১
সংক্ষিপ্ত ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব
লেখকঃ সাইয়্যেদ মাহমূদ শুকরী আলূসী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
১। নেককারদের দু‘আ
জাহেলী যুগে আরবের লোকেরা আল্লাহর নিকট দু‘আ এবং ইবাদত করার সময় নেককার লোকদের শরীক করতো। তারা একে নেককার লোকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন মনে করতো এবং এর দ্বারা তারা আল্লাহর নিকট তাদের শাফাআত বা সুপারিশ কামনা করতো।
আল্লাহ সূরা যুমারের প্রথম দিকে ইরশাদ করেন-
وَالَّذِينَ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُونَا إِلَى اللَّهِ زُلْفَى﴿ سورة الزمر : 3﴾
‘যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে অলী-বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করে, তারা বলে আমরা ওদের ইবাদত করি কেবলমাত্র এই জন্য যে, ওরা আমাদেরকে আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্যে পৌঁছে দেবে।’ (সূরা যুমার, ৩৯ : আয়াত-৩)
অন্যত্র আল্লাহ বলেন-
وَيَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ وَيَقُولُونَ هَؤُلَاءِ شُفَعَاؤُنَا عِنْدَ اللَّهِ . ﴿سورة يونس : 18﴾
‘ওরা আল্লাহকে ছেড়ে এমন কিছুর ইবাদত করে, যারা তাদের না কোনো ক্ষতি করতে পারে, না কোনো উপকার করতে পারে এবং ওরা বলে এরাই আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট শাফাআতকারী।’ (সূরা য়ূনুস, ১০ : আয়াত ১৮)
ঐটি ছিল সব চেয়ে বড় বিষয় যে বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফিরদের বিরোধিতা করেছিলেন। অতঃপর তিনি ইখলাছ নিয়ে এলেন এবং লোকদের বলে দিলেন যে, এটা আল্লাহর দ্বীন এখানে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নিকট থেকে কিছু গ্রহণ করা হবে না। যেসব লোকেরা নিজেদের ইচ্ছামত কাজ করতে চায়, তাদের জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করেছেন এবং তাদের ঠিকানা জাহান্নাম।
এই উপরোক্তটিই হলো প্রকৃত দ্বীন। এরই কারণে মানব জাতি ‘মুসলিম’ ও ‘কাফির’ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। এই বিষয়টিকেই শত্রুতার মানদণ্ড ধরা হয়েছে এবং এরই কারণে জিহাদ আইন সংগত করা হয়েছে।
আল্লাহর ইরশাদ করেন-
وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّى لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ لِلَّهِ . ﴿سورة البقرة : 193﴾
‘তোমরা ওদের বিরুদ্ধে লড়াই করো যতক্ষণ পর্যন্ত না ফিৎনা বাকী থাকে এবং দ্বীন কেবলমাত্র আল্লাহর জন্য খালেছ হয়ে যায়।’ (সূরা বাক্বারাহ ২ : আয়াত ১৯৩)
আল্লাহ সূরা যুমারের প্রথম দিকে ইরশাদ করেন-
وَالَّذِينَ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ مَا نَعْبُدُهُمْ إِلَّا لِيُقَرِّبُونَا إِلَى اللَّهِ زُلْفَى﴿ سورة الزمر : 3﴾
‘যারা আল্লাহ ছাড়া অন্যকে অলী-বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করে, তারা বলে আমরা ওদের ইবাদত করি কেবলমাত্র এই জন্য যে, ওরা আমাদেরকে আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্যে পৌঁছে দেবে।’ (সূরা যুমার, ৩৯ : আয়াত-৩)
অন্যত্র আল্লাহ বলেন-
وَيَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ وَيَقُولُونَ هَؤُلَاءِ شُفَعَاؤُنَا عِنْدَ اللَّهِ . ﴿سورة يونس : 18﴾
‘ওরা আল্লাহকে ছেড়ে এমন কিছুর ইবাদত করে, যারা তাদের না কোনো ক্ষতি করতে পারে, না কোনো উপকার করতে পারে এবং ওরা বলে এরাই আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট শাফাআতকারী।’ (সূরা য়ূনুস, ১০ : আয়াত ১৮)
ঐটি ছিল সব চেয়ে বড় বিষয় যে বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফিরদের বিরোধিতা করেছিলেন। অতঃপর তিনি ইখলাছ নিয়ে এলেন এবং লোকদের বলে দিলেন যে, এটা আল্লাহর দ্বীন এখানে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নিকট থেকে কিছু গ্রহণ করা হবে না। যেসব লোকেরা নিজেদের ইচ্ছামত কাজ করতে চায়, তাদের জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করেছেন এবং তাদের ঠিকানা জাহান্নাম।
এই উপরোক্তটিই হলো প্রকৃত দ্বীন। এরই কারণে মানব জাতি ‘মুসলিম’ ও ‘কাফির’ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। এই বিষয়টিকেই শত্রুতার মানদণ্ড ধরা হয়েছে এবং এরই কারণে জিহাদ আইন সংগত করা হয়েছে।
আল্লাহর ইরশাদ করেন-
وَقَاتِلُوهُمْ حَتَّى لَا تَكُونَ فِتْنَةٌ وَيَكُونَ الدِّينُ لِلَّهِ . ﴿سورة البقرة : 193﴾
‘তোমরা ওদের বিরুদ্ধে লড়াই করো যতক্ষণ পর্যন্ত না ফিৎনা বাকী থাকে এবং দ্বীন কেবলমাত্র আল্লাহর জন্য খালেছ হয়ে যায়।’ (সূরা বাক্বারাহ ২ : আয়াত ১৯৩)