১
কবরের বর্ণনা
লেখকঃ মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
মৃত্যু যন্ত্রনা
মাসআলা- ৯ মৃত্যু যন্ত্রনা সত্যঃ
وَ جَآءَتۡ سَکۡرَۃُ الۡمَوۡتِ بِالۡحَق
অর্থঃ মৃত্যু যন্ত্রনা সত্যিই আসবে। সূরা ক্বাফ-১৯
মাসআলা- ১০ মৃত্যু যন্ত্রনা অত্যন্ত বেদনা দায়কঃ
عن جابر عنه قال : قال رسول الله : (( لاتمو الموت فاين هول المطلع شيريدوا من السعادة أن طول عمر العبير ويرتزقه الله عوجل الإنابة )). رواه أحمد
অর্থঃ যাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “তোমরা মৃত্যু কামনা করনা, কেননা প্রাণ নির্গত হওয়ার যন্ত্রনা অত্যন্ত বেদনা দায়ক, আর সুপরিনতির নির্দশন হল বান্দার হায়াত দীর্ঘায়িত হওয়া এবং বান্দা তওবা করার সুযোগ লাভ করা। (আহমদ)
মাসআলা- ১১ মৃত্যু যন্ত্রনা যতটা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভোগ করেছেন ততটা অন্য কেউ আর ভোগ করবে না?
من كرب الموت ما وجد، قالت فاطمة رضی قال لما وجد رسول الله عن انس بن مالك الله عنها واكوب ایتاة فقال رسول الله خير لا کب غلی اپیک بعد اليوم انه قد حضر من آبیک بتاري منه أحد الموافاة يوم القيامة )). رواه ابن ماجة مالي ( صحیح )
অর্থঃ আনাস বিন মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মৃত্যু যন্ত্রনা শুরু হল, তখন ফাতেমা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বললেনঃ আফসোস আমার পিতার এ মৃত্যু যন্ত্রনা! রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আজকের পর তোমার পিতা এ রকম কষ্ট আর পাবে না, মৃত্যুর মুহূর্তে তোমার পিতা এমন কষ্ট পেল যে, কিয়ামত পর্যন্ত অন্য কেউ এ কষ্ট পাবে না। (ইবনে মাযাহ)[1]
মাসআলা- ১২ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মৃত্যু যন্ত্রনা সম্পর্কে আয়শা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) এর উক্তি?
عن عائشة رضي الله عنها قالت مات النبی و وانه بين حاقی و اقتتى ق اكره ښة رواه البخاري الموت لأحد أبدا بعد النبي
অর্থঃ আয়শা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মৃত্যুর সময় তাঁর মাথা আমার সিনা ও থুতনির মাঝে ছিল। তার মৃত্যু যন্ত্রনা দেখার পর, আমি অন্য কারো ব্যাপারেই মৃত্যু যন্ত্রনাকে কষ্ট কর বলে মনে করিনা। (বুখারী)[2]
ফুটনোট
[1] - আবওয়াবুল জানায়েয, বাবু যিকরি ওফাতিহি ওয়া দাফনিহি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (১/১৩২০)
[2] - কিতাবুল মাগাযী, বাবু মারাজিন নাবিয়্যি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়া ওফাতিহি।
وَ جَآءَتۡ سَکۡرَۃُ الۡمَوۡتِ بِالۡحَق
অর্থঃ মৃত্যু যন্ত্রনা সত্যিই আসবে। সূরা ক্বাফ-১৯
মাসআলা- ১০ মৃত্যু যন্ত্রনা অত্যন্ত বেদনা দায়কঃ
عن جابر عنه قال : قال رسول الله : (( لاتمو الموت فاين هول المطلع شيريدوا من السعادة أن طول عمر العبير ويرتزقه الله عوجل الإنابة )). رواه أحمد
অর্থঃ যাবের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “তোমরা মৃত্যু কামনা করনা, কেননা প্রাণ নির্গত হওয়ার যন্ত্রনা অত্যন্ত বেদনা দায়ক, আর সুপরিনতির নির্দশন হল বান্দার হায়াত দীর্ঘায়িত হওয়া এবং বান্দা তওবা করার সুযোগ লাভ করা। (আহমদ)
মাসআলা- ১১ মৃত্যু যন্ত্রনা যতটা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভোগ করেছেন ততটা অন্য কেউ আর ভোগ করবে না?
من كرب الموت ما وجد، قالت فاطمة رضی قال لما وجد رسول الله عن انس بن مالك الله عنها واكوب ایتاة فقال رسول الله خير لا کب غلی اپیک بعد اليوم انه قد حضر من آبیک بتاري منه أحد الموافاة يوم القيامة )). رواه ابن ماجة مالي ( صحیح )
অর্থঃ আনাস বিন মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মৃত্যু যন্ত্রনা শুরু হল, তখন ফাতেমা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বললেনঃ আফসোস আমার পিতার এ মৃত্যু যন্ত্রনা! রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আজকের পর তোমার পিতা এ রকম কষ্ট আর পাবে না, মৃত্যুর মুহূর্তে তোমার পিতা এমন কষ্ট পেল যে, কিয়ামত পর্যন্ত অন্য কেউ এ কষ্ট পাবে না। (ইবনে মাযাহ)[1]
মাসআলা- ১২ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মৃত্যু যন্ত্রনা সম্পর্কে আয়শা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) এর উক্তি?
عن عائشة رضي الله عنها قالت مات النبی و وانه بين حاقی و اقتتى ق اكره ښة رواه البخاري الموت لأحد أبدا بعد النبي
অর্থঃ আয়শা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মৃত্যুর সময় তাঁর মাথা আমার সিনা ও থুতনির মাঝে ছিল। তার মৃত্যু যন্ত্রনা দেখার পর, আমি অন্য কারো ব্যাপারেই মৃত্যু যন্ত্রনাকে কষ্ট কর বলে মনে করিনা। (বুখারী)[2]
ফুটনোট
[1] - আবওয়াবুল জানায়েয, বাবু যিকরি ওফাতিহি ওয়া দাফনিহি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (১/১৩২০)
[2] - কিতাবুল মাগাযী, বাবু মারাজিন নাবিয়্যি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়া ওফাতিহি।