১
সংক্ষিপ্ত ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব
লেখকঃ সাইয়্যেদ মাহমূদ শুকরী আলূসী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৮
৩৬। যামানাকে গালি দেওয়া।
জাহেলী যুগের লোকেরা যামানাকে গালি দিত। যেমন তারা বলতো-
وَقَالُوا مَا هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَا إِلَّا الدَّهْرُ وَمَا لَهُمْ بِذَلِكَ مِنْ عِلْمٍ إِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ ﴿24﴾ ( سورة الجاثية : 24)
‘দুনিয়ার এই জীবনই সবকিছু। এখানেই আমরা মরি, এখানেই বাচি। কাল বা প্রকৃতিই আমাদেরকে ধ্বংস করে। আসলে এ ব্যাপারে তাদের কোনো জ্ঞানই নেই। তারা কেবল কল্পনা করছে মাত্র। (সূরা আল-জাছিয়া, ৪৫: আয়াত ২৪)
তারা তাদের সমস্ত ঘটনা-দূর্ঘটনাসমূহকে কালচক্রের দিকে সম্পর্কিত করতো। যামানাকে দোষারোপ করে তারা ভুরি ভুরি কবিতাও রচনা করেছে। কিন্তু তারা মোটেই প্রকৃতিবাদী ছিল না। তারা আল্লাহর অস্তিত্বকে স্বীকার করতো।
যামানাকে গালি দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত বহু হাদীস রয়েছে। যেমন, সহীহ মুসলিমের এক বর্ণনায় রয়েছে- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন যে, তোমরা যামানাকে গালি দিয়ো না। কেননা আল্লাহই যামানা (অর্থাৎ যামানার নিয়ামক)’। এমনিভাবে আবু দাউদ, হাকেম ও বায়হাক্বীতে বিভিন্ন বর্ণনায় দেখতে পাওয়া যায়।
মোটকথা, যারা দুনিয়ার বিভিন্ন ঘটনাসমূহকে আল্লাহ ব্যতীত যামানা প্রভৃতির দিকে সম্পর্কিত করে, তাদের পক্ষে কুরআন-হাদীস কিংবা বিবেকের কোনো সমর্থন নেই।
﴿ سُبۡحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يَقُولُونَ عُلُوّٗا كَبِيرٗا ٤٣ ﴾ [ الاسراء : ٤٣ ]
‘‘আল্লাহ কতইনা পবিত্র মহান, তিনি তাদের এসব কল্পিত কথার বহু ঊর্ধ্বে। (সূরা আল-ইসরা, ১৭: আয়াত ৪৩)
এ সব প্রকৃতিবাদীরা প্রাচীনকালের হোক বা আধুনিক কালের হোক, কট্টর জাহিল ছাড়া এরা কিছুই নয়। এই বাতিল আক্বীদায় বিশ্বাসী লোকের সংখ্যা আজকের দিনে ভুরি ভুরি। আল্লাহ আমাদের সাহায্য করুন।
وَقَالُوا مَا هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَا إِلَّا الدَّهْرُ وَمَا لَهُمْ بِذَلِكَ مِنْ عِلْمٍ إِنْ هُمْ إِلَّا يَظُنُّونَ ﴿24﴾ ( سورة الجاثية : 24)
‘দুনিয়ার এই জীবনই সবকিছু। এখানেই আমরা মরি, এখানেই বাচি। কাল বা প্রকৃতিই আমাদেরকে ধ্বংস করে। আসলে এ ব্যাপারে তাদের কোনো জ্ঞানই নেই। তারা কেবল কল্পনা করছে মাত্র। (সূরা আল-জাছিয়া, ৪৫: আয়াত ২৪)
তারা তাদের সমস্ত ঘটনা-দূর্ঘটনাসমূহকে কালচক্রের দিকে সম্পর্কিত করতো। যামানাকে দোষারোপ করে তারা ভুরি ভুরি কবিতাও রচনা করেছে। কিন্তু তারা মোটেই প্রকৃতিবাদী ছিল না। তারা আল্লাহর অস্তিত্বকে স্বীকার করতো।
যামানাকে গালি দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত বহু হাদীস রয়েছে। যেমন, সহীহ মুসলিমের এক বর্ণনায় রয়েছে- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন যে, তোমরা যামানাকে গালি দিয়ো না। কেননা আল্লাহই যামানা (অর্থাৎ যামানার নিয়ামক)’। এমনিভাবে আবু দাউদ, হাকেম ও বায়হাক্বীতে বিভিন্ন বর্ণনায় দেখতে পাওয়া যায়।
মোটকথা, যারা দুনিয়ার বিভিন্ন ঘটনাসমূহকে আল্লাহ ব্যতীত যামানা প্রভৃতির দিকে সম্পর্কিত করে, তাদের পক্ষে কুরআন-হাদীস কিংবা বিবেকের কোনো সমর্থন নেই।
﴿ سُبۡحَٰنَهُۥ وَتَعَٰلَىٰ عَمَّا يَقُولُونَ عُلُوّٗا كَبِيرٗا ٤٣ ﴾ [ الاسراء : ٤٣ ]
‘‘আল্লাহ কতইনা পবিত্র মহান, তিনি তাদের এসব কল্পিত কথার বহু ঊর্ধ্বে। (সূরা আল-ইসরা, ১৭: আয়াত ৪৩)
এ সব প্রকৃতিবাদীরা প্রাচীনকালের হোক বা আধুনিক কালের হোক, কট্টর জাহিল ছাড়া এরা কিছুই নয়। এই বাতিল আক্বীদায় বিশ্বাসী লোকের সংখ্যা আজকের দিনে ভুরি ভুরি। আল্লাহ আমাদের সাহায্য করুন।