hadith book logo

মহা উপদেশ (‘আদী ইবন মুসাফিরের অনুসারীদের এর কাছে লেখা চিঠি)

লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৮

চার খলিফার মধ্যে শ্রষ্টত্বের আলোচনা:

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের ঐকমতে মুতাওয়াতির সূত্রে আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পর এ উম্মতের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি হলেন আবু বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা।

উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর মৃত্যুর পর উসমান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-ই এর খেলাফত গ্রহণের বায়‘আতের ওপর সাহাবীগণ একমত হয়েছিলেন।

এ প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم تصير ملكا»

“নবুওয়াতী খেলাফত থাকবে ত্রিশ বছর। অতঃপর রাজতন্ত্রে পরিণত হবে”। [আবু দাউদ, হাদীস নং ১২; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৪২]

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«عليكم بسنتي وسنة الخلفاء الراشدين المهديين من بعدي، تمسكوا بها وعضوا عليها بالنواجذ، وإياكم ومحدثات الأمور فإن كل بدعة ضلالة»

“আমার পর আমার সুন্নাত ও হিদায়েত প্রাপ্ত সঠিক পথের অনুসারী খলিফাদের সুন্নাহ গ্রহণ করা তোমাদের প্রতি অপরিহার্য। তোমরা তা গ্রহণ করবে এবং মাড়ির দাঁত দিয়ে শক্ত করে ধরে রাখবে। আর দীনের মধ্যে নতুন আবিষ্কার থেকে দূরে থাকবে। কারণ দীনের মধ্যে নতুন সৃষ্টি সবই পথভ্রষ্ট”।

আর আমীরুল মুমিনীন আলী ইবন আবী তালিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু, হিদায়াতপ্রাপ্ত সঠিক পথের অনুসারী খলিফাদের সর্বশেষ ছিলেন।

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আতের সাধারণ মানুষ, আলেম নেতৃবর্গ ও সৈন্যবাহিনী সবাই সাহাবীগণের মর্যাদার বিষয়ে একমত যে, প্রথম স্তরে আবু বকর, তারপর উমার, তারপর উসমান, তারপর আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম। এ মর্মে দলীলসমূহ সাহাবীগণের ফযীলত বিষয়ক বহু হাদীস বিদ্যমান। এ ক্ষুদ্র পরিসরে তা আলোচনা করা সম্ভব নয়।