১
প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা
লেখকঃ ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
রাসূলগণের প্রতি ঈমান: ক- রিসালাতের প্রতি মানুষের প্রয়োজনীয়তা:
রিসালাত মানুষের জন্য একান্ত আবশ্যক। সকল বিষয়ের চেয়ে রিসালাতের প্রয়োজনীয়তা বেশী। রিসালাত হলো পৃথিবীর আত্মা, আলো এবং জীবন। অতএব, আত্মা, জীবন এবং আলো না থাকলে পৃথিবীতে কি কল্যাণ থাকতে পারে? রিসালাতের সূর্য ব্যতীত দুনিয়া অন্ধকার। রাসূলগণের মাধ্যম ব্যতীত উভয় জাগতিক কল্যাণ ও মুক্তিলাভ এবং ভালো-মন্দের পার্থ্যক্য করার কোন উপায় বা পথ নেই। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) রিসালাতকে রুহ্ বা আত্মা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আর আত্মা না থাকলে জীবনও থাকবে না। আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿وَكَذَلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ رُوحًا مِنْ أَمْرِنَا مَا كُنْتَ تَدْرِي مَا الْكِتَابُ وَلَا الْإِيمَانُ وَلَكِنْ جَعَلْنَاهُ نُورًا نَهْدِي بِهِ مَنْ نَشَاءُ مِنْ عِبَادِنَا﴾ سورة الشورى - ৫২
অর্থ: এমনিভাবে আমি আপনার কাছে এক ফেরেশতা প্রেরণ করেছি আমার আদেশক্রমে। আপনি জানতেন না, কিতাব কি এবং ঈমান কি? কিন্তু আমি একে করেছি নূর, যাদ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করি। সূরাহ্ আশ্ শুরা আয়াত ৫২। রাসূলগণের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ঈমানের অন্যতম রোকন বা স্তম্ভ।
আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْ رُسُلِهِ﴾ [ البقرة : ২৮৫]
অর্থ: রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলিমগণও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহ্র প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর রাসূলগণের মাঝে কোন তারতম্য করিনা। সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ আয়াত ২৮৫।
কোন পার্থক্য ব্যতীত সকল নবী ও রাসূলগণের উপর ঈমান আনা আবশ্যক তা অত্র আয়াত দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। তাই আমরা ইয়াহুদী নাসারাদের মত কতক রাসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন এবং কতক রাসূলকে অস্বীকার করি না। রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈমান সম্পর্কে বলেছেন:
﴿أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَتُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ﴾ ( صحيح مسلم ১/৮৭)
অর্থ: ঈমান হলো, তুমি আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম), তাঁর ফেরেশ্তাগণ, কিতাবসমূহ, রাসূলগণ, ক্বিয়ামত দিবস এবং তাক্বদীরের ভালো-মন্দের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে। সহীহ্ মুসলিম ১/৮৭।
বর্তমানে আধুনিক ও উন্নত নামধারী রাষ্ট্রগুলো যে অশান্তি, দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনা ও বিশৃঙ্খলার সম্মুখীন হচ্ছে তা মূলতঃ রিসালাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কারণেই।
﴿وَكَذَلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ رُوحًا مِنْ أَمْرِنَا مَا كُنْتَ تَدْرِي مَا الْكِتَابُ وَلَا الْإِيمَانُ وَلَكِنْ جَعَلْنَاهُ نُورًا نَهْدِي بِهِ مَنْ نَشَاءُ مِنْ عِبَادِنَا﴾ سورة الشورى - ৫২
অর্থ: এমনিভাবে আমি আপনার কাছে এক ফেরেশতা প্রেরণ করেছি আমার আদেশক্রমে। আপনি জানতেন না, কিতাব কি এবং ঈমান কি? কিন্তু আমি একে করেছি নূর, যাদ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্য থেকে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করি। সূরাহ্ আশ্ শুরা আয়াত ৫২। রাসূলগণের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা ঈমানের অন্যতম রোকন বা স্তম্ভ।
আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম) বলেন:
﴿آمَنَ الرَّسُولُ بِمَا أُنْزِلَ إِلَيْهِ مِنْ رَبِّهِ وَالْمُؤْمِنُونَ كُلٌّ آمَنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ لَا نُفَرِّقُ بَيْنَ أَحَدٍ مِنْ رُسُلِهِ﴾ [ البقرة : ২৮৫]
অর্থ: রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে এবং মুসলিমগণও সবাই বিশ্বাস রাখে আল্লাহ্র প্রতি, তাঁর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর গ্রন্থসমুহের প্রতি এবং তাঁর রাসূলগণের প্রতি। তারা বলে আমরা তাঁর রাসূলগণের মাঝে কোন তারতম্য করিনা। সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ আয়াত ২৮৫।
কোন পার্থক্য ব্যতীত সকল নবী ও রাসূলগণের উপর ঈমান আনা আবশ্যক তা অত্র আয়াত দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়। তাই আমরা ইয়াহুদী নাসারাদের মত কতক রাসূলের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন এবং কতক রাসূলকে অস্বীকার করি না। রাসূল (সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈমান সম্পর্কে বলেছেন:
﴿أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَتُؤْمِنَ بِالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ﴾ ( صحيح مسلم ১/৮৭)
অর্থ: ঈমান হলো, তুমি আল্লাহ্ (আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম), তাঁর ফেরেশ্তাগণ, কিতাবসমূহ, রাসূলগণ, ক্বিয়ামত দিবস এবং তাক্বদীরের ভালো-মন্দের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে। সহীহ্ মুসলিম ১/৮৭।
বর্তমানে আধুনিক ও উন্নত নামধারী রাষ্ট্রগুলো যে অশান্তি, দুশ্চিন্তা-দুর্ভাবনা ও বিশৃঙ্খলার সম্মুখীন হচ্ছে তা মূলতঃ রিসালাত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কারণেই।