১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৩
ছ- রাসূগণের উপর ঈমান আনার প্রভাব:
রাসূলদের প্রতি ঈমান আনার বড় প্রভাব রয়েছে, তন্মধ্যে কিছু নিচে উল্লেখ করাহল:
১- বান্দার প্রতি আল্লাহর বিশেষ দয়া ও গুরুত্ব সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন। কেননা তিনি মানুষদের প্রতি রাসূল প্রেরণ করেছেন, যাতে তাঁরা তাদেরকে সঠিক পথের দিশা দেন এবং তাদের নিকটে ইবাদাতের পদ্ধতি বর্ণনা করেন।
কারণ মানুষের জ্ঞান এসব জানার জন্য যথেষ্ট নয়। আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ﴾ [ الأنبياء : ১০৭[
অর্থ: আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি। সূরাহ্ আল্ আম্বিয়া আয়াত ১০৭।
২- এই বড় নিয়ামতের দরুন মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।
৩- রাসূলগণকে (আলাইহিমুস্ সলাতু ওয়াস্ সালাম) ভালবাসা, তাঁদেরকে সম্মান করা এবং তাঁদের উপযুক্ত প্রশংসা করা। কেননা, তাঁরা আল্লাহর ইবাদাত করেছেন, রিসালাত পৌঁছানো এবং বান্দাদেরকে নসিহতের খিদমত আঞ্জাম দিয়েছেন।
৪- রাসূলগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে যে রিসালাত নিয়ে এসেছেন তার অনুসরণ করতঃ সে অনুযায়ী আমল করা। এর মাধ্যমে মু'মিনগণ তাঁদের জীবনে কল্যাণ ও হিদায়াত লাভ করবেন এবং উভয় জগতে সৌভাগ্যবান হবেন।
আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿فَمَنِ اتَّبَعَ هُدَايَ فَلَا يَضِلُّ وَلَا يَشْقَى (১২৩) وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى﴾ [ طه : ১২৩ - ১২৪[
অর্থ: (এরপর যদি আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে হেদায়েত আসে), তখন যে আমার বর্ণিত পথ অনুসরণ করবে, সে পথভ্রষ্ট হবে না এবং কষ্টে পতিত হবে না।
যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব। সূরাহ্ ত্বহা আয়াত ১২৩-১২৪।
১- বান্দার প্রতি আল্লাহর বিশেষ দয়া ও গুরুত্ব সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন। কেননা তিনি মানুষদের প্রতি রাসূল প্রেরণ করেছেন, যাতে তাঁরা তাদেরকে সঠিক পথের দিশা দেন এবং তাদের নিকটে ইবাদাতের পদ্ধতি বর্ণনা করেন।
কারণ মানুষের জ্ঞান এসব জানার জন্য যথেষ্ট নয়। আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সম্পর্কে আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا رَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ﴾ [ الأنبياء : ১০৭[
অর্থ: আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি। সূরাহ্ আল্ আম্বিয়া আয়াত ১০৭।
২- এই বড় নিয়ামতের দরুন মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা।
৩- রাসূলগণকে (আলাইহিমুস্ সলাতু ওয়াস্ সালাম) ভালবাসা, তাঁদেরকে সম্মান করা এবং তাঁদের উপযুক্ত প্রশংসা করা। কেননা, তাঁরা আল্লাহর ইবাদাত করেছেন, রিসালাত পৌঁছানো এবং বান্দাদেরকে নসিহতের খিদমত আঞ্জাম দিয়েছেন।
৪- রাসূলগণ আল্লাহর পক্ষ থেকে যে রিসালাত নিয়ে এসেছেন তার অনুসরণ করতঃ সে অনুযায়ী আমল করা। এর মাধ্যমে মু'মিনগণ তাঁদের জীবনে কল্যাণ ও হিদায়াত লাভ করবেন এবং উভয় জগতে সৌভাগ্যবান হবেন।
আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿فَمَنِ اتَّبَعَ هُدَايَ فَلَا يَضِلُّ وَلَا يَشْقَى (১২৩) وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى﴾ [ طه : ১২৩ - ১২৪[
অর্থ: (এরপর যদি আমার পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে হেদায়েত আসে), তখন যে আমার বর্ণিত পথ অনুসরণ করবে, সে পথভ্রষ্ট হবে না এবং কষ্টে পতিত হবে না।
যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব। সূরাহ্ ত্বহা আয়াত ১২৩-১২৪।