১
ইসলামে সার্বভৌমত্বের স্বরূপ
লেখকঃ ড. মোঃ আব্দুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
৩। সর্বব্যাপকতা/সার্বজনীনতা (Universality):
ইসলামী সার্বভৌমত্বের অপর বৈশিষ্ট্য হলো এর সর্বব্যাপকতা বা সার্বজনীনতা। সার্বজনীনতা হলো ইসলামী সার্বভৌমত্বের অসীমতার পরিচায়ক। সৃষ্টিজগতের এমন একটি প্রাণীও নেই, থাকতে পারে না যারা তার সার্বভৌম শক্তির অধীন নয়। আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছু সৃষ্টিকর্তা, প্রতিপালক ও মা`বুদ আল্লাহ। তাঁর ক্ষমতা সর্বত্র। সৃষ্টিজগতের প্রতিটি প্রাণী আল্লাহর এ সার্বভৌম শক্তির অধীনতা স্বীকার করতে বাধ্য। এর গতি সৃষ্টি জগতের সর্বস্তরে অবাধ ও অপ্রতিহত। একথা বুঝানোর জন্যই আয়াতুল কুরসীতে বলা হয়েছে।
﴿ لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
‘‘আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর সবকিছুই তার।” [সূরা আল বাকারাহ:২৫৫।]
তাঁর ক্ষমতা কোনো পরিসীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।’’ সবচেয়ে বড় ক্ষমতার যিনি মালিক তার ক্ষমতা কোনো বিশেষ এলাকার মধ্যে হলে চলবে কি? তার ক্ষমতা হতে হবে সর্বত্র, যার মালিক হওয়া মানুষের জন্য কোনদিনই সম্ভবপর নয়। যেমন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তি অন্যদেশের একটি চৌকিদারের চাকুরী ও বাতিল করতে পারবে না। তাই বলা যায়, দুনিয়ার প্রতিটি রাজা-বাদশাহরই ক্ষমতা এমন একটা নির্দিষ্ট পরিসীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ।
﴿ لَّهُۥ مَا فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَمَا فِي ٱلۡأَرۡضِۗ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
‘‘আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর সবকিছুই তার।” [সূরা আল বাকারাহ:২৫৫।]
তাঁর ক্ষমতা কোনো পরিসীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।’’ সবচেয়ে বড় ক্ষমতার যিনি মালিক তার ক্ষমতা কোনো বিশেষ এলাকার মধ্যে হলে চলবে কি? তার ক্ষমতা হতে হবে সর্বত্র, যার মালিক হওয়া মানুষের জন্য কোনদিনই সম্ভবপর নয়। যেমন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তি অন্যদেশের একটি চৌকিদারের চাকুরী ও বাতিল করতে পারবে না। তাই বলা যায়, দুনিয়ার প্রতিটি রাজা-বাদশাহরই ক্ষমতা এমন একটা নির্দিষ্ট পরিসীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ।