১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
চাঁদের আলো হচ্ছে প্রতিফলিত আলো
পূর্বেকার সভ্যতাগুলো বিশ্বাস করতো যে, চাঁদ তার নিজস্ব আলো দেয় কিন্তু বিজ্ঞান এখন আমাদেরকে বলছে যে, চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। চাঁদের আলো হচ্ছে প্রতিফলিত আলো। যাহোক, কোরআন ১৪০০ বছর পূর্বে নিচের আয়াতের মাধ্যমে এ সত্যটি বলে দিয়েছিল।
تَبٰرَکَ الَّذِیۡ جَعَلَ فِی السَّمَآءِ بُرُوۡجًا وَّ جَعَلَ فِیۡہَا سِرٰجًا وَّ قَمَرًا مُّنِیۡرًا
অর্থ : কল্যাণময় তিনি, যিনি নভোমণ্ডলের রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র। (সূরা ফুরকান-৬১)
কোরআনে সূর্যকে বুঝাতে (শামস) سمش শব্দটি ব্যবহৃত হয়। আবার سراج (সিরাজ) শব্দটি দ্বারাও সূর্যকে বুঝানো হয়ে থাকে, যার অর্থ হলো বাতি বা মশাল। অন্যত্র সূর্যকে বুঝাতে وهاجا سراج উল্লেখ করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, ‘প্রজ্বলিত বাতি’। আবার অন্য জায়গায়, একই অর্থ বুঝানোর জন্য ضياء শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হচ্ছে ‘উজ্জ্বল জ্যোতি’। তিনটি বর্ণনার সবই সূর্যের জন্য উপযোগী। কারণ, সূর্য নিজ দহনক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচণ্ড তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। চাঁদের আরবি প্রতিশব্দ হচ্ছে قمر কোরআন চাঁদকে বুঝাতে منير শব্দটি উল্লেখ করেছে, যার অর্থ হল ‘স্নিগ্ধ আলোদানকারী।’ তাছাড়া চাঁদ হচ্ছে একটি নিস্ক্রিয় জিনিস, যা সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে, চাঁদের এ প্রকৃত বৈশিষ্ট্যের সাথে কোরআনের বর্ণনা হুবহু মিলে যায়। কোরআনে একটি বারের জন্যও চাঁদকে سراج (সিরাজ) وهاجا (ওয়াহহাজ) বা ضياء (দিয়া) হিসেবে এবং সূর্যকে نور (নূর) বা منير (মুনীর) হিসেবে উল্লেখ করা হয় নি। এর দ্বারা বুঝা যায় যে, কোরআন সূর্যের আলো এবং চন্দ্রের আলোর পার্থক্যকে স্বীকার করে।
নিচের আয়াতগুলো সূর্য এবং চাঁদের আলোর প্রকৃতি সম্পর্কে বলেছেন। যেমন :
ہُوَ الَّذِیۡ جَعَلَ الشَّمۡسَ ضِیَآءً وَّ الۡقَمَرَ نُوۡرًا
অর্থ : তিনিই সেই সত্তা, যিনি সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় এবং চাঁদকে স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত করেছেন। (সূরা ইউনুস : ৫)
اَلَمۡ تَرَوۡا کَیۡفَ خَلَقَ اللّٰہُ سَبۡعَ سَمٰوٰتٍ طِبَاقًا . وَّ جَعَلَ الۡقَمَرَ فِیۡہِنَّ نُوۡرًا وَّ جَعَلَ الشَّمۡسَ سِرَاجًا
অর্থ : তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ কিভাবে সপ্ত আকাশকে স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন এবং সেখানে চাঁদকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে? (সূরা নূহ : ১৫-১৬)
تَبٰرَکَ الَّذِیۡ جَعَلَ فِی السَّمَآءِ بُرُوۡجًا وَّ جَعَلَ فِیۡہَا سِرٰجًا وَّ قَمَرًا مُّنِیۡرًا
অর্থ : কল্যাণময় তিনি, যিনি নভোমণ্ডলের রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র। (সূরা ফুরকান-৬১)
কোরআনে সূর্যকে বুঝাতে (শামস) سمش শব্দটি ব্যবহৃত হয়। আবার سراج (সিরাজ) শব্দটি দ্বারাও সূর্যকে বুঝানো হয়ে থাকে, যার অর্থ হলো বাতি বা মশাল। অন্যত্র সূর্যকে বুঝাতে وهاجا سراج উল্লেখ করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, ‘প্রজ্বলিত বাতি’। আবার অন্য জায়গায়, একই অর্থ বুঝানোর জন্য ضياء শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হচ্ছে ‘উজ্জ্বল জ্যোতি’। তিনটি বর্ণনার সবই সূর্যের জন্য উপযোগী। কারণ, সূর্য নিজ দহনক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচণ্ড তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। চাঁদের আরবি প্রতিশব্দ হচ্ছে قمر কোরআন চাঁদকে বুঝাতে منير শব্দটি উল্লেখ করেছে, যার অর্থ হল ‘স্নিগ্ধ আলোদানকারী।’ তাছাড়া চাঁদ হচ্ছে একটি নিস্ক্রিয় জিনিস, যা সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত করে, চাঁদের এ প্রকৃত বৈশিষ্ট্যের সাথে কোরআনের বর্ণনা হুবহু মিলে যায়। কোরআনে একটি বারের জন্যও চাঁদকে سراج (সিরাজ) وهاجا (ওয়াহহাজ) বা ضياء (দিয়া) হিসেবে এবং সূর্যকে نور (নূর) বা منير (মুনীর) হিসেবে উল্লেখ করা হয় নি। এর দ্বারা বুঝা যায় যে, কোরআন সূর্যের আলো এবং চন্দ্রের আলোর পার্থক্যকে স্বীকার করে।
নিচের আয়াতগুলো সূর্য এবং চাঁদের আলোর প্রকৃতি সম্পর্কে বলেছেন। যেমন :
ہُوَ الَّذِیۡ جَعَلَ الشَّمۡسَ ضِیَآءً وَّ الۡقَمَرَ نُوۡرًا
অর্থ : তিনিই সেই সত্তা, যিনি সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় এবং চাঁদকে স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত করেছেন। (সূরা ইউনুস : ৫)
اَلَمۡ تَرَوۡا کَیۡفَ خَلَقَ اللّٰہُ سَبۡعَ سَمٰوٰتٍ طِبَاقًا . وَّ جَعَلَ الۡقَمَرَ فِیۡہِنَّ نُوۡرًا وَّ جَعَلَ الشَّمۡسَ سِرَاجًا
অর্থ : তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ কিভাবে সপ্ত আকাশকে স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন এবং সেখানে চাঁদকে রেখেছেন আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে? (সূরা নূহ : ১৫-১৬)