১
যেসব কারণে ইবাদাত বরবাদ হয়
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
মৃত ব্যক্তি কেন্দ্রিক বিদআত ও কুসংস্কার
১. মৃত ব্যক্তির চারপাশে বসে কুরআন পাঠ করা।
২. গোসলের জন্য গরম পানি দেয়ার জন্য পাক ঘরের চুলা বাদ দিয়ে বাইরে চুলা বানিয়ে পানি গরম করা।
৩. মৃত ব্যক্তিকে যেখানে গোসল দেয়া হয় সে স্থান ৪ দিন কিংবা ৪০ দিন পর্যন্ত বেড়া দিয়ে সংরক্ষণ করা এবং রাতের বেলায় সেখানে মোম, হারিকেন বা বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে আলোকিত করে রাখা।
৪. কাফন পরানোর সময় নির্ধারিত পরিমাণের চাউল, বিস্কুট ও ফলের ব্যবস্থা করা এবং সেগুলো কবরস্থানে আগত ফকিরদের মাঝে বিলি করা।
৫. জানাযা নিয়ে যাওয়ার সময় ‘আল্লাহু রাববী, মুহাম্মাদ নবী’ কিংবা ‘কালিমা শাহাদাত’ পাঠ করা।
৬. জানাযা নেয়ার সময় খাটিয়ার উপর আগরবাতি জ্বালানো এবং জানাযা যাত্রীদের উপর গোলাপজল ছিঁটানো।
৭. জানাযা নামায শেষে ‘‘এ মানুষটি কেমন ছিল’’ উপস্থিত সবাই ‘‘বেশ ভালো ছিল’’ একথা বলা।
৮. জানাযা পড়ানোর সময় ইমাম একখন্ড সাদা কাপড় জায়নামায হিসেবে ব্যবহার করা, যা মূলত কাফনের কাপড়ের অংশ বিশেষ।
৯. কাফনের উপর যেকোন রকমের দু‘আ লিখে দেয়া কিংবা দু‘আ লিখা কাপড়খন্ড কাফনের সাথে লাগিয়ে দেয়া।
১০. কোন কাপড়খন্ডের উপর কালিমা লিখে ঐ কাপড়খন্ড কবরের ভেতর মৃতের ডান পাশে মুখ বরাবর কবরের দেয়ালে টাঙ্গিয়ে দেয়া।
১১. নেককার বা বুযুর্গ ব্যক্তি হিসেবে কোন বিছানা-বালিশ দেয়া।
১২. মৃত ব্যক্তির বাড়িতে তিন দিন পর্যন্ত চুলা না জ্বালানো ও খানা পাক না করা।
১৩. মৃত ব্যক্তির কাযা নামায থাকলে কিংবা মৃত ব্যক্তি বে-নামাযী হলে তার নামাযের আর্থিক কাফফারা হিসাব করে কাফফারা আদায় করা এবং এ মৃত ব্যক্তি গরীব হলে কাফফারার পরিবর্তে একটি কুরআন মাজীদ কাউকে হাদিয়া প্রদান করা ইত্যাদি।
১৪. মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা, ঐ দিন মিলাদ পাঠ করানো, মেজবানের ব্যবস্থা করা কিংবা কাঙ্গালি ভোজের অনুষ্ঠান করা অথবা কুরআনখানি, খতমে কুরআন বা খতমে বুখারী পড়ানো।
১৫. মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা।
১৬. কবরের উপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করা।
১৭. মৃত ব্যক্তির জন্য শোকসভা করা।
১৮. দুই ঈদের দিন কবর যিয়ারত করাকে জরুরি মনে করা।
১৯. নেককার মৃত ব্যক্তির কবর যিয়ারতের মাধ্যমে দু‘আ করা হলে দু‘আ কবুল হবে মনে করা।
২০. মৃত ব্যক্তিকে তার কোন আত্মীয়স্বজন স্বপ্নে দেখল তার জন্য যেকোন খতম পড়ানো বা কোন অনুষ্ঠান করা।
সওয়াব পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে হোক কিংবা বরকত লাভের নিয়তে হোক- এসব কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। কেননা কুরআন-হাদীস ও সালফে সালেহীন থেকে এসব কাজের সমর্থন পাওয়া যায় না।
২. গোসলের জন্য গরম পানি দেয়ার জন্য পাক ঘরের চুলা বাদ দিয়ে বাইরে চুলা বানিয়ে পানি গরম করা।
৩. মৃত ব্যক্তিকে যেখানে গোসল দেয়া হয় সে স্থান ৪ দিন কিংবা ৪০ দিন পর্যন্ত বেড়া দিয়ে সংরক্ষণ করা এবং রাতের বেলায় সেখানে মোম, হারিকেন বা বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে আলোকিত করে রাখা।
৪. কাফন পরানোর সময় নির্ধারিত পরিমাণের চাউল, বিস্কুট ও ফলের ব্যবস্থা করা এবং সেগুলো কবরস্থানে আগত ফকিরদের মাঝে বিলি করা।
৫. জানাযা নিয়ে যাওয়ার সময় ‘আল্লাহু রাববী, মুহাম্মাদ নবী’ কিংবা ‘কালিমা শাহাদাত’ পাঠ করা।
৬. জানাযা নেয়ার সময় খাটিয়ার উপর আগরবাতি জ্বালানো এবং জানাযা যাত্রীদের উপর গোলাপজল ছিঁটানো।
৭. জানাযা নামায শেষে ‘‘এ মানুষটি কেমন ছিল’’ উপস্থিত সবাই ‘‘বেশ ভালো ছিল’’ একথা বলা।
৮. জানাযা পড়ানোর সময় ইমাম একখন্ড সাদা কাপড় জায়নামায হিসেবে ব্যবহার করা, যা মূলত কাফনের কাপড়ের অংশ বিশেষ।
৯. কাফনের উপর যেকোন রকমের দু‘আ লিখে দেয়া কিংবা দু‘আ লিখা কাপড়খন্ড কাফনের সাথে লাগিয়ে দেয়া।
১০. কোন কাপড়খন্ডের উপর কালিমা লিখে ঐ কাপড়খন্ড কবরের ভেতর মৃতের ডান পাশে মুখ বরাবর কবরের দেয়ালে টাঙ্গিয়ে দেয়া।
১১. নেককার বা বুযুর্গ ব্যক্তি হিসেবে কোন বিছানা-বালিশ দেয়া।
১২. মৃত ব্যক্তির বাড়িতে তিন দিন পর্যন্ত চুলা না জ্বালানো ও খানা পাক না করা।
১৩. মৃত ব্যক্তির কাযা নামায থাকলে কিংবা মৃত ব্যক্তি বে-নামাযী হলে তার নামাযের আর্থিক কাফফারা হিসাব করে কাফফারা আদায় করা এবং এ মৃত ব্যক্তি গরীব হলে কাফফারার পরিবর্তে একটি কুরআন মাজীদ কাউকে হাদিয়া প্রদান করা ইত্যাদি।
১৪. মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা, ঐ দিন মিলাদ পাঠ করানো, মেজবানের ব্যবস্থা করা কিংবা কাঙ্গালি ভোজের অনুষ্ঠান করা অথবা কুরআনখানি, খতমে কুরআন বা খতমে বুখারী পড়ানো।
১৫. মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা।
১৬. কবরের উপর পুষ্পস্তবক অর্পণ করা।
১৭. মৃত ব্যক্তির জন্য শোকসভা করা।
১৮. দুই ঈদের দিন কবর যিয়ারত করাকে জরুরি মনে করা।
১৯. নেককার মৃত ব্যক্তির কবর যিয়ারতের মাধ্যমে দু‘আ করা হলে দু‘আ কবুল হবে মনে করা।
২০. মৃত ব্যক্তিকে তার কোন আত্মীয়স্বজন স্বপ্নে দেখল তার জন্য যেকোন খতম পড়ানো বা কোন অনুষ্ঠান করা।
সওয়াব পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে হোক কিংবা বরকত লাভের নিয়তে হোক- এসব কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। কেননা কুরআন-হাদীস ও সালফে সালেহীন থেকে এসব কাজের সমর্থন পাওয়া যায় না।