১
যেসব কারণে ইবাদাত বরবাদ হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
পবিত্রতা সংক্রান্ত বিদআত
ওযু করার সময় বিশেষ দু‘আ পাঠ করা :
ওযু করার সময় ‘‘বিসমিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল ‘আজীম ওয়াল হামদুলিল্লাহি ‘আলা দ্বীনিল ইসলাম....’ এই দু‘আ পাঠ করা বিদআত। কেননা, রাসূলুল্লাহ ﷺ ওযু করার সময় এই দু‘আ পাঠ করেছেন কিংবা পাঠ করতে বলেছেন তার কোন প্রমাণ নেই। তাছাড়া ওযুর প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ধোয়ার সময় দু‘আ হিসেবে যেসব বাক্য আছে তাও কোন হাদীসের কিতাবে নেই।
এ ক্ষেত্রে করণীয় :
মূলত ওযুর সুন্নাত হলো- প্রথমত বিসমিল্লাহ বলে ওযু শুরু করা। হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ إِذَا مَسَّ طَهُوْرَهٗ يُسَمِّى اللهَ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন পবিত্রতা অর্জন করতেন তখন তিনি বিসমিল্লাহ বলে শুরু করতেন। [দার কুতনী, হা/২৩১।]
ওযু শেষ হলে নিচের দু‘আটি পড়বে :
اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، وَاَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ
উচ্চারণ : আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকালাহু ওয়াআশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসূলুহ্।
অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। আর আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَتَوَضَّأُ ، فَيُحْسِنُ الْوُضُوْءَ ، ثُمَّ يَقُوْلُ : أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ ، إِلَّا فُتِحَتْ لَهٗ ثَمَانِيَةُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ ، يَدْخُلُ مِنْ أَيِّهَا شَاءَ
উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যখন কোন মুসলিম ওযু করবে এবং সুন্দরভাবে ওযু করবে তারপর এ দু‘আটি পাঠ করবে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে। সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে। [ইবনে মাজাহ, হা/৪৭০; সুনানে নাসাঈ, হা/১৪৮; সহীহ মুসলিম, হা/৫৭৬; আবু দাউদ, হা/১৬৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭৩৫২; ইবনে খুযাইমা, হা/২২৩; মিশকাত, হা/২৮৯; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২২৪।]
অন্য হাদীসে উপরোক্ত দু‘আর সাথে এ অংশটুকুও বর্ণিত রয়েছে,
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَّوَّابِيْنَ ، وَاجْعَلْنِيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাজ‘আল্নী মিনাত্তাওয়া-বীন, ওয়াজ্‘আল্নী মিনাল্ মুতাত্বাহ্হিরীন।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারী ও পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন। [তিরমিযী, হা/৫৫।]
ওযু করার সময় ‘‘বিসমিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল ‘আজীম ওয়াল হামদুলিল্লাহি ‘আলা দ্বীনিল ইসলাম....’ এই দু‘আ পাঠ করা বিদআত। কেননা, রাসূলুল্লাহ ﷺ ওযু করার সময় এই দু‘আ পাঠ করেছেন কিংবা পাঠ করতে বলেছেন তার কোন প্রমাণ নেই। তাছাড়া ওযুর প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ধোয়ার সময় দু‘আ হিসেবে যেসব বাক্য আছে তাও কোন হাদীসের কিতাবে নেই।
এ ক্ষেত্রে করণীয় :
মূলত ওযুর সুন্নাত হলো- প্রথমত বিসমিল্লাহ বলে ওযু শুরু করা। হাদীসে এসেছে,
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ إِذَا مَسَّ طَهُوْرَهٗ يُسَمِّى اللهَ
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন পবিত্রতা অর্জন করতেন তখন তিনি বিসমিল্লাহ বলে শুরু করতেন। [দার কুতনী, হা/২৩১।]
ওযু শেষ হলে নিচের দু‘আটি পড়বে :
اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ، وَاَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ
উচ্চারণ : আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকালাহু ওয়াআশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়ারাসূলুহ্।
অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। আর আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ : مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَتَوَضَّأُ ، فَيُحْسِنُ الْوُضُوْءَ ، ثُمَّ يَقُوْلُ : أَشْهَدُ أَنْ لَّا إِلٰهَ إِلَّا اللهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ ، إِلَّا فُتِحَتْ لَهٗ ثَمَانِيَةُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ ، يَدْخُلُ مِنْ أَيِّهَا شَاءَ
উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যখন কোন মুসলিম ওযু করবে এবং সুন্দরভাবে ওযু করবে তারপর এ দু‘আটি পাঠ করবে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে। সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে। [ইবনে মাজাহ, হা/৪৭০; সুনানে নাসাঈ, হা/১৪৮; সহীহ মুসলিম, হা/৫৭৬; আবু দাউদ, হা/১৬৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৭৩৫২; ইবনে খুযাইমা, হা/২২৩; মিশকাত, হা/২৮৯; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২২৪।]
অন্য হাদীসে উপরোক্ত দু‘আর সাথে এ অংশটুকুও বর্ণিত রয়েছে,
اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ مِنَ التَّوَّابِيْنَ ، وَاجْعَلْنِيْ مِنَ الْمُتَطَهِّرِيْنَ
উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মাজ‘আল্নী মিনাত্তাওয়া-বীন, ওয়াজ্‘আল্নী মিনাল্ মুতাত্বাহ্হিরীন।
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাকে তওবাকারী ও পবিত্রতা অবলম্বনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন। [তিরমিযী, হা/৫৫।]