: ১২৪৮, ১২৪৯)
৪২৬। বিপদের শুরু থেকেই ধৈর্য ধরতে হয়। (বুখারী, হা: ১২৮৩)
৪২৭। স্বামী ছাড়া অন্যের মৃত্যুতে তিন দিনের বেশি শোক পালন করা নিষেধ। (বুখারী, হা: ১২৮১)
৪২৮। জীবিত থাকতেই কাফন তৈরি করে রাখা যায়। বুখারী হাঃ নং ১২৭৭)
৪২৯। জানাযায় শরীক হওয়ার ফযীলত অনেক। (বুখারী, হা: ১৩২৩, ১৩২৪)
৪৩০। দাফন পর্যন্ত অপেক্ষা করলে দ্বিগুণ সওয়াব হয়। (বুখারী, হা: ১৩২৫)
৪৩১। জানাযার পিছনে চলা এবং তা কাঁধ থেকে নামানোর আগে না বসা সুন্নাত। (বুখারী, হা: ১৩১০)
৪৩২। জানাযা দেখলে দাঁড়ানো উচিৎ। (বুখারী, হা: ১৩০৮)
৪৩৩। দাফন করার মূহুর্তে উপস্থিত লোকদেরকে উপদেশ দান করা যায়।
(বুখারী, হা: ১৩৬২)
৪৩৪। কাতারবদ্ধ হয়ে ৪ তাকবীরে জানাযা পড়বে। (বুখারী, হা: ১৩১৮)
৪৩৫। জানাযা মহিলার হলে ইমাম লাশের মাঝ বরাবর দাঁড়াবেন। (বুখারী, হা: ১৩৩১)
৪৩৬। জানাযা নামাযে সূরা ফাতিহা পাঠ করা সুন্নাত। (বুখারী, হা: ১৩৩৫)
৪৩৭। দাফনের পরেও জানাযা পড়া যায়। (বুখারী, হা: ১৩৩৭)
৪৩৮। ছোট বাচ্চাদেরও জানাযা পড়তে হয়। (বুখারী, হা: ১৩৫৮)
৪৩৯। শহীদদেরকে গোসল ছাড়াই দাফন করতে হয়। (বুখারী, হা: ১৩৪৬)
৪৪০। প্রয়োজনে একই কবরে একাধিক লাশ রাখা যায়। (বুখারী, হা: ১৩৪৫)
৪৪১। যিনি কুরআন বেশি জানেন তাকে প্রথমে রাখতে হবে। (বুখারী, হা: ১৩৪৮)
৪৪২। মুশরিক বা মুনাফিকের জানাযা পড়া যাবে না। (বুখারী, হা: ১২৬৯, ১৩৬৬)
৪৪৩। মুশরিকদের সন্তানদের ব্যাপারে আল্লাহই ফায়সালা করবেন।
(বুখারী, হা: ১৩৮৩, ১৩৮৫)
৪৪৪। আত্মহত্যাকারী জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে। (বুখারী, হা: ১৩৬৩, ১৩৬৪, ১৩৬৫)
৪৪৫। মৃতদেরকে মন্দ বলা বা গালি দেয়া নিষেধ। (বুখারী, হা: ১৩৯৩)
৪৪৬। মৃতের ব্যাপারে জীবিতদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য। (বুখারী, হা: ১৩৬৭, ১৩৬৮)
৪৪৭। মুমিনদেরকে কবরে সত্য বলার তাওফিক দেয়া হয়। (বুখারী, হা: ১৩৬৯)
৪৪৮। কবরের আযাব চিরন্তন সত্য। (বুখারী, হা: ১৩৭২, ১৩৭৩)
৪৪৯। গীবত ও অপবিত্রতার কারণে কবরের আযাব হয়। (বুখারী, হা: ১৩৭৮)
৪৫০। কবরেই সকলকে তার আবাসস্থল দেখানো হয়। (বুখারী, হা: ১৩৭৯)
৪৫১। নবী ﷺ কবরের আযাব থেকে পানাহ চাইতেন। (বুখারী, হা: ১৩৭৬)
৪৫২। কবরকে কেন্দ্র করে মাজার বানানো নিষেধ। (বুখারী, হা: ১৩৩০)