১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩২
খ- ক্বুরআনুল কারীমের বিশেষত্ব:
নিশ্চয় আল ক্বুরআনুল কারীম আল্লাহর বাণী যা আমাদের প্রিয় নাবী ও আদর্শ মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উপর নাযিল করা হয়েছে। সঙ্গত কারণেই মু'মিনগণ এ কিতাবকে সম্মান করতঃ তার বিধানাবলী গ্রহণ, তা তেলাওয়াত এবং ক্বুরআন নিয়ে চিন্তা গবেষণার সর্বাত্বক চেষ্টা করে। ক্বুরআনের মহত্ব বর্ণনার জন্য এটাই যথেষ্ট যে তা দুনিয়াতে আমাদের পথ নির্দেশক এবং পরকালে আমাদের নাজাতের কারণ। ক্বুরআনুল কারীমের অনেক বিশেষত্ব রয়েছে যা ক্বুরআনকে অন্যান্য আসমানী কিতাব থেকে মর্যাদাবান করে তোলে।
কুরআরেন কিছু বিশেষত্ব নিম্নে তুলে ধরা হল:
১- ক্বুরআনুল কারীম স্রষ্টার সকল বিধানের সারসংক্ষেপকে শামিল করে এবং পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহে এক আল্লাহর ইবাদাতের যে আদেশ দেওয়া হয়েছে তাকে সত্যায়ণ ও দৃঢ় করে। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ﴾ [ المائدة : ৪৮[
অর্থ: আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি সত্যগ্রন্থ, যা পূর্ববতী গ্রন্থ সমূহের সত্যায়নকারী এবং সেগুলোর বিষয় বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ আয়াত ৪৮।
مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ এর অর্থ: ক্বুরআনুল কারীম পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহে বিশুদ্ধ যা রয়েছে তা সত্যায়ন করে।
وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ এর অর্থ: ক্বুরআন পূর্ববর্তী আসমানী কিতাব সমূহের রক্ষণাবেক্ষণকারী এবং সাক্ষ্যদাতা।
সকল মানুষের জন্য ক্বুরআনকে মজবুতভাবে ধারণ করা ওয়াজিব। সকল সৃষ্টিজীবের উপর ক্বুরআনের আনুগত্য এবং তদানুযায়ী আমল করা আবশ্যক। কিন্তু পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবগুলো নির্দিষ্ট ক্বওম বা জাতির জন্য ছিল। আল্লাহ্ তায়ালা রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উদ্দেশ্য করে বলেন:
﴿وَأُوحِيَ إِلَيَّ هَذَا الْقُرْآنُ لِأُنْذِرَكُمْ بِهِ وَمَنْ بَلَغَ﴾ [ الأنعام : ১৯[
অর্থ: (আপনি বলুন:) আমার প্রতি এ কুরআন অবর্তীর্ণ হয়েছে, যাতে আমি তোমাদেরকে এবং যাদের কাছে এ কুরআন পৌঁছে সবাইকে ভীতি প্রদর্শন করি। সূরাহ্ আল আন্আম আয়াত ১৯।
২- পবিত্র ক্বুরআনের হেফাযতের দায়িত্ব আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) নিজেই নিয়েছেন। তাই পরিবর্তনকারীর (কালো) হাত এর প্রতি প্রসারিত হয়নি এবং হবে না। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ﴾
অর্থ: আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক। সূরাহ্ আল্ হিজর - ৯।
কুরআরেন কিছু বিশেষত্ব নিম্নে তুলে ধরা হল:
১- ক্বুরআনুল কারীম স্রষ্টার সকল বিধানের সারসংক্ষেপকে শামিল করে এবং পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহে এক আল্লাহর ইবাদাতের যে আদেশ দেওয়া হয়েছে তাকে সত্যায়ণ ও দৃঢ় করে। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَأَنْزَلْنَا إِلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ﴾ [ المائدة : ৪৮[
অর্থ: আমি আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি সত্যগ্রন্থ, যা পূর্ববতী গ্রন্থ সমূহের সত্যায়নকারী এবং সেগুলোর বিষয় বস্তুর রক্ষণাবেক্ষণকারী। সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ আয়াত ৪৮।
مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ مِنَ الْكِتَابِ এর অর্থ: ক্বুরআনুল কারীম পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবসমূহে বিশুদ্ধ যা রয়েছে তা সত্যায়ন করে।
وَمُهَيْمِنًا عَلَيْهِ এর অর্থ: ক্বুরআন পূর্ববর্তী আসমানী কিতাব সমূহের রক্ষণাবেক্ষণকারী এবং সাক্ষ্যদাতা।
সকল মানুষের জন্য ক্বুরআনকে মজবুতভাবে ধারণ করা ওয়াজিব। সকল সৃষ্টিজীবের উপর ক্বুরআনের আনুগত্য এবং তদানুযায়ী আমল করা আবশ্যক। কিন্তু পূর্ববর্তী আসমানী কিতাবগুলো নির্দিষ্ট ক্বওম বা জাতির জন্য ছিল। আল্লাহ্ তায়ালা রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উদ্দেশ্য করে বলেন:
﴿وَأُوحِيَ إِلَيَّ هَذَا الْقُرْآنُ لِأُنْذِرَكُمْ بِهِ وَمَنْ بَلَغَ﴾ [ الأنعام : ১৯[
অর্থ: (আপনি বলুন:) আমার প্রতি এ কুরআন অবর্তীর্ণ হয়েছে, যাতে আমি তোমাদেরকে এবং যাদের কাছে এ কুরআন পৌঁছে সবাইকে ভীতি প্রদর্শন করি। সূরাহ্ আল আন্আম আয়াত ১৯।
২- পবিত্র ক্বুরআনের হেফাযতের দায়িত্ব আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) নিজেই নিয়েছেন। তাই পরিবর্তনকারীর (কালো) হাত এর প্রতি প্রসারিত হয়নি এবং হবে না। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ﴾
অর্থ: আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক। সূরাহ্ আল্ হিজর - ৯।