১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
১- আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস স্থাপন করা:
ক- আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস স্থাপন করা মানুষের স্বভাবজাত বিষয়। অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাসী। সামান্য সংখ্যক নাস্তিক ব্যতীত কেউ এ ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করেনি। প্রত্যেক সৃষ্টি জীবই পূর্ব তা'লীম ছাড়াই তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে ঈমানের উপর সৃষ্ট। যেমন আমরা আহ্বানকারীদের আহ্বানে সাড়া দেওয়া এবং প্রার্থনাকারীদের প্রার্থীত বস্তু প্রাপ্তির কথা শুনি ও দেখে থাকি, যা আল্লাহর অস্তিত্বের উপর স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে। আল্লাহ তা (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿إِذْ تَسْتَغِيثُونَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ﴾
অর্থ: তোমরা যখন ফরিয়াদ করতে আরম্ভ করেছিলে স্বীয় পালনকর্তার নিকট। তখন তিনি তোমাদের ফরিয়াদের মঞ্জুরী দান করলেন। সূরাহ্ আল আন্ফাল আয়াত ৯।
খ- প্রত্যেকেই জানে কোন কিছু সংঘটিত হলে তার সম্পাদনকারী বা সংঘটক থাকা আবশ্যক। অসংখ্য সৃষ্টিজীব এবং প্রতিনিয়ত আমরা দুনিয়াতে যা দেখছি তারও একজন স্রষ্টা দরকার যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন। তিনিই হলেন আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম)। কেননা স্রষ্টা বিহীন সৃষ্টি আসতে পারেনা। তেমনি এটাও অসম্ভব যে কেউ নিজেই নিজেকে সৃষ্টি করবে, কেননা কোন বস্তু নিজেই নিজেকে সৃষ্টি করতে পারে না। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿أَمْ خُلِقُوا مِنْ غَيْرِ شَيْءٍ أَمْ هُمُ الْخَالِقُونَ﴾ [ الطور : ৩৫[
অর্থ: তারা কি আপনা-আপনিই সৃজিত হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? সূরাহ্ আত্ ত্বুর আয়াত ৩৪।
আয়াতের অর্থ হল: তারা স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্ট হয়নি, আর তারা নিজেরাও নিজেদেরকে সৃষ্টি করেনি, তাহলে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে তাদের স্রষ্টা হলেন মহান আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম)।
গ- আসমান, যমীন,চন্দ্র, সূর্য, তারকা এবং গাছ-পালাসহ সুশৃঙ্খল এ দুনিয়া নিশ্চিতরূপে প্রমাণ করে যে এই পৃথিবীর একজন একক স্রষ্টা রয়েছেন। আর তিনিই হলেন মহান রব্বুল আ'লামীন। তিনি বলেন:
[ النمل -৮৮] ﴿ صُنْعَ اللَّهِ الَّذِي أَتْقَنَ كُلَّ شَيْءٍ ﴾
অর্থ: এটা আল্লাহর কারিগরী, যিনি সবকিছুকে করেছেন সুসংহত। সূরাহ্ আন্ নামল আয়াত ৮৮।
তারকা ও নক্ষত্র সমূহ নির্দিষ্ট নিয়মে চলা-ফেরা করছে, নিজ কক্ষ পথ থেকে বিচ্যুত হয় না। প্রত্যেকটি নক্ষত্র নির্দিষ্ট কক্ষপথে চলে এবং তা কখনও অতিক্রম করে না। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿لاَا لشَّمْسُ يَنْبَغِي لَهَا أَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ﴾ [ يس : ৪০[
অর্থ: সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের, প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে। সূরাহ্ ইয়াসীন আয়াত ৪০।
﴿إِذْ تَسْتَغِيثُونَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ﴾
অর্থ: তোমরা যখন ফরিয়াদ করতে আরম্ভ করেছিলে স্বীয় পালনকর্তার নিকট। তখন তিনি তোমাদের ফরিয়াদের মঞ্জুরী দান করলেন। সূরাহ্ আল আন্ফাল আয়াত ৯।
খ- প্রত্যেকেই জানে কোন কিছু সংঘটিত হলে তার সম্পাদনকারী বা সংঘটক থাকা আবশ্যক। অসংখ্য সৃষ্টিজীব এবং প্রতিনিয়ত আমরা দুনিয়াতে যা দেখছি তারও একজন স্রষ্টা দরকার যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন। তিনিই হলেন আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম)। কেননা স্রষ্টা বিহীন সৃষ্টি আসতে পারেনা। তেমনি এটাও অসম্ভব যে কেউ নিজেই নিজেকে সৃষ্টি করবে, কেননা কোন বস্তু নিজেই নিজেকে সৃষ্টি করতে পারে না। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿أَمْ خُلِقُوا مِنْ غَيْرِ شَيْءٍ أَمْ هُمُ الْخَالِقُونَ﴾ [ الطور : ৩৫[
অর্থ: তারা কি আপনা-আপনিই সৃজিত হয়ে গেছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? সূরাহ্ আত্ ত্বুর আয়াত ৩৪।
আয়াতের অর্থ হল: তারা স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্ট হয়নি, আর তারা নিজেরাও নিজেদেরকে সৃষ্টি করেনি, তাহলে এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে তাদের স্রষ্টা হলেন মহান আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম)।
গ- আসমান, যমীন,চন্দ্র, সূর্য, তারকা এবং গাছ-পালাসহ সুশৃঙ্খল এ দুনিয়া নিশ্চিতরূপে প্রমাণ করে যে এই পৃথিবীর একজন একক স্রষ্টা রয়েছেন। আর তিনিই হলেন মহান রব্বুল আ'লামীন। তিনি বলেন:
[ النمل -৮৮] ﴿ صُنْعَ اللَّهِ الَّذِي أَتْقَنَ كُلَّ شَيْءٍ ﴾
অর্থ: এটা আল্লাহর কারিগরী, যিনি সবকিছুকে করেছেন সুসংহত। সূরাহ্ আন্ নামল আয়াত ৮৮।
তারকা ও নক্ষত্র সমূহ নির্দিষ্ট নিয়মে চলা-ফেরা করছে, নিজ কক্ষ পথ থেকে বিচ্যুত হয় না। প্রত্যেকটি নক্ষত্র নির্দিষ্ট কক্ষপথে চলে এবং তা কখনও অতিক্রম করে না। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿لاَا لشَّمْسُ يَنْبَغِي لَهَا أَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ وَلَا اللَّيْلُ سَابِقُ النَّهَارِ وَكُلٌّ فِي فَلَكٍ يَسْبَحُونَ﴾ [ يس : ৪০[
অর্থ: সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের, প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে। সূরাহ্ ইয়াসীন আয়াত ৪০।