১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
মহাশূন্যে বস্তুর অস্তিত্ব
প্রথম দিকে জ্যোতির্বিজ্ঞান পদ্ধতির সুসংগঠিত ধারার বাইরের স্থানকে শূন্য মনে করা হত। পরবর্তীতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এ আন্তর্জাতিক মহাশূন্যে বস্তুর সেতু আবিষ্কার করেন। বস্তুর এ সেতুগুলোকে প্লাজমা বলা হয়, যা সমান সংখ্যক মুক্ত ইলেকট্রন ও ধনাত্মক আয়নবিশিষ্ট সম্পূর্ণ আয়নিত গ্যাস দ্বারা তৈরি। অধিকাংশ সময়ে প্লাজমাকে বস্তুর চতুর্থ অবস্থা বলা হয় (অন্য পরিচিত তিনটি অবস্থা হল– কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয়)। কোরআন নিচের আয়াতে মহাশূন্যে এ বস্তুর উপস্থিতি সম্পর্কে বলেছে–
ۣالَّذِیۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ وَ مَا بَیۡنَہُمَا
অর্থ : তিনিই সেই সত্তা যিনি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মাঝে অবস্থিত সকল কিছু সৃষ্টি করেছেন। (সূরা ফোরকান : ৫৯)
তারপরও যদি কেউ বলে যে, মহাশূন্যে ছায়াপথবর্তী বস্তুর উপস্থিতি ১৪০০ বছর পূর্বে জানা গিয়েছিল, তাহলে তা সবার জন্য হাস্যকর ব্যাপার ছাড়া কিছুই হবে না।
ۣالَّذِیۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ وَ مَا بَیۡنَہُمَا
অর্থ : তিনিই সেই সত্তা যিনি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মাঝে অবস্থিত সকল কিছু সৃষ্টি করেছেন। (সূরা ফোরকান : ৫৯)
তারপরও যদি কেউ বলে যে, মহাশূন্যে ছায়াপথবর্তী বস্তুর উপস্থিতি ১৪০০ বছর পূর্বে জানা গিয়েছিল, তাহলে তা সবার জন্য হাস্যকর ব্যাপার ছাড়া কিছুই হবে না।