১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৫
৪- আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর প্রতি বিশ্বাস:
ক- এ প্রকার তাওহীদ হলো, আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) স্বীয় কিতাবে অথবা রাসূলের (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীসে যে সকল নাম ও গুণাবলী নিজের জন্য সাব্যস্ত করেছেন তা তাঁর (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) সাথে সামঞ্জস্য ও সঙ্গতি রেখে সত্যায়ন করা। আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর ক্ষেত্রে তাঁর কোন সাদৃশ্য বা দৃষ্টান্ত নেই। যেমন, তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿فَاطِرُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَعَلَ لَكُمْ مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا وَمِنَ الْأَنْعَامِ أَزْوَاجًا يَذْرَؤُكُمْ فِيهِ لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ﴾ [ الشورى : ১১ [
অর্থ: তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং চতুসপদ জন্তুদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এভাবে তিনি তোমাদের বংশ বিস্তার করেন। কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন, সব দেখেন। সূরাহ্ আশ শুরা আয়াত ১১।
অতএব, আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) তাঁর সকল নাম ও গুণাবলীর ক্ষেত্রে স্বীয় কোন সৃষ্টিজীবের সাদৃশ্য হওয়া থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র। আল্লাহ্ তায়ালার নাম অনেক, তার মধ্যে রয়েছে: আর্ রহ্মান (পরম দয়ালু), আল বাসীর (সর্বদ্রষ্টা), আল আযীয (মহা পরাক্রমশালী) ইত্যাদী। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন: [ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴾ [ الفاتحة : ৩ ﴿ অর্থ: তিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। সূরাহ্ আল্ ফাতিহা আয়াত ৩।
অন্য আয়াতে এসেছে:
[[ الشورى : ১১ ﴾ ﴿ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ অর্থ: তিনি সব শুনেন, সব দেখেন। সূরাহ্ আশ-শুরা আয়াত ১১। তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন: ﴿وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ﴾ অর্থ: তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। সূরাহ্ লুক্বমান আয়াত ৯।
খ- আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর প্রতি ঈমান আনার উপকারীতা:
আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর প্রতি ঈমান আনার কিছু উপকারীতা নিচে উল্লেখ করা হল:
১- আল্লাহর পরিচয় জানা। যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর প্রতি ঈমান আনবে, আল্লাহ্ সম্পর্কে তার জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে। ফলে তাঁর (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) সম্পর্কে ঐ ব্যক্তির ঈমানের দৃঢ়তা ও স্রষ্টার ক্ষেত্রে তার তাওহীদ (একত্ববাদ) বৃদ্ধি পাবে।
২- আল্লাহর সুন্দর নাম সমূহ দ্বারা তাঁর প্রশংসা করা, আর ইহা উত্তম যিকিরের অন্যতম প্রকার। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا اللَّهَ ذِكْرًا كَثِيرًا﴾ [ الأحزاب : ৪১[
অর্থ: হে মু'মিনগণ, তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর। সূরাহ্ আল্ আহ্যাব আয়াত ৪১।
৩- আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর মাধ্যমে তাঁকে ডাকা ও প্রার্থনা করা। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেছেন:
﴿وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى فَادْعُوهُ بِهَا﴾ [ الأعراف : ১৮০[
অর্থ: আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরেই তাঁকে ডাক। সূরাহ্ আল আ'রাফ আয়াত ১৮০।
যেমন এমন বলা: হে, আল্লাহ্ নিশ্চয় আমি তোমার নিকটে প্রার্থনা করছি, তুমি রায্যাক্ব (রিযিক্বদাতা) সেহেতু তুমি আমাকে রিযিক্ব দাও ইত্যাদী।
৪- দুনিয়াতে সৌভাগ্য ও সুন্দর জীবন এবং পরকালে জান্নাতের নিয়ামত অর্জন করা।
﴿فَاطِرُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ جَعَلَ لَكُمْ مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا وَمِنَ الْأَنْعَامِ أَزْوَاجًا يَذْرَؤُكُمْ فِيهِ لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ﴾ [ الشورى : ১১ [
অর্থ: তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের স্রষ্টা। তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্যে যুগল সৃষ্টি করেছেন এবং চতুসপদ জন্তুদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। এভাবে তিনি তোমাদের বংশ বিস্তার করেন। কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব শুনেন, সব দেখেন। সূরাহ্ আশ শুরা আয়াত ১১।
অতএব, আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) তাঁর সকল নাম ও গুণাবলীর ক্ষেত্রে স্বীয় কোন সৃষ্টিজীবের সাদৃশ্য হওয়া থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র। আল্লাহ্ তায়ালার নাম অনেক, তার মধ্যে রয়েছে: আর্ রহ্মান (পরম দয়ালু), আল বাসীর (সর্বদ্রষ্টা), আল আযীয (মহা পরাক্রমশালী) ইত্যাদী। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন: [ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ﴾ [ الفاتحة : ৩ ﴿ অর্থ: তিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু। সূরাহ্ আল্ ফাতিহা আয়াত ৩।
অন্য আয়াতে এসেছে:
[[ الشورى : ১১ ﴾ ﴿ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ অর্থ: তিনি সব শুনেন, সব দেখেন। সূরাহ্ আশ-শুরা আয়াত ১১। তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন: ﴿وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ﴾ অর্থ: তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। সূরাহ্ লুক্বমান আয়াত ৯।
খ- আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর প্রতি ঈমান আনার উপকারীতা:
আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর প্রতি ঈমান আনার কিছু উপকারীতা নিচে উল্লেখ করা হল:
১- আল্লাহর পরিচয় জানা। যে ব্যক্তি আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর প্রতি ঈমান আনবে, আল্লাহ্ সম্পর্কে তার জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে। ফলে তাঁর (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) সম্পর্কে ঐ ব্যক্তির ঈমানের দৃঢ়তা ও স্রষ্টার ক্ষেত্রে তার তাওহীদ (একত্ববাদ) বৃদ্ধি পাবে।
২- আল্লাহর সুন্দর নাম সমূহ দ্বারা তাঁর প্রশংসা করা, আর ইহা উত্তম যিকিরের অন্যতম প্রকার। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اذْكُرُوا اللَّهَ ذِكْرًا كَثِيرًا﴾ [ الأحزاب : ৪১[
অর্থ: হে মু'মিনগণ, তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ কর। সূরাহ্ আল্ আহ্যাব আয়াত ৪১।
৩- আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর মাধ্যমে তাঁকে ডাকা ও প্রার্থনা করা। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেছেন:
﴿وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى فَادْعُوهُ بِهَا﴾ [ الأعراف : ১৮০[
অর্থ: আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরেই তাঁকে ডাক। সূরাহ্ আল আ'রাফ আয়াত ১৮০।
যেমন এমন বলা: হে, আল্লাহ্ নিশ্চয় আমি তোমার নিকটে প্রার্থনা করছি, তুমি রায্যাক্ব (রিযিক্বদাতা) সেহেতু তুমি আমাকে রিযিক্ব দাও ইত্যাদী।
৪- দুনিয়াতে সৌভাগ্য ও সুন্দর জীবন এবং পরকালে জান্নাতের নিয়ামত অর্জন করা।