১
কবরের বর্ণনা
লেখকঃ মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৭
হে প্রভূ তুমি আমাকে ক্ষমা কর এবং আমার প্রতি অনুগ্রহ কর
হে বিশ্ব প্রভূ! আকাশ, যমিন ও এর মধ্যবর্তী সবকিছুর সৃষ্টি কর্তা ও মালিক তুমিই। আকাশ, যমিন ও এর মধ্যবর্তী সবকিছুর ভরণ-পোষণ কারী তুমিই। আকাশ, যমিন ও এর মধ্যবর্তী সবকিছুর পরিচালনা কারী তুমিই। আকাশ, যমিন ও এর মধ্যবর্তী সবকিছুর লালন পালন কারী তুমিই। সর্ব প্রকার প্রশংসার মালিক ও তুমিই।
ইয়া জাল জালালে ওয়াল ইকরাম!
তুমি তোমার সত্ত্বা ও গুণাবলিতে একক। তোমার কোন তুলনা নেই। তোমার কোন সমকক্ষ ও সমপর্যায়ের কোন কিছু নেই। তুমি সর্ব প্রকার ক্রটি মুক্ত। সর্ব প্রকার প্রশংসার উপযুক্ত এক মাত্র তুমিই।
ইয়া আকরামাল আকরামীন!
তুমি সমস্ত বিচারকদের বিচারক, তুমি সমস্ত দয়াবানদের চেয়ে বড় দয়াবান, সমস্ত করুনা কারীদের চেয়ে বড় করুনা কারী, সমস্ত ইজ্জত ময়দের চেয়ে বড় ইজ্জত ময়। সমস্ত আত্ব সম্ভ্রমবোধ সম্পন্নদের চেয়ে অধিক আত্বসম্ভ্রমবোধ সম্পন্ন। সর্ব প্রকার প্রশংসার উপযুক্ত এক মাত্র তুমিই।
ইয়া আরহামাররাহিমীন!
কিতাব অবতীর্ণ কারী তুমিই। মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ্কে রাসূল বানিয়ে প্রেরণ কারীও তুমিই। মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সু সংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শন কারী রুপে প্রেরণ কারীও তুমিই। মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দয়ালু রুপে প্রেরণ কারীও তুমিই। আমাদেরকে সর্বোত্ত উম্মতের মর্যাদা দাতা তুমিই। আমাদের জন্য দ্বীনের উপর চলা সহজ কারী তুমিই। সর্ব প্রকার প্রশংসার উপযুক্ত এক মাত্র তুমিই।
ইয়া আজওয়াদাল আজওয়াদীন!
আমাদের এ দীর্ঘ জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কল্যাণ ও সুস্থতার সাথে অতিবাহিত করার তাওফীক দাতাও তুমিই। আর এখন এ জীবন সফর অতিক্রম করা, জীবনের তরীকে সহিহ সালামতে তটে ভিরানোর মালিক ও তুমিই। সামনে যে জীবন আসছে এর প্রতিটি মুহূর্তকে আমি তোমার ক্ষমা ও করুনা, দয়া ও অনুগ্রহ, রহমত ও মাগফেরাতের মোখাপেক্ষী, তোমার অমোখাপেক্ষী দরবারে তোমার গোনাগার, অন্যায় কারী বান্দা হাত পেতে তোমার দয়া ও করুনা কামনা করছে।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনা দিয়ে আমাদের জন্য মৃত্যু জন্ত্রনার মুহূর্তটিকে সহজতর করে তোল।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় মৃত্যুর সময় রহমতের ফেরেশতা প্রেরণ করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় মৃত্যুর সময় “লাইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলা নসীব করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের রুহের জন্য আকাশের দরজা খুলে দিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভু! তোমার দয়া ও করুনায় তোমার বিশ্বাস ভাজন ফেরেশতাদেরকে আমাদের ব্যাপারে সাক্ষী করি ও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের নামসমূহ ইল্লিয়ীনে লিখার ফরমান জারি করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় কবরের ভয়, চিন্তা ও একাকীত্ব থেকে রক্ষা করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভু! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের কবরকে ১৪ তারিখের চাঁদের আলোর ন্যায় আলোক ময় করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের কবরকে যতদূর চোখের দৃষ্টি যায় ততদূর পর্যন্ত প্রশস্ত করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের কবরকে জান্নাতের বাগান সমূহের মধ্যে একটি বাগান বানাও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! আমরা গোনাগার, অন্যায় কারী, তোমার দয়া ও অনুগ্রহের ভিক্ষুক আমরা তোমার দয়া ও অনুগ্রহ কামনা করছি।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার বেশুমার দয়ায় আমাদের ঝুলি সমূহ ভরে দাও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! আমাদের প্রতি রহম কর। হে আমাদের ক্ষমাশীল প্রভূ! তুমি আমাদের প্রতি রহম কর।
হে আমাদের অনুগ্রহ কারীও দাতা প্রভূ আমাদের প্রতি রহম কর।
হে আমাদের প্রভূ (তুমি আমাদের গোনাসমূহ) ক্ষমা কর, (আমাদের প্রতি) রহম কর তুমি সর্বোত্তম রহম কারী। (সূরা মোমেনুন- ১১৮)
সমাপ্ত
ইয়া জাল জালালে ওয়াল ইকরাম!
তুমি তোমার সত্ত্বা ও গুণাবলিতে একক। তোমার কোন তুলনা নেই। তোমার কোন সমকক্ষ ও সমপর্যায়ের কোন কিছু নেই। তুমি সর্ব প্রকার ক্রটি মুক্ত। সর্ব প্রকার প্রশংসার উপযুক্ত এক মাত্র তুমিই।
ইয়া আকরামাল আকরামীন!
তুমি সমস্ত বিচারকদের বিচারক, তুমি সমস্ত দয়াবানদের চেয়ে বড় দয়াবান, সমস্ত করুনা কারীদের চেয়ে বড় করুনা কারী, সমস্ত ইজ্জত ময়দের চেয়ে বড় ইজ্জত ময়। সমস্ত আত্ব সম্ভ্রমবোধ সম্পন্নদের চেয়ে অধিক আত্বসম্ভ্রমবোধ সম্পন্ন। সর্ব প্রকার প্রশংসার উপযুক্ত এক মাত্র তুমিই।
ইয়া আরহামাররাহিমীন!
কিতাব অবতীর্ণ কারী তুমিই। মোহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ্কে রাসূল বানিয়ে প্রেরণ কারীও তুমিই। মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সু সংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শন কারী রুপে প্রেরণ কারীও তুমিই। মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দয়ালু রুপে প্রেরণ কারীও তুমিই। আমাদেরকে সর্বোত্ত উম্মতের মর্যাদা দাতা তুমিই। আমাদের জন্য দ্বীনের উপর চলা সহজ কারী তুমিই। সর্ব প্রকার প্রশংসার উপযুক্ত এক মাত্র তুমিই।
ইয়া আজওয়াদাল আজওয়াদীন!
আমাদের এ দীর্ঘ জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত কল্যাণ ও সুস্থতার সাথে অতিবাহিত করার তাওফীক দাতাও তুমিই। আর এখন এ জীবন সফর অতিক্রম করা, জীবনের তরীকে সহিহ সালামতে তটে ভিরানোর মালিক ও তুমিই। সামনে যে জীবন আসছে এর প্রতিটি মুহূর্তকে আমি তোমার ক্ষমা ও করুনা, দয়া ও অনুগ্রহ, রহমত ও মাগফেরাতের মোখাপেক্ষী, তোমার অমোখাপেক্ষী দরবারে তোমার গোনাগার, অন্যায় কারী বান্দা হাত পেতে তোমার দয়া ও করুনা কামনা করছে।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনা দিয়ে আমাদের জন্য মৃত্যু জন্ত্রনার মুহূর্তটিকে সহজতর করে তোল।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় মৃত্যুর সময় রহমতের ফেরেশতা প্রেরণ করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় মৃত্যুর সময় “লাইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলা নসীব করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের রুহের জন্য আকাশের দরজা খুলে দিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভু! তোমার দয়া ও করুনায় তোমার বিশ্বাস ভাজন ফেরেশতাদেরকে আমাদের ব্যাপারে সাক্ষী করি ও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের নামসমূহ ইল্লিয়ীনে লিখার ফরমান জারি করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় কবরের ভয়, চিন্তা ও একাকীত্ব থেকে রক্ষা করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভু! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের কবরকে ১৪ তারিখের চাঁদের আলোর ন্যায় আলোক ময় করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের কবরকে যতদূর চোখের দৃষ্টি যায় ততদূর পর্যন্ত প্রশস্ত করিও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার দয়া ও করুনায় আমাদের কবরকে জান্নাতের বাগান সমূহের মধ্যে একটি বাগান বানাও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! আমরা গোনাগার, অন্যায় কারী, তোমার দয়া ও অনুগ্রহের ভিক্ষুক আমরা তোমার দয়া ও অনুগ্রহ কামনা করছি।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! তোমার বেশুমার দয়ায় আমাদের ঝুলি সমূহ ভরে দাও।
হে আমাদের দয়া ও করুনাময় প্রভূ! আমাদের প্রতি রহম কর। হে আমাদের ক্ষমাশীল প্রভূ! তুমি আমাদের প্রতি রহম কর।
হে আমাদের অনুগ্রহ কারীও দাতা প্রভূ আমাদের প্রতি রহম কর।
হে আমাদের প্রভূ (তুমি আমাদের গোনাসমূহ) ক্ষমা কর, (আমাদের প্রতি) রহম কর তুমি সর্বোত্তম রহম কারী। (সূরা মোমেনুন- ১১৮)
সমাপ্ত