hadith book logo

কবরের বর্ণনা

লেখকঃ মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩

প্রশংসনীয় পদক্ষেপ

( الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على عبده ورسوله محمد سيد المرسلین وعلى آله وصحبه ومن اهتدى بهديه الى يوم الدين، أما بعد )

যখন ইসলামের দাওয়াত শুরু হয়, তখন এ দাওয়াতের প্রতি বিশ্বাসীদের সামনে শুধু একটি রাস্তাই খোলা ছিল যে, এ পথের আহবায়ক মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যে দিক নির্দেশনা আসে, তা গ্রহণ করা। আর যা থেকে তিনি বাধা দেন, তা থেকে বিরত থাকা। এ দাওয়াত যখন সামনে অগ্রসর হতে থাকল তখন এ মূল নীতিটি বারংবার বিভিন্ন ভাবে লোকদেরকে শিক্ষা দেয়া হয়েছে। এরশাদ হয়েছে–

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اَطِیۡعُوا اللّٰہَ وَ اَطِیۡعُوا الرَّسُوۡلَ وَ لَا تُبۡطِلُوۡۤا اَعۡمَالَکُمۡ ﴿۳۳﴾

অর্থঃ “হে ঈমানদ্বারগণ তোমরা আল্লাহ্‌র অনুসরণ কর এবং তাঁর রাসূলের অনুসরণ কর। তোমরা তোমাদের আমল সমূহকে বিনষ্ট কর না।” (সূরা মোহাম্মদ - ৩৩)

যতক্ষণ পর্যন্ত উম্মত এ মূল নীতির উপর অটল ছিল, ততক্ষণ কল্যাণ ও মুক্তি তাদের পদ লেহান করেছে। কিন্ত যখন উম্মতের মধ্যে সচ্ছলতা বৃদ্ধি পেয়েছে, তখন দার্শনিকদের বিভিন্ন দল তৈরী হয়েছে, যারা আক্বীদা, বিধি-বিধান, মূল নীতি ও শাখা নীতিকে তাদের নিজস্ব দর্শনের আলোকে মেপে, উম্মতের মাঝে নিজেদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করেছে। ফলে এর রেজাল্ট এদাড়াল যে উম্মত পশ্চাদ মুখী হতে লাগল। ইমাম মালেক (রাহিমাহুল্লাহ) এর অত্যন্ত উপযুক্ত সমাধান পেশ করেছেন। এবলে যে,

( لن يصلح آخر هذه الأمة إلا بما صلح اولها )

পূর্ববর্তী উম্মতগণ যে মতালম্বনে বিশুদ্ধ হয়েছিল, তা ব্যতিরেকে পরবর্তীগণ কখনো বিশুদ্ধ হতে পারে না। অর্থাৎ নিরংকুশ কিতাব ও সুন্নাতের অনুসরণ। দুঃখ্য জনক হল এই যে, উম্মতকে দর্শনের ঐ বিষ বাষ্প আজও গ্রাস করে রেখেছে, আর তারা এর অনুসরণে পশ্চাদ মুখী হচ্ছে। এরও সামাধান ঐ কথাই যা ইমাম মালেক (রাহিমাহুল্লাহ) বলে গেছেন।