১
সংক্ষিপ্ত ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব
লেখকঃ সাইয়্যেদ মাহমূদ শুকরী আলূসী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৮
৮৯। দুনিয়ার ঐশ্বর্যকে বড় করে দেখা (ধন সম্পদের অহংকার)
এটাও জাহেলী যুগের একটা রীতি। শেষ নবীর বিরুদ্ধে আরবদের এক যুক্তি ছিল যে,
وَقَالُوا لَوْلَا نُزِّلَ هَذَا الْقُرْءانُ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الْقَرْيَتَيْنِ عَظِيمٍ ﴿31﴾ أَهُمْ يَقْسِمُونَ رَحْمَةَ رَبِّكَ نَحْنُ قَسَمْنَا بَيْنَهُمْ مَعِيشَتَهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَرَفَعْنَا بَعْضَهُمْ فَوْقَ بَعْضٍ دَرَجَاتٍ لِيَتَّخِذَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا سُخْرِيًّا وَرَحْمَةُ رَبِّكَ خَيْرٌ مِمَّا يَجْمَعُونَ ﴿32﴾ ( سورة الزخرف : 31-32)
‘এই কুরআন কেন (মক্কা ও তায়েফের) দুই প্রধান জনপদের কোনো ব্যক্তির উপর নাযিল হলো না? তারা কি আপনার প্রভুর রহমত (অর্থাৎ পবিত্র কুরআন) (নিজেদের ইচ্ছামত) বন্টন করে নিতে চায়? আমরাই তাদের জীবন-জিন্দেগীতে তাদের মধ্যে জীবিকা বন্টন করে থাকি এবং একজনকে অপর জনের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে থাকি, যাতে তারা একে অপর থেকে কাজ নিতে পারে। তারা যেসব ধন-সম্পদ জমা করেছে, তার চাইতে আপনার প্রভুর দেওয়া রহমত (নবুওত ও অন্যান্য যে সব বস্তু ইহকাল ও পরকালের সৌভাগ্য আনয়ন করে) অনেক উত্তম’। (সূরা আয-যুখরুফ, ৪৩: আয়াত ৩১-৩২)
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, যে দুই প্রধান জনপদের মধ্যে মক্কার ছিলেন ওলিদ ইবন মুগীরা আল মাখযুমী এবং তায়েফে ছিলেন হাবীব ইবন উমর ইবন উমায়ের আছ-ছাক্কাফী। দু’জনেই ছিলেন প্রভুত মান-সম্মান ও ধন সম্পদের অধিকারী। অলীদ ইবন মুগীরা- যাকে কুরাইশের ‘‘থোকা ফুল বা রায়হানাতু কুরাইশ বলা হতো- তিনি বলতেন, যদি মুহাম্মাদের কথাই সব সত্যি হতো, তাহলে তা (অর্থাৎ কুরআন) আমার উপর নাযিল হতো অথবা আবু মাসউদের উপর।
মোটকথা, ধন-সম্পদ সঞ্চয় কোনো প্রকৃত সঞ্চয় নয়, বরং নশ্বর দুনিয়ার সঞ্চয়ের চেয়ে আখিরাতের সঞ্চয়ই বড় সঞ্চয়। অথচ প্রিয় পাঠক! তুমি দেখবে আমাদের সমাজে বহু লোকের মধ্যে ব্যাপকহারে ঢুকে পড়েছে। তুমি দেখতে পাবে যে, একজন তিনি যত বড় বিদ্বান হোন না কেন, যদি তিনি দরিদ্র হন, তাহলে লোকেরা তাকে কোনই মূল্য দিবে না। বরং তার ধনী লোকের দিকে তাকিয়ে থাকবে ও তাদের কথার মূল্য দিবে। এ জন্যেই তো রাসূলুল্লাহ এর কবি হাসসান ইবন ছাবিত রা. কবিতা রচনা করেন- যার অর্থ নিম্নরূপ :
‘দরিদ্রতা বহু জ্ঞানী-ধৈর্য্যশীলকে ধ্বংস করেছে। পক্ষান্তরে বহু মূর্খ লোক স্বচ্ছলতার মধ্যে ডুবে আছে।’
وَقَالُوا لَوْلَا نُزِّلَ هَذَا الْقُرْءانُ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الْقَرْيَتَيْنِ عَظِيمٍ ﴿31﴾ أَهُمْ يَقْسِمُونَ رَحْمَةَ رَبِّكَ نَحْنُ قَسَمْنَا بَيْنَهُمْ مَعِيشَتَهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَرَفَعْنَا بَعْضَهُمْ فَوْقَ بَعْضٍ دَرَجَاتٍ لِيَتَّخِذَ بَعْضُهُمْ بَعْضًا سُخْرِيًّا وَرَحْمَةُ رَبِّكَ خَيْرٌ مِمَّا يَجْمَعُونَ ﴿32﴾ ( سورة الزخرف : 31-32)
‘এই কুরআন কেন (মক্কা ও তায়েফের) দুই প্রধান জনপদের কোনো ব্যক্তির উপর নাযিল হলো না? তারা কি আপনার প্রভুর রহমত (অর্থাৎ পবিত্র কুরআন) (নিজেদের ইচ্ছামত) বন্টন করে নিতে চায়? আমরাই তাদের জীবন-জিন্দেগীতে তাদের মধ্যে জীবিকা বন্টন করে থাকি এবং একজনকে অপর জনের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ে থাকি, যাতে তারা একে অপর থেকে কাজ নিতে পারে। তারা যেসব ধন-সম্পদ জমা করেছে, তার চাইতে আপনার প্রভুর দেওয়া রহমত (নবুওত ও অন্যান্য যে সব বস্তু ইহকাল ও পরকালের সৌভাগ্য আনয়ন করে) অনেক উত্তম’। (সূরা আয-যুখরুফ, ৪৩: আয়াত ৩১-৩২)
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন, যে দুই প্রধান জনপদের মধ্যে মক্কার ছিলেন ওলিদ ইবন মুগীরা আল মাখযুমী এবং তায়েফে ছিলেন হাবীব ইবন উমর ইবন উমায়ের আছ-ছাক্কাফী। দু’জনেই ছিলেন প্রভুত মান-সম্মান ও ধন সম্পদের অধিকারী। অলীদ ইবন মুগীরা- যাকে কুরাইশের ‘‘থোকা ফুল বা রায়হানাতু কুরাইশ বলা হতো- তিনি বলতেন, যদি মুহাম্মাদের কথাই সব সত্যি হতো, তাহলে তা (অর্থাৎ কুরআন) আমার উপর নাযিল হতো অথবা আবু মাসউদের উপর।
মোটকথা, ধন-সম্পদ সঞ্চয় কোনো প্রকৃত সঞ্চয় নয়, বরং নশ্বর দুনিয়ার সঞ্চয়ের চেয়ে আখিরাতের সঞ্চয়ই বড় সঞ্চয়। অথচ প্রিয় পাঠক! তুমি দেখবে আমাদের সমাজে বহু লোকের মধ্যে ব্যাপকহারে ঢুকে পড়েছে। তুমি দেখতে পাবে যে, একজন তিনি যত বড় বিদ্বান হোন না কেন, যদি তিনি দরিদ্র হন, তাহলে লোকেরা তাকে কোনই মূল্য দিবে না। বরং তার ধনী লোকের দিকে তাকিয়ে থাকবে ও তাদের কথার মূল্য দিবে। এ জন্যেই তো রাসূলুল্লাহ এর কবি হাসসান ইবন ছাবিত রা. কবিতা রচনা করেন- যার অর্থ নিম্নরূপ :
‘দরিদ্রতা বহু জ্ঞানী-ধৈর্য্যশীলকে ধ্বংস করেছে। পক্ষান্তরে বহু মূর্খ লোক স্বচ্ছলতার মধ্যে ডুবে আছে।’