১
অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা
লেখকঃ আবু বকর সিরাজী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭
আলেমদের হাশর হবে নবীগণের সঙ্গে
ইলমের অন্যতম ফযীলত হচ্ছে, আলেমদের হাশর হবে নবী-রাসূলগণের সঙ্গে। কেয়ামতের দিন এরচেয়ে বড় গৌরবের বিষয় আর কী হতে পারে যে, সাধারণ মানুষ হয়েও শুধু ইলমের বরকতে একজন মানুষ আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় মহা সম্মানী নবী-রাসূলগণের সঙ্গে উঠতে সক্ষম হবেন? পৃথিবীর যাবতীয় পদ-পদবীর জন্য হাশরের মাঠে আক্ষেপ হবে, সেদিনের গৌরবের পদবী হবে কেবল নবী ও রাসূলগণের পদবী। সেই নবী-রাসূলগণের সঙ্গে হাশর হওয়া কত যে গৌরব ও মর্যাদার, আমাদের জন্য তা ভাষায় প্রকাশ করাও সম্ভব না, হৃদয় দিয়ে এর গভীরে পৌঁছাও সহজ না। অবশ্য আমাদের পূর্বসূরীগণ এর মর্যাদা অনুধাবন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। জনৈক বুযুর্গকে বিচারকের পদ গ্রহণ করার অনুরোধ করলে তিনি তাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন,
إنما تعلمت العلم لأحشر به مع الأنبياء لا مع الملوك فإن العلماء يحشرون مع الأنبياء والقضاة يحشرون مع الملوك
‘আমি ইলম শিক্ষা করেছি নবীগণের সঙ্গে হাশর হওয়ার জন্য, বাদশাদের সঙ্গে হাশর হওয়ার জন্য নয়। কেননা আলেমদের হাশর হবে নবীগণের সঙ্গে আর বিচারকদের হাশর হবে বাদশাদের সঙ্গে।’
إنما تعلمت العلم لأحشر به مع الأنبياء لا مع الملوك فإن العلماء يحشرون مع الأنبياء والقضاة يحشرون مع الملوك
‘আমি ইলম শিক্ষা করেছি নবীগণের সঙ্গে হাশর হওয়ার জন্য, বাদশাদের সঙ্গে হাশর হওয়ার জন্য নয়। কেননা আলেমদের হাশর হবে নবীগণের সঙ্গে আর বিচারকদের হাশর হবে বাদশাদের সঙ্গে।’