১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
ঘ- পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহের বিকৃতি হওয়া:
আল্লাহ্ তায়ালা আমাদেরকে ক্বুরআনে সংবাদ দিয়েছেন যে আসমানী কিতাব প্রাপ্ত ইয়াহুদ-নাসারারা তাদের কিতাবগুলোকে পরিবর্তন করেছে। ফলে পরবর্তীতে আল্লাহর নাযিলকৃত আকৃতিতে আর ফিরে আসেনি। ইয়াহুদীরা তাওরাতকে পরিবর্তন-পরিবর্ধন করতঃ তার বিধিবিধান নিয়ে খেল-তামাশায় লিপ্ত হয়েছে। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿مِنَ الَّذِينَ هَادُوا يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ عَنْ مَوَاضِعِهِ﴾ [ النساء : ৪৬[
অর্থ: কোন কোন ইয়াহুদী তাওরাতের শব্দাবলীকে তার লক্ষ্য থেকে মোড় ঘুড়িয়ে নেয় (এবং মনগড়া অর্থ করে)। সূরাহ্ আন নিসা আয়াত ৪৬।
এমনিভাবে নাসারা বা খৃষ্টানেরা তাদের প্রতি অবতীর্ণ আসমানী কিতাব ইন্জীলের বিকৃতি করতঃ তার বিধিবিধানকে পরিবর্তন করেছে। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) নাসারাদের সম্পর্কে বলেছেন:
﴿وَإِنَّ مِنْهُمْ لَفَرِيقًا يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُمْ بِالْكِتَابِ لِتَحْسَبُوهُ مِنَ الْكِتَابِ وَمَا هُوَ مِنَ الْكِتَابِ وَيَقُولُونَ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَمَا هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَيَقُولُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ﴾ [ آل عمران : ৭৮[
অর্থ: আর তাদের মধ্যে একদল রয়েছে, যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে। যাতে তোমরা মনে কর যে, তারা কিতাব থেকেই পাঠ করছে। অথচ তারা যা আবৃত্তি করছে তা আদৌ কিতাব নয়। এবং তারা বলে যে, এসব কথা আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে যে, এটি আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনে আল্লাহরই প্রতি মিথ্যারোপ করে। সূরাহ্ আলি ইমরান আয়াত ৭৮।
অতএব, বর্তমান বাজারে ইয়াহুদ-নাসারাদের নিকটে যে তাওরাত ও ইন্জীল পাওয়া যায় তা মূসা এবং ঈসা আলাইহিমাস্ সালামের উপর নাযিলকৃত তাওরাত ও ইন্জীল নয়।
বর্তমানে আহলে কিতাবদের (ইয়াহুদ-নাসারা) নিকটে বিদ্যমান তাওরাত ও ইন্জীল বিকৃত আক্বীদাহ্ (বিশ্বাস), বাতিল সংবাদাদি এবং মিথ্যা ঘটনাবলীতে পরিপূর্ণ। তাই ক্বুরআন ও সহীহ্ হাদীস এ কিতাবদ্বয়ের যা কিছু সত্যায়ন করেছে আমরা তা সত্যায়ন করি। আর ক্বুরআন ও সুন্নাহ্ যা মিথ্যা বলে প্রমাণ করেছে তাকে মিথ্যা হিসেবে জানি।
﴿مِنَ الَّذِينَ هَادُوا يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ عَنْ مَوَاضِعِهِ﴾ [ النساء : ৪৬[
অর্থ: কোন কোন ইয়াহুদী তাওরাতের শব্দাবলীকে তার লক্ষ্য থেকে মোড় ঘুড়িয়ে নেয় (এবং মনগড়া অর্থ করে)। সূরাহ্ আন নিসা আয়াত ৪৬।
এমনিভাবে নাসারা বা খৃষ্টানেরা তাদের প্রতি অবতীর্ণ আসমানী কিতাব ইন্জীলের বিকৃতি করতঃ তার বিধিবিধানকে পরিবর্তন করেছে। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) নাসারাদের সম্পর্কে বলেছেন:
﴿وَإِنَّ مِنْهُمْ لَفَرِيقًا يَلْوُونَ أَلْسِنَتَهُمْ بِالْكِتَابِ لِتَحْسَبُوهُ مِنَ الْكِتَابِ وَمَا هُوَ مِنَ الْكِتَابِ وَيَقُولُونَ هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَمَا هُوَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ وَيَقُولُونَ عَلَى اللَّهِ الْكَذِبَ وَهُمْ يَعْلَمُونَ﴾ [ آل عمران : ৭৮[
অর্থ: আর তাদের মধ্যে একদল রয়েছে, যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে। যাতে তোমরা মনে কর যে, তারা কিতাব থেকেই পাঠ করছে। অথচ তারা যা আবৃত্তি করছে তা আদৌ কিতাব নয়। এবং তারা বলে যে, এসব কথা আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে যে, এটি আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনে আল্লাহরই প্রতি মিথ্যারোপ করে। সূরাহ্ আলি ইমরান আয়াত ৭৮।
অতএব, বর্তমান বাজারে ইয়াহুদ-নাসারাদের নিকটে যে তাওরাত ও ইন্জীল পাওয়া যায় তা মূসা এবং ঈসা আলাইহিমাস্ সালামের উপর নাযিলকৃত তাওরাত ও ইন্জীল নয়।
বর্তমানে আহলে কিতাবদের (ইয়াহুদ-নাসারা) নিকটে বিদ্যমান তাওরাত ও ইন্জীল বিকৃত আক্বীদাহ্ (বিশ্বাস), বাতিল সংবাদাদি এবং মিথ্যা ঘটনাবলীতে পরিপূর্ণ। তাই ক্বুরআন ও সহীহ্ হাদীস এ কিতাবদ্বয়ের যা কিছু সত্যায়ন করেছে আমরা তা সত্যায়ন করি। আর ক্বুরআন ও সুন্নাহ্ যা মিথ্যা বলে প্রমাণ করেছে তাকে মিথ্যা হিসেবে জানি।