১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪২
ছ- রিসালাতে মুহাম্মাদীয়ার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
পূর্বের রিসালাতসমূহের তুলনায় রিসালাতে মুহাম্মাদীয়ার বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। রিসালাতে মুহাম্মাদীয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য আমরা নিচে তুলে ধরছি:
- রিসালাতে মুহাম্মাদীয়া পূর্বের রিসালাতগুলির সমাপ্তি বা ইতি টেনেছে, আল্লাহ্ তায়ালা বলেন:
﴿مَا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِنْ رِجَالِكُمْ وَلَكِنْ رَسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا﴾ [ الأحزاب : ৪০[
অর্থ: মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ্ সব বিষয়ে জ্ঞাত। সূরাহ্ আল্ আহ্যাব আয়াত ৪০।
- রিসালাতে মুহাম্মাদীয়া পূর্বের রিসালাত সমুহের নাসিখ বা রহিতকারী। তাই আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আনুগত্য ব্যতীত কোন দ্বীন বা ধর্ম ক্ববুল করবেন না। তাঁর পথ ব্যতীত কেউ জান্নাতে পৌঁছতে পারবে না। সঙ্গত কারনেই তিনি হলেন সবচেয়ে মর্যাদাবান রাসূল, তাঁর উম্মাত শ্রে উম্মাত এবং তাঁর শরীয়ত হলো পরিপূর্ণ শরীয়ত। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ﴾ [ آل عمران : ৮৫[
অর্থ: যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখিরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। সূরাহ্ আল্ ইমরান আয়াত ৮৫। রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
﴿وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَا يَسْمَعُ بِي أَحَدٌ مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ يَهُودِيٌّ وَلَا نَصْرَانِيٌّ ثُمَّ يَمُوتُ وَلَمْ يُؤْمِنْ بِالَّذِي أُرْسِلْتُ بِهِ إِلَّا كَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّارِ﴾ ( صحيح مسلم - (১ / ৩৬৫(
অর্থ: সেই সত্বার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আত্মা, এ উম্মাতের যে কোন ব্যক্তি চাই সে ইয়াহুদী বা খ্রীস্টান হোক আমার কথা শুনার পর আমি যা সহকারে প্রেরিত হয়েছি তার প্রতি ঈমান না এনে মারাগেলে সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত হবে। সহীহ মুসলিম ১/৩৬৫।
- রিসালাতে মুহাম্মাদীয়াহ্ সাকালাইন বা মানুষ ও জ্বিন উভয় জাতির জন্য। আল্লাহ্ তায়ালা জ্বিনদের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন:
﴿يَا قَوْمَنَا أَجِيبُوا دَاعِيَ اللَّهِ وَآمِنُوا بِهِ يَغْفِرْ لَكُمْ مِنْ ذُنُوبِكُمْ وَيُجِرْكُمْ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ﴾ [ الأحقاف : ৩১[
অর্থ: হে আমাদের সমপ্রদায়, তোমরা আল্লাহর দিকে আহ্বানকারীর কথা মান্য কর এবং তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) তোমাদের গোনাহ মার্জনা করবেন। সূরাহ্ আল্ আহ্ক্বাফ আয়াত ৩১। অপর আয়াতে মহান আল্লাহ্ বলেন:
﴿وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا كَافَّةً لِلنَّاسِ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ﴾ [ سبأ : ২৮ [
অর্থ: আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না। সূরাহ্ সাবা আয়াত ২৮। রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
﴿فُضِّلْتُ عَلَى الْأَنْبِيَاءِ بِسِتٍّ : أُعْطِيتُ جَوَامِعَ الْكَلِمِ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ وَأُحِلَّتْ لِيَ الْغَنَائِمُ وَجُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ طَهُورًا وَمَسْجِدًا وَأُرْسِلْتُ إِلَى الْخَلْقِ كَافَّةً وَخُتِمَ بِيَ النَّبِيُّونَ﴾ ( صحيح مسلم - (৩ / ১০৯(
অর্থ: ছয়টি জিনিসের মাধ্যমে আমাকে অন্যান্য নবীর উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে:
১- আমাকে অল্প কথায় ব্যপক অর্থ প্রকাশের যোগ্যতা দেওয়া হয়েছে।
২- শত্রুর হৃদয়ে ভয়ের মাধ্যমে আমাকে সহযোগীতা করা হয়েছে।
৩- আমার জন্য গণিমতের মাল হালাল করা হয়েছে।
৪- (পবিত্র) যমীনকে আমার জন্য পবিত্রকারী ও মাসজিদ করা হয়েছে।
৫- সকল সৃষ্টজীবের নিকটে আমাকে রাসূল হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে এবং
৬- আমার মাধ্যমে নবূয়ত সমাপ্ত করা হয়েছে। সহীহ্ মুসলিম ৩/১০৯।
- রিসালাতে মুহাম্মাদীয়া পূর্বের রিসালাতগুলির সমাপ্তি বা ইতি টেনেছে, আল্লাহ্ তায়ালা বলেন:
﴿مَا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِنْ رِجَالِكُمْ وَلَكِنْ رَسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا﴾ [ الأحزاب : ৪০[
অর্থ: মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ্ সব বিষয়ে জ্ঞাত। সূরাহ্ আল্ আহ্যাব আয়াত ৪০।
- রিসালাতে মুহাম্মাদীয়া পূর্বের রিসালাত সমুহের নাসিখ বা রহিতকারী। তাই আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আনুগত্য ব্যতীত কোন দ্বীন বা ধর্ম ক্ববুল করবেন না। তাঁর পথ ব্যতীত কেউ জান্নাতে পৌঁছতে পারবে না। সঙ্গত কারনেই তিনি হলেন সবচেয়ে মর্যাদাবান রাসূল, তাঁর উম্মাত শ্রে উম্মাত এবং তাঁর শরীয়ত হলো পরিপূর্ণ শরীয়ত। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ﴾ [ آل عمران : ৮৫[
অর্থ: যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখিরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। সূরাহ্ আল্ ইমরান আয়াত ৮৫। রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
﴿وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَا يَسْمَعُ بِي أَحَدٌ مِنْ هَذِهِ الْأُمَّةِ يَهُودِيٌّ وَلَا نَصْرَانِيٌّ ثُمَّ يَمُوتُ وَلَمْ يُؤْمِنْ بِالَّذِي أُرْسِلْتُ بِهِ إِلَّا كَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّارِ﴾ ( صحيح مسلم - (১ / ৩৬৫(
অর্থ: সেই সত্বার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদ (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আত্মা, এ উম্মাতের যে কোন ব্যক্তি চাই সে ইয়াহুদী বা খ্রীস্টান হোক আমার কথা শুনার পর আমি যা সহকারে প্রেরিত হয়েছি তার প্রতি ঈমান না এনে মারাগেলে সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত হবে। সহীহ মুসলিম ১/৩৬৫।
- রিসালাতে মুহাম্মাদীয়াহ্ সাকালাইন বা মানুষ ও জ্বিন উভয় জাতির জন্য। আল্লাহ্ তায়ালা জ্বিনদের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন:
﴿يَا قَوْمَنَا أَجِيبُوا دَاعِيَ اللَّهِ وَآمِنُوا بِهِ يَغْفِرْ لَكُمْ مِنْ ذُنُوبِكُمْ وَيُجِرْكُمْ مِنْ عَذَابٍ أَلِيمٍ﴾ [ الأحقاف : ৩১[
অর্থ: হে আমাদের সমপ্রদায়, তোমরা আল্লাহর দিকে আহ্বানকারীর কথা মান্য কর এবং তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর। তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) তোমাদের গোনাহ মার্জনা করবেন। সূরাহ্ আল্ আহ্ক্বাফ আয়াত ৩১। অপর আয়াতে মহান আল্লাহ্ বলেন:
﴿وَمَا أَرْسَلْنَاكَ إِلَّا كَافَّةً لِلنَّاسِ بَشِيرًا وَنَذِيرًا وَلَكِنَّ أَكْثَرَ النَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ﴾ [ سبأ : ২৮ [
অর্থ: আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না। সূরাহ্ সাবা আয়াত ২৮। রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
﴿فُضِّلْتُ عَلَى الْأَنْبِيَاءِ بِسِتٍّ : أُعْطِيتُ جَوَامِعَ الْكَلِمِ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ وَأُحِلَّتْ لِيَ الْغَنَائِمُ وَجُعِلَتْ لِيَ الْأَرْضُ طَهُورًا وَمَسْجِدًا وَأُرْسِلْتُ إِلَى الْخَلْقِ كَافَّةً وَخُتِمَ بِيَ النَّبِيُّونَ﴾ ( صحيح مسلم - (৩ / ১০৯(
অর্থ: ছয়টি জিনিসের মাধ্যমে আমাকে অন্যান্য নবীর উপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে:
১- আমাকে অল্প কথায় ব্যপক অর্থ প্রকাশের যোগ্যতা দেওয়া হয়েছে।
২- শত্রুর হৃদয়ে ভয়ের মাধ্যমে আমাকে সহযোগীতা করা হয়েছে।
৩- আমার জন্য গণিমতের মাল হালাল করা হয়েছে।
৪- (পবিত্র) যমীনকে আমার জন্য পবিত্রকারী ও মাসজিদ করা হয়েছে।
৫- সকল সৃষ্টজীবের নিকটে আমাকে রাসূল হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে এবং
৬- আমার মাধ্যমে নবূয়ত সমাপ্ত করা হয়েছে। সহীহ্ মুসলিম ৩/১০৯।