১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
খ- ফেরেশ্তাগণের গুণাবলী:
- সৃষ্টিগত গুণের মধ্যে রয়েছে যা আল্লাহর রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উল্লেখ করেছেন: তাঁরা নূর তথা আলোর তৈরী, রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
﴿خُلِقَتْ الْمَلَائِكَةُ مِنْ نُورٍ﴾
অর্থ: ফেরেশ্তাগণকে নূর বা আলো থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। সহীহ্ মুসলিম, ১৪/২৭৩।
- আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ফেরেশ্তাগণকে বিভিন্ন সংখ্যক পাখা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿الْحَمْدُ لِلَّهِ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَاعِلِ الْمَلَائِكَةِ رُسُلًا أُولِي أَجْنِحَةٍ مَثْنَى وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ يَزِيدُ فِي الْخَلْقِ مَا يَشَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ﴾ ( فاطر : ১)
অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা এবং ফেরেশতাগণকে করেছেন বার্তাবাহক-তারা দুই দুই, তিন তিন ও চার চার পাখাবিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টি মধ্যে যা ইচছা যোগ করেন। নিশ্চয় আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে সক্ষম। সূরাহ্ আল ফাত্বির আয়াত ১।
- রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল কে ছয়শত পাখাসহ দেখেছেন। বুখারী ও মুসলিম।
- আল্লাহর শক্তিতে ফেরেশ্তাগণ কখনো মানুষের রুপে পরিবর্তিত হয়ে থাকেন। যেমন, মারইয়াম (আলাইহাস্ সালাম) এর নিকটে আল্লাহ্ তায়ালা জিবরীল কে মানুষের আকৃতিতে প্রেরণ করেছিলেন। এমনিভাবে আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) ইবরাহীম ও লুত্ব আলাইহিমাস্ সালামের নিকটে ফেরেশ্তাগণকে মানুষের আকৃতিতে প্রেরণ করেছিলেন।
- ফেরেশ্তাগণ অদৃশ্য জগত (তাঁদেরকে দেখা যায় না)। তাঁরাও আল্লাহর সৃষ্টি এবং তাঁর ইবাদাত করেন। পালনকর্তা বা মা'বূদ হওয়ার কোন যোগ্যতা তাঁদের মাঝে নেই। বরং তাঁরাই আল্লাহর বান্দা এবং সর্বদা আল্লাহর পূর্ণ আনুগত্য করছেন। যেমন আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿لَا يَعْصُونَ اللَّهَ مَا أَمَرَهُمْ وَيَفْعَلُونَ مَا يُؤْمَرُونَ﴾ [ التحريم : ৬ [
অর্থ: তারা (ফেরেশ্তাগণ) আল্লাহ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) যা আদেশ করেন, তা অমান্য করেন না এবং যা করতে আদেশ করা হয়, তাই করেন। সূরাহ্ আত তাহরীম আয়াত ৬।
﴿خُلِقَتْ الْمَلَائِكَةُ مِنْ نُورٍ﴾
অর্থ: ফেরেশ্তাগণকে নূর বা আলো থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। সহীহ্ মুসলিম, ১৪/২৭৩।
- আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ফেরেশ্তাগণকে বিভিন্ন সংখ্যক পাখা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿الْحَمْدُ لِلَّهِ فَاطِرِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَاعِلِ الْمَلَائِكَةِ رُسُلًا أُولِي أَجْنِحَةٍ مَثْنَى وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ يَزِيدُ فِي الْخَلْقِ مَا يَشَاءُ إِنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ﴾ ( فاطر : ১)
অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা এবং ফেরেশতাগণকে করেছেন বার্তাবাহক-তারা দুই দুই, তিন তিন ও চার চার পাখাবিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টি মধ্যে যা ইচছা যোগ করেন। নিশ্চয় আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে সক্ষম। সূরাহ্ আল ফাত্বির আয়াত ১।
- রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিবরীল কে ছয়শত পাখাসহ দেখেছেন। বুখারী ও মুসলিম।
- আল্লাহর শক্তিতে ফেরেশ্তাগণ কখনো মানুষের রুপে পরিবর্তিত হয়ে থাকেন। যেমন, মারইয়াম (আলাইহাস্ সালাম) এর নিকটে আল্লাহ্ তায়ালা জিবরীল কে মানুষের আকৃতিতে প্রেরণ করেছিলেন। এমনিভাবে আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) ইবরাহীম ও লুত্ব আলাইহিমাস্ সালামের নিকটে ফেরেশ্তাগণকে মানুষের আকৃতিতে প্রেরণ করেছিলেন।
- ফেরেশ্তাগণ অদৃশ্য জগত (তাঁদেরকে দেখা যায় না)। তাঁরাও আল্লাহর সৃষ্টি এবং তাঁর ইবাদাত করেন। পালনকর্তা বা মা'বূদ হওয়ার কোন যোগ্যতা তাঁদের মাঝে নেই। বরং তাঁরাই আল্লাহর বান্দা এবং সর্বদা আল্লাহর পূর্ণ আনুগত্য করছেন। যেমন আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿لَا يَعْصُونَ اللَّهَ مَا أَمَرَهُمْ وَيَفْعَلُونَ مَا يُؤْمَرُونَ﴾ [ التحريم : ৬ [
অর্থ: তারা (ফেরেশ্তাগণ) আল্লাহ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) যা আদেশ করেন, তা অমান্য করেন না এবং যা করতে আদেশ করা হয়, তাই করেন। সূরাহ্ আত তাহরীম আয়াত ৬।