hadith book logo

মহা উপদেশ (‘আদী ইবন মুসাফিরের অনুসারীদের এর কাছে লেখা চিঠি)

লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৪

তাওহীদের গুরুত্ব:

এগুলো হলো তাওহীদকে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে যা দীনের মৌলিকত্ব ও দীনের মূল। এগুলো ছাড়া আল্লাহ তা‘আলা কারো আমল কবুল করেন না। তাওহীদের বাস্তবায়নকারীকে আল্লাহ তা‘আলা ক্ষমা করে দিবেন; কিন্তু তাওহীদ বর্জনকারীকে ক্ষমা করবেন না। এ মর্মে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغۡفِرُ أَن يُشۡرَكَ بِهِۦ وَيَغۡفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُۚ وَمَن يُشۡرِكۡ بِٱللَّهِ فَقَدِ ٱفۡتَرَىٰٓ إِثۡمًا عَظِيمًا ٤٨﴾ [ النساء : ٤٨ ]

“নিশ্চয় আল্লাহ তার সঙ্গে শরীক করা ক্ষমা করবেন না। এটা ছাড়া অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছে ক্ষমা করবেন এবং যে আল্লাহ তা‘আলার সাথে শরীক করল, সে এক মহা অপবাদ আরোপ করল”। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৪৮]

এ কারণে তাওহীদের কালেমা সর্বোত্তম ও উৎকৃষ্ট বাক্য। এর মহা নিদর্শন আল কুরআনের আয়াতুল কুরসি। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ٱللَّهُ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡحَيُّ ٱلۡقَيُّومُۚ لَا تَأۡخُذُهُۥ سِنَةٞ وَلَا نَوۡمٞۚ ٢٥٥﴾ [ البقرة : ٢٥٥ ]

“আল্লাহ তা‘আলা, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী। তাকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা (ঘুম) স্পর্শ করে না”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৫৫]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«من كان آخر كلامه لا إله إلا الله دخل الجنة»

“যার শেষ কালেমা হবে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ‘আল্লাহ তা‘আলা ছাড়া প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই’ সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [সুনান আবু দাউদ, হাদীস নং ৩১১৬] ইলাহ হলো ঐ মহান সত্তা যার দিকে অন্তর ঝুঁকে পড়ে, তাঁর ইবাদতের জন্য, তার সাহায্য কামনায়, তার আশায়, তার ভয়ে, তার সম্মানে ও ইজ্জতে।