১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
তাক্বদীরের (ভাগ্যের ভালো মন্দের) প্রতি বিশ্বাস: ক- তাক্বদীরের প্রতি বিশ্বাসের অর্থ:
এ দৃঢ় বিশ্বাস রাখা যে সকল ভালো-মন্দ আল্লাহর ফয়সালা ও পরিমাপ অনুযায়ী হয়। আল্লাহ্ যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। তাঁর ইচ্ছা ছাড়া কোন কিছুই হয় না। তাঁর ইচ্ছা হতে কোন কিছু বেরিয়ে যেতে পারে না। আল্লাহর নির্ধারিত তাক্বদীর বা ফয়সালা হতে বেরিয়ে যেতে পারবে না। তাঁর (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) ব্যবস্থাপনাতেই দুনিয়ার সব কিছু হয়। নির্ধারিত তাক্বদীর ও লওহে মাহ্ফুযে লিপিবদ্ধ ফয়সালা ও ভাগ্য কেউ অতিক্রম করতে পারবে না।
তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বান্দার কর্ম, বাধ্যতা ও অবাধ্যতার সৃষ্টি কারী। এতদসত্বেও আল্লাহ্ বান্দাদেরকে আদেশ ও নিষেধ করেছেন, নিজেদের কাজের স্বাধীনতা দিয়েছেন, বাধ্য করেননি। বরং তাক্বদীর বান্দার শক্তি ও ইচ্ছানুযায়ী বাস্তবায়িত হবে, আল্লাহ্ তাদের এবং তাদের শক্তির সৃষ্টি কর্তা।
তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) নিজের রহমতে যাকে ইচ্ছা হিদায়াত দান করেন, যাকে ইচ্ছা নিজের হিকমতে বিপথগামী করেন। তিনি যা করেন সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবেন না কিন্তু বান্দা নিজ কর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। তাক্বদীর বা আল্লাহর ফয়সালার প্রতি বিশ্বাস রাখা ঈমানের অন্যতম রোকন।
যেমন ঈমান সম্পর্কে জিবরীল এর প্রশ্নের উত্তরে রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন:
﴿أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَتُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ﴾ ( صحيح مسلم - (১/ ৮৭(
অর্থ: ঈমান হলো, তুমি আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম), তাঁর ফেরেশ্তা, রাসূলগণ আলাইহিমুস্ সালাম, শেষ দিবস এবং ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে। সহীহ্ মুসলিম ১/৮৭। রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপর হাদীসে বলেন:
﴿لَوْ أَنَّ اللَّهَ عَذَّبَ أَهْلَ سَمَاوَاتِهِ وَأَهْلَ أَرْضِهِ لَعَذَّبَهُمْ غَيْرَ ظَالِمٍ لَهُمْ وَلَوْ رَحِمَهُمْ كَانَتْ رَحْمَتُهُ لَهُمْ خَيْرًا مِنْ أَعْمَالِهِمْ وَلَوْ كَانَ لَكَ جَبَلُ أُحُدٍ أَوْ مِثْلُ جَبَلِ أُحُدٍ ذَهَبًا أَنْفَقْتَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ مَا قَبِلَهُ اللَّهُ مِنْكَ حَتَّى تُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ وَتَعْلَمَ أَنَّ مَا أَصَابَكَ لَمْ يَكُنْ لِيُخْطِئَكَ وَأَنَّ مَا أَخْطَأَكَ لَمْ يَكُنْ لِيُصِيبَكَ وَأَنَّكَ إِنْ مِتَّ عَلَى غَيْرِ هَذَا دَخَلْتَ النَّارَ﴾ ) مسند أحمد - (৪৪ / ৯৩(
অর্থ: আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) যদি আসমান-যমীন বাসীকে শাস্তি দেন তবে অত্যাচারী না হয়েই তিনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারবেন। আর তিনি তাদেরকে দয়া করলে তার রহমত বান্দার আমল থেকে উত্তম হবে। যদি তোমার ওহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ থাকে আর তুমি তা আল্লাহর পথে ব্যায় কর তবে তাক্বদীরের ভালো-মন্দের প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত আল্লাহ্ তোমার সে দান গ্রহণ করবেন না।
জেনে রেখো, তোমার ভাগ্যে যা ঘটেছে তা থেকে বাঁচার কোন উপায় নাই আর যা তোমার ভাগ্যে ঘটেনি তা তোমার পাওয়ার নাই। তুমি এ বিশ্বাস ছাড়া ইন্তিকাল করলে জাহান্নামে যাবে। মুসনাদে আহমাদ ৪৪/৯৩।
ক্বদ্র বা তাক্বদীর হল: আল্লাহর হিকমত ও পূর্ব জ্ঞানানুযায়ী নির্ধারিত বিশ্ববাসীর তাক্বদীর বা ভাগ্যের ভাল-মন্দ।
তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বান্দার কর্ম, বাধ্যতা ও অবাধ্যতার সৃষ্টি কারী। এতদসত্বেও আল্লাহ্ বান্দাদেরকে আদেশ ও নিষেধ করেছেন, নিজেদের কাজের স্বাধীনতা দিয়েছেন, বাধ্য করেননি। বরং তাক্বদীর বান্দার শক্তি ও ইচ্ছানুযায়ী বাস্তবায়িত হবে, আল্লাহ্ তাদের এবং তাদের শক্তির সৃষ্টি কর্তা।
তিনি (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) নিজের রহমতে যাকে ইচ্ছা হিদায়াত দান করেন, যাকে ইচ্ছা নিজের হিকমতে বিপথগামী করেন। তিনি যা করেন সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবেন না কিন্তু বান্দা নিজ কর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। তাক্বদীর বা আল্লাহর ফয়সালার প্রতি বিশ্বাস রাখা ঈমানের অন্যতম রোকন।
যেমন ঈমান সম্পর্কে জিবরীল এর প্রশ্নের উত্তরে রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছিলেন:
﴿أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَتُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ﴾ ( صحيح مسلم - (১/ ৮৭(
অর্থ: ঈমান হলো, তুমি আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম), তাঁর ফেরেশ্তা, রাসূলগণ আলাইহিমুস্ সালাম, শেষ দিবস এবং ভাগ্যের ভাল-মন্দের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে। সহীহ্ মুসলিম ১/৮৭। রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপর হাদীসে বলেন:
﴿لَوْ أَنَّ اللَّهَ عَذَّبَ أَهْلَ سَمَاوَاتِهِ وَأَهْلَ أَرْضِهِ لَعَذَّبَهُمْ غَيْرَ ظَالِمٍ لَهُمْ وَلَوْ رَحِمَهُمْ كَانَتْ رَحْمَتُهُ لَهُمْ خَيْرًا مِنْ أَعْمَالِهِمْ وَلَوْ كَانَ لَكَ جَبَلُ أُحُدٍ أَوْ مِثْلُ جَبَلِ أُحُدٍ ذَهَبًا أَنْفَقْتَهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ مَا قَبِلَهُ اللَّهُ مِنْكَ حَتَّى تُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ وَتَعْلَمَ أَنَّ مَا أَصَابَكَ لَمْ يَكُنْ لِيُخْطِئَكَ وَأَنَّ مَا أَخْطَأَكَ لَمْ يَكُنْ لِيُصِيبَكَ وَأَنَّكَ إِنْ مِتَّ عَلَى غَيْرِ هَذَا دَخَلْتَ النَّارَ﴾ ) مسند أحمد - (৪৪ / ৯৩(
অর্থ: আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) যদি আসমান-যমীন বাসীকে শাস্তি দেন তবে অত্যাচারী না হয়েই তিনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারবেন। আর তিনি তাদেরকে দয়া করলে তার রহমত বান্দার আমল থেকে উত্তম হবে। যদি তোমার ওহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণ থাকে আর তুমি তা আল্লাহর পথে ব্যায় কর তবে তাক্বদীরের ভালো-মন্দের প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত আল্লাহ্ তোমার সে দান গ্রহণ করবেন না।
জেনে রেখো, তোমার ভাগ্যে যা ঘটেছে তা থেকে বাঁচার কোন উপায় নাই আর যা তোমার ভাগ্যে ঘটেনি তা তোমার পাওয়ার নাই। তুমি এ বিশ্বাস ছাড়া ইন্তিকাল করলে জাহান্নামে যাবে। মুসনাদে আহমাদ ৪৪/৯৩।
ক্বদ্র বা তাক্বদীর হল: আল্লাহর হিকমত ও পূর্ব জ্ঞানানুযায়ী নির্ধারিত বিশ্ববাসীর তাক্বদীর বা ভাগ্যের ভাল-মন্দ।