hadith book logo

সংক্ষিপ্ত ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব

লেখকঃ সাইয়্যেদ মাহমূদ শুকরী আলূসী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২০

১৮। দলীয় নীতির বিরোধী হওয়ায় সত্যকে অস্বীকার করা

জাহেলী যুগের লোকদের অন্যতম স্বভাব ছিল এই যে, তারা কেবল সেই সকল সত্যকে স্বীকার করতো, যেগুলি তাদের গোত্র বা সম্প্রদায় মেনে নিত।

আল্লাহ তা‘আলা ইয়াহূদীদের স্বভাব বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন :

وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ آَمِنُوا بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ قَالُوا نُؤْمِنُ بِمَا أُنْزِلَ عَلَيْنَا وَيَكْفُرُونَ بِمَا وَرَاءَهُ وَهُوَ الْحَقُّ مُصَدِّقًا لِمَا مَعَهُمْ قُلْ فَلِمَ تَقْتُلُونَ أَنْبِيَاءَ اللَّهِ مِنْ قَبْلُ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ ﴿سورة البقرة : 91﴾

‘যখন তাদেরকে কুরআনের প্রতি ঈমান আনতে বলা হলো তখন তারা বললো- আমাদের নিকট যে কিতাব নাযিল হয়েছে কেবল তার উপরেই আমরা ঈমান আনবো। (এই ভাবে) তারা এর বাইরে সব কিছুকে অস্বীকার করে। অথচ কুরআন হল সত্য এবং তাদের নিকট ইতোপূর্বে আগত কিতাবসমূহের সত্যায়নকারী। (হে নবী!) আপনি বলে দিন যে, তোমরা যদি (তাওরাতের প্রতি) সত্যিকারের বিশ্বাসী হয়ে থাকো তাহলে কেন ইতোপূর্বে আল্লাহর নবীদেরকে হত্যা করেছিলে?’ (সূরা আল-বাক্বারা, ২ : আয়াত ৯১)

এখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথার উত্তরে স্পষ্ট ভাষায় তারা বলে দিয়েছে যে, তারা চিরকাল তাওরাতের ও তার আদেশ-নিষেধের উপরই ঈমান রাখবে। এ কথাও পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে যে, কুরআনের উপরে তারা ঈমান আনতে চায় না এই হিংসা ও হঠকারিতার কারণে যে তা তাদের বর্ণের মধ্যে কারোর উপরে নাযিল হয়নি।