১
কবরের বর্ণনা
লেখকঃ মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
হে আমার ভায়েরা এ পরিণতি (কবরে যাওয়ার) জন্য প্রস্তুতি নেও
হে সবুজ, শ্যামল, স্বতেজ, পৃথিবীতে জীবন যাপন কারীরা!
হে পৃথিবীর স্বাদে ও আনন্দে উন্মাদ ব্যক্তিবর্গ।
হে রঙিন ও মনপুত পৃথিবীর মরিচিকার প্রতি আকর্ষিত ব্যক্তি বর্গ।
হে সুন্দর পৃথিবীর সুন্দর্যে মিশে যাওয়া ব্যক্তি বর্গ।
হে চিরস্থায়ী ঠিকানাকে ভুলে গিয়ে অস্থায়ী ঠিকানার অন্বেশন কারীরা!
* ঐ দুঃখ্য ভরাক্রান্ত পথ অন্দকার রাতের ন্যায় হবে।
সেখানে না থাকবে সূর্যের কিরণ না চাঁদের আলো, না থাকবে কোন তারকা রাজীর আলো, না কোন ইলিকট্রিক বাল্পের আলো, না কোন সাধারণ চেরাগের আলো, না চোখে পরবে কোন জোনাকী পোকার ঝাক।
* ঐ দুঃখ্য ভরাক্রান্ত পথে একক কোন মরুচারীর ন্যায় হবে।
সেখানে না থাকবে পিতা-মাতা, না স্ত্রী-সন্তান, না কোন সহানুভূতিশীল, না কোন সান্তনা দাতা, না কোন পীর-মোরশেদ, না থাকবে অবস্থা সম্পর্কে কোন জিজ্ঞাস কারী, না কোন সমস্যা দূর কারী, না থাকবে কোন সংরক্ষন কারী, না কোন দেহ রক্ষী, সেখানে না থাকবে কোন দল, না কোন দল নেতা, না থাকবে কোন সভাপতী না কোন মন্ত্রীত্বের বড়াই। না থাকবে সিনেট ও এসেম্বলীর কোন ঠাট বাট, না আদালতের কোন কঠোরতার হুমকী, না থাকবে পুলিশী শাসন, না কোন প্রতিরক্ষা বাহিনীর রেংকের জাঁক জমক, না থাকবে সরকারী উচ্চপদস্ত কোন কর্মকর্তা, না থাকবে জমিদারিত্বের কোন অহংকার, না থাকবে কোন অপহরণ কারী চক্র, না থাকবে কোন ভারাটিয়া হত্যাকারী দল, না থাকবে সুপারীশ করার মত কোন চাচা-মামু, না থাকবে ঘোষ হিসেবে পেশ করার জন্য অঢেল সম্পদ।
* ঐ দুঃখ্য ভরাক্রান্ত পথ কোন বিষাক্ত প্রাণীর আতঙ্কের ন্যয় আতঙ্ক ময় হবে।
মাটির ঘর, মাটির বিছানা, আলো-বাতাশ শুন্য, পোকামাকর, বিষাক্ত সাপ বিচ্ছু, সর্বোপরী অন্ধ মূর্ক ফেরেশতা এসে দাড়াবে মাথার উপর.......! না থাকবে ভাগার সুযোগ না হবে সান্তি।
হে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমানদারগণ! সু সংবাদ দাতা ও সর্তক কারী রূপে প্রেরিত রাসূল মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের) বাণীসমূহ মনোযোগ সহকারে শোন!
( مارأيت منظر قط إلا القبر انقلع منه )
অর্থঃ “আমি কবরের চেয়ে অধিক ভিতিকর স্থান আর কোথাও দেখি নাই।” (তিরমিযী)
হে পৃথিবীর স্বাদে ও আনন্দে উন্মাদ ব্যক্তিবর্গ।
হে রঙিন ও মনপুত পৃথিবীর মরিচিকার প্রতি আকর্ষিত ব্যক্তি বর্গ।
হে সুন্দর পৃথিবীর সুন্দর্যে মিশে যাওয়া ব্যক্তি বর্গ।
হে চিরস্থায়ী ঠিকানাকে ভুলে গিয়ে অস্থায়ী ঠিকানার অন্বেশন কারীরা!
* ঐ দুঃখ্য ভরাক্রান্ত পথ অন্দকার রাতের ন্যায় হবে।
সেখানে না থাকবে সূর্যের কিরণ না চাঁদের আলো, না থাকবে কোন তারকা রাজীর আলো, না কোন ইলিকট্রিক বাল্পের আলো, না কোন সাধারণ চেরাগের আলো, না চোখে পরবে কোন জোনাকী পোকার ঝাক।
* ঐ দুঃখ্য ভরাক্রান্ত পথে একক কোন মরুচারীর ন্যায় হবে।
সেখানে না থাকবে পিতা-মাতা, না স্ত্রী-সন্তান, না কোন সহানুভূতিশীল, না কোন সান্তনা দাতা, না কোন পীর-মোরশেদ, না থাকবে অবস্থা সম্পর্কে কোন জিজ্ঞাস কারী, না কোন সমস্যা দূর কারী, না থাকবে কোন সংরক্ষন কারী, না কোন দেহ রক্ষী, সেখানে না থাকবে কোন দল, না কোন দল নেতা, না থাকবে কোন সভাপতী না কোন মন্ত্রীত্বের বড়াই। না থাকবে সিনেট ও এসেম্বলীর কোন ঠাট বাট, না আদালতের কোন কঠোরতার হুমকী, না থাকবে পুলিশী শাসন, না কোন প্রতিরক্ষা বাহিনীর রেংকের জাঁক জমক, না থাকবে সরকারী উচ্চপদস্ত কোন কর্মকর্তা, না থাকবে জমিদারিত্বের কোন অহংকার, না থাকবে কোন অপহরণ কারী চক্র, না থাকবে কোন ভারাটিয়া হত্যাকারী দল, না থাকবে সুপারীশ করার মত কোন চাচা-মামু, না থাকবে ঘোষ হিসেবে পেশ করার জন্য অঢেল সম্পদ।
* ঐ দুঃখ্য ভরাক্রান্ত পথ কোন বিষাক্ত প্রাণীর আতঙ্কের ন্যয় আতঙ্ক ময় হবে।
মাটির ঘর, মাটির বিছানা, আলো-বাতাশ শুন্য, পোকামাকর, বিষাক্ত সাপ বিচ্ছু, সর্বোপরী অন্ধ মূর্ক ফেরেশতা এসে দাড়াবে মাথার উপর.......! না থাকবে ভাগার সুযোগ না হবে সান্তি।
হে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমানদারগণ! সু সংবাদ দাতা ও সর্তক কারী রূপে প্রেরিত রাসূল মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের) বাণীসমূহ মনোযোগ সহকারে শোন!
( مارأيت منظر قط إلا القبر انقلع منه )
অর্থঃ “আমি কবরের চেয়ে অধিক ভিতিকর স্থান আর কোথাও দেখি নাই।” (তিরমিযী)