১
ইসলামে সার্বভৌমত্বের স্বরূপ
লেখকঃ ড. মোঃ আব্দুল কাদের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
৫। অবিভাজ্যতা ও একত্ব (Indivisibility and unity):
ইসলামী সার্বভৌমত্ব একক ও অবিভাজ্য এ সার্বভৌমত্বকে বিভক্ত করা যায় না। আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর চূড়ান্ত ক্ষমতা একটিমাত্র কেন্দ্রেই কেন্দ্রীভূত এবং এর কেন্দ্রবিন্দুতেই রয়েছেন আল্লাহ। যদি দু বা ততোধিক ক্ষেত্রে তা ন্যস্ত হত তাহলে স্বাভাবিকভাবেই বিরোধ ঘটত। চরম ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সমস্যা হত। এজন্যই আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে সম্পূর্ণ বলা হয়। এর বিভাজনের চিন্তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও নাফরমানির শামিল। আল্লাহ তাঁর ক্ষমতা কোনো ফেরেশতাকে বা কোনো নবীকে বা কোনো রাষ্ট্র প্রধানকে কিংবা কোনো পীর, সূফী, দরবেশকেও ভাগ করে দেন নি। সৃষ্টিকূলের কেউ সার্বভৌমত্বের অধিকারী হতে পারে না, যে কোনো বাদশাহ বা রাষ্ট্র প্রধান তাঁর ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার উপর নির্ভরশীল। আবার তার ক্ষমতা ও আদেশ নিজ ভুখণ্ডের বাইরে সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর। একথাই কুরআনে বলা হয়েছে:
﴿مَن ذَا ٱلَّذِي يَشۡفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذۡنِهِۦ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
“কে আছে এমন (স্বীয় ক্ষমতা, অধিকারী বলে) আল্লাহর নিকট কোনো সুপারিশ করতে পারে তার অনুমতি ছাড়া।’’ [সূরা আল বাকারাহ:২৫৫।]
মহান আল্লাহ আরো বলেন :
﴿ وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَۖ وَلَا ئَُودُهُۥ حِفۡظُهُمَاۚ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
‘‘তাঁর কুরসী আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর সর্বত্রই পরিব্যাপ্ত হয়।’’ [সূরা আল বাকারাহ:২৫৫।] তাঁর এ সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ ও সংরক্ষনে তিনি হিমশিম খান না; ক্লান্ত শ্রান্ত হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
পবিত্র কুরআনের বাণী:
﴿ ۖ وَلَا ئَُودُهُۥ حِفۡظُهُمَاۚ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
‘‘আসমান ও যমীনের প্রতিটি বিষয়কে সংরক্ষণ ক্রমবিকাশ ও ক্রমোন্নতি দানে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন না, বা এসব তাকে ক্লান্ত করতে পারে না।’’৫
কারণ তিনি মহান ও শ্রেষ্ট সত্তা।
﴿وَهُوَ ٱلۡعَلِيُّ ٱلۡعَظِيمُ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
‘‘তিনি পরাক্রমশালী ও অসীম মর্যাদাবান।’’৬
﴿مَن ذَا ٱلَّذِي يَشۡفَعُ عِندَهُۥٓ إِلَّا بِإِذۡنِهِۦ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
“কে আছে এমন (স্বীয় ক্ষমতা, অধিকারী বলে) আল্লাহর নিকট কোনো সুপারিশ করতে পারে তার অনুমতি ছাড়া।’’ [সূরা আল বাকারাহ:২৫৫।]
মহান আল্লাহ আরো বলেন :
﴿ وَسِعَ كُرۡسِيُّهُ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَۖ وَلَا ئَُودُهُۥ حِفۡظُهُمَاۚ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
‘‘তাঁর কুরসী আকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর সর্বত্রই পরিব্যাপ্ত হয়।’’ [সূরা আল বাকারাহ:২৫৫।] তাঁর এ সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ ও সংরক্ষনে তিনি হিমশিম খান না; ক্লান্ত শ্রান্ত হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
পবিত্র কুরআনের বাণী:
﴿ ۖ وَلَا ئَُودُهُۥ حِفۡظُهُمَاۚ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
‘‘আসমান ও যমীনের প্রতিটি বিষয়কে সংরক্ষণ ক্রমবিকাশ ও ক্রমোন্নতি দানে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েন না, বা এসব তাকে ক্লান্ত করতে পারে না।’’৫
কারণ তিনি মহান ও শ্রেষ্ট সত্তা।
﴿وَهُوَ ٱلۡعَلِيُّ ٱلۡعَظِيمُ ٢٥٥ ﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]
‘‘তিনি পরাক্রমশালী ও অসীম মর্যাদাবান।’’৬