১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭
খ- রাসূলগণের প্রতি ঈমান আনার অর্থ:
এ দৃঢ় বিশ্বাস রাখা যে আল্লাহ্ তা'য়ালা প্রত্যেক উম্মতে তাদের মধ্য থেকেই একজন করে রাসূল প্রেরণ করেছেন। যিনি তাদেরকে এক-অদ্বিতীয় লাশারীক আল্লাহর ইবাদাতের প্রতি আহ্বান করেন। রাসূলগণ (আলাইহিমুস্ সালাতু ওয়াস্ সালাম) সকলেই সত্যবাদী ও সত্যায়ীত। আল্লাহ্ভীরু, বিশ্বস্ত, সঠিক পথ প্রদর্শণকারী এবং হেদায়াত প্রাপ্ত। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) যে দায়িত্ব দিয়ে তাঁদেরকে প্রেরণ করেছিলেন তা তাঁরা পৌঁছিয়ে দিয়েছেন। কোন কিছু গোপন, পরিবর্তন এবং নিজেদের পক্ষ থেকে তাতে কম-বেশী করেননি। যেমন আল্লাহ্ বলেন:
﴿فَهَلْ عَلَى الرُّسُلِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ﴾
অর্থ: রাসূলের দায়িত্ব তো শুধুমাত্র সুসপষ্ট বাণী পৌঁছিয়ে দেয়া। সূরাহ্ আন্ নাহল আয়াত ৩৫।
সকল নবীগণ স্পষ্ট সত্যের উপর ছিলেন এবং সকলের দাওয়াত ছিল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসের প্রতি। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ﴾ [ النحل : ৩৬[
অর্থ: আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা এক আল্লাহর ইবাদাত কর এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। সূরাহ্ আন্ নাহ্ল আয়াত ৩৬।
তবে হালাল-হারামের শাখা প্রশাখায় নবীগণের (আলাইহিমুস্ সলাতু ওয়াস্ সালাম) শরীয়তে কিছুটা ভিন্নতা ছিল। যেমন আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنْكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا﴾ ( المائدة -৪৮)
অর্থ: আমি তোমাদের প্রত্যেককে একটি আইন ও পথ দিয়েছি। সূরাহ্ আল্ মায়িদাহ্ আয়াত ৪৮।
রাসূলগণের প্রতি ঈমান চারটি বিষয়কে শামিল করে:
প্রথম: এ বিশ্বাস রাখা যে তাঁদের সকলের রিসালাত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত এবং সত্য। অতএব, কেউ কোন একজন রাসূলের (আলাইহিমুস্ সালাম) রিসালাতকে অস্বীকার করলে সে যেন সকল নবীর রিসালাতকে অস্বীকার করলো।
দ্বিতীয়: আল্লাহ্ যে সকল নবীর নাম উল্লেখ করেছেন তাঁদের প্রতি ঈমান আনা। যেমন: মুহাম্মাদ, ইব্রাহীম, মূসা, ঈসা এবং নূহ্ আলাইহিমুস্ সালাম। আর যে সকল নাবীর নাম আমরা জানিনা তাদের প্রতি সংক্ষিপ্ত বা মৌলিক ভাবে ঈমান আনতে হবে।
তৃতীয়: রাসূলগণের বিশুদ্ধ সংবাদগুলোকে সত্যায়ণ করা।
চতুর্থ: আমাদের নিকটে যে রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রেরণ করা হয়েছে তাঁর শরীয়ত মোতাবেক আমল করা। তিনি হলেন, সর্বোত্তম এবং শেষ নবী ও রাসুল মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
﴿فَهَلْ عَلَى الرُّسُلِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ﴾
অর্থ: রাসূলের দায়িত্ব তো শুধুমাত্র সুসপষ্ট বাণী পৌঁছিয়ে দেয়া। সূরাহ্ আন্ নাহল আয়াত ৩৫।
সকল নবীগণ স্পষ্ট সত্যের উপর ছিলেন এবং সকলের দাওয়াত ছিল আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসের প্রতি। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ﴾ [ النحل : ৩৬[
অর্থ: আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা এক আল্লাহর ইবাদাত কর এবং তাগুত থেকে নিরাপদ থাক। সূরাহ্ আন্ নাহ্ল আয়াত ৩৬।
তবে হালাল-হারামের শাখা প্রশাখায় নবীগণের (আলাইহিমুস্ সলাতু ওয়াস্ সালাম) শরীয়তে কিছুটা ভিন্নতা ছিল। যেমন আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿لِكُلٍّ جَعَلْنَا مِنْكُمْ شِرْعَةً وَمِنْهَاجًا﴾ ( المائدة -৪৮)
অর্থ: আমি তোমাদের প্রত্যেককে একটি আইন ও পথ দিয়েছি। সূরাহ্ আল্ মায়িদাহ্ আয়াত ৪৮।
রাসূলগণের প্রতি ঈমান চারটি বিষয়কে শামিল করে:
প্রথম: এ বিশ্বাস রাখা যে তাঁদের সকলের রিসালাত মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত এবং সত্য। অতএব, কেউ কোন একজন রাসূলের (আলাইহিমুস্ সালাম) রিসালাতকে অস্বীকার করলে সে যেন সকল নবীর রিসালাতকে অস্বীকার করলো।
দ্বিতীয়: আল্লাহ্ যে সকল নবীর নাম উল্লেখ করেছেন তাঁদের প্রতি ঈমান আনা। যেমন: মুহাম্মাদ, ইব্রাহীম, মূসা, ঈসা এবং নূহ্ আলাইহিমুস্ সালাম। আর যে সকল নাবীর নাম আমরা জানিনা তাদের প্রতি সংক্ষিপ্ত বা মৌলিক ভাবে ঈমান আনতে হবে।
তৃতীয়: রাসূলগণের বিশুদ্ধ সংবাদগুলোকে সত্যায়ণ করা।
চতুর্থ: আমাদের নিকটে যে রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রেরণ করা হয়েছে তাঁর শরীয়ত মোতাবেক আমল করা। তিনি হলেন, সর্বোত্তম এবং শেষ নবী ও রাসুল মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।