১
মহা উপদেশ (‘আদী ইবন মুসাফিরের অনুসারীদের এর কাছে লেখা চিঠি)
লেখকঃ শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩০
আহলে বাইতদের হক:
অনুরূপভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবার-বংশধরের প্রতিও মুসলিম জাতির অধিকার আছে। তাদেরকে দেখাশুনা করা মুসলিম কর্ণধারদের ওপর ফরয। কেননা বিনা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ ও যুদ্ধ লব্ধ সম্পদের এক পঞ্চমাংশ আল্লাহ তা‘আলা তাদের জন্যে ধার্য করে দিয়েছেন। এমনকি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর দরুদ পাঠের সময় তার বংশধরকে অন্তর্ভুক্ত করে দরুদ পাঠের নির্দেশ দিয়েছেন। আমাদের জন্য বলেন, তোমরা বল,
«اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ»
“হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার বংশধরের ওপর সালাত বর্ষণ কর। যেমন তুমি ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরের ওপর বর্ষণ করেছ, নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার বংশধরের ওপর বরকত নাযিল কর। যেমন তুমি ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরের ওপর বরকত নাযিল করেছ। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩০৫]
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বংশধর তারা যাদের ওপর যাকাত-সদকা খাওয়া হারাম ছিল। ইমাম শাফে‘ঈ রহ., আহমাদ ইবন হাম্বল রহ.-সহ অনেকেই এ কথা বলেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إن الصدقة لا تحل لمحمد ولا لآل محمد»
“যাকাত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবারের জন্যে হালাল নয়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৭২]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُذۡهِبَ عَنكُمُ ٱلرِّجۡسَ أَهۡلَ ٱلۡبَيۡتِ وَيُطَهِّرَكُمۡ تَطۡهِيرٗا ٣٣﴾ [ الاحزاب : ٣٣ ]
“হে নবী পরিবার, আল্লাহ তা‘আলা তো শুধু চান তোমাদের হতে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে”। [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৩]
মহান আল্লাহ তা‘আলা তাদের ওপর যাকাত হারাম করেছেন। কেননা, তা মানুষের ময়লা। কোনো কোন সালাফ বা পূর্বসূরি আলেম বলেছেন, আবু বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমাকে ভালোবাসা ঈমান এবং তাদের সঙ্গে ঈর্ষা করা মুনাফিকী। আর বনী হাশিমকে ভালোবাসা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত ও তাদের প্রতি ঈর্ষা পোষণ করা নিফাকী-পাপ।
মুসনাদ ও সুনান গ্রন্থাবলীতে রয়েছে, যখন কতিপয় সম্প্রদায় বনী হাশিমের ওপর অত্যাচার করছিল তখন আব্বাস সে বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অভিযোগ করলে, তিনি আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
«والذي نفسي بيده لا يدخلون الجنة حتى يحبوكم من أجلي»
“হে জন সমাজ! যে মহান সত্ত্বার হাতে আমার জীবন তার শপথ করে বলছি, আমার কারণে তোমরা বনী হাশিমকে মহব্বত না করলে জান্নাতে যেতে পারবে না”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৩৬৪]
সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إن الله اصطفى بني إسماعيل، واصطفى بني كنانة من بني إسماعيل، واصطفى قريشا من كنانة، واصطفى بني هاشم من قريش، واصطفاني من بني هاشم»
“আল্লাহ তা‘আলা বনী ইসমাঈলকে মনোনিত করেছেন, বনী ইসমাইল থেকে বনী কিনানাকে মনোনিত করেছেন। বনী কিনানা থেকে কুরাইশকে বাছাই করে নিয়েছেন। কুরাইশ গোত্র থেকে বনী হাশিমকে নির্বাচিত করেছেন”। [মুসলিম, হাদীস নং ২২৭৬]
«اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلٰى إِبْرَاهِيمَ وَعَلٰى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ»
“হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার বংশধরের ওপর সালাত বর্ষণ কর। যেমন তুমি ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরের ওপর বর্ষণ করেছ, নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার বংশধরের ওপর বরকত নাযিল কর। যেমন তুমি ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও তার বংশধরের ওপর বরকত নাযিল করেছ। নিশ্চয় তুমি প্রশংসিত ও সম্মানিত”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৩০৫]
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বংশধর তারা যাদের ওপর যাকাত-সদকা খাওয়া হারাম ছিল। ইমাম শাফে‘ঈ রহ., আহমাদ ইবন হাম্বল রহ.-সহ অনেকেই এ কথা বলেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
«إن الصدقة لا تحل لمحمد ولا لآل محمد»
“যাকাত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবারের জন্যে হালাল নয়”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১০৭২]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿إِنَّمَا يُرِيدُ ٱللَّهُ لِيُذۡهِبَ عَنكُمُ ٱلرِّجۡسَ أَهۡلَ ٱلۡبَيۡتِ وَيُطَهِّرَكُمۡ تَطۡهِيرٗا ٣٣﴾ [ الاحزاب : ٣٣ ]
“হে নবী পরিবার, আল্লাহ তা‘আলা তো শুধু চান তোমাদের হতে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে”। [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৩৩]
মহান আল্লাহ তা‘আলা তাদের ওপর যাকাত হারাম করেছেন। কেননা, তা মানুষের ময়লা। কোনো কোন সালাফ বা পূর্বসূরি আলেম বলেছেন, আবু বকর ও উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমাকে ভালোবাসা ঈমান এবং তাদের সঙ্গে ঈর্ষা করা মুনাফিকী। আর বনী হাশিমকে ভালোবাসা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত ও তাদের প্রতি ঈর্ষা পোষণ করা নিফাকী-পাপ।
মুসনাদ ও সুনান গ্রন্থাবলীতে রয়েছে, যখন কতিপয় সম্প্রদায় বনী হাশিমের ওপর অত্যাচার করছিল তখন আব্বাস সে বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অভিযোগ করলে, তিনি আব্বাসকে উদ্দেশ্য করে বলেন,
«والذي نفسي بيده لا يدخلون الجنة حتى يحبوكم من أجلي»
“হে জন সমাজ! যে মহান সত্ত্বার হাতে আমার জীবন তার শপথ করে বলছি, আমার কারণে তোমরা বনী হাশিমকে মহব্বত না করলে জান্নাতে যেতে পারবে না”। [তিরমিযী, হাদীস নং ৩৬৪]
সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«إن الله اصطفى بني إسماعيل، واصطفى بني كنانة من بني إسماعيل، واصطفى قريشا من كنانة، واصطفى بني هاشم من قريش، واصطفاني من بني هاشم»
“আল্লাহ তা‘আলা বনী ইসমাঈলকে মনোনিত করেছেন, বনী ইসমাইল থেকে বনী কিনানাকে মনোনিত করেছেন। বনী কিনানা থেকে কুরাইশকে বাছাই করে নিয়েছেন। কুরাইশ গোত্র থেকে বনী হাশিমকে নির্বাচিত করেছেন”। [মুসলিম, হাদীস নং ২২৭৬]