১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
পৃথিবী গোলাকার
আদিকালে মানুষ বিশ্বাস করত যে, পৃথিবীর আকার হচ্ছে চ্যাপ্টা বা স্ফীত। শত শত বছর ধরে মানুষ পৃথিবীর কিনারা থেকে ছিটকে পড়ে যাবার ভয়ে বেশি দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করত না। ১৫৯৭ সালে স্যার ফ্রান্সিস ডেইকই প্রথম পৃথিবীর চারপাশে নৌভ্রমণের পর প্রমাণ করেছিলেন যে, পৃথিবী গোলাকার।
দিবারাত্রির বিবর্তন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের নিচের আয়াতটিকে বিবেচনা করা যাক–
اَلَمۡ تَرَ اَنَّ اللّٰہَ یُوۡلِجُ الَّیۡلَ فِی النَّہَارِ وَ یُوۡلِجُ النَّہَارَ فِی الَّیۡلِ
অর্থ : আপনি কি দেখেন না যে, আল্লাহ রাতকে দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান? (সূরা লোকমান - ২৯)
এখানে বলা হচ্ছে, রাত ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ রাতে রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনা কেবল পৃথিবী গোলাকার হলেই ঘটতে পারে। যদি পৃথিবী চ্যাপ্টা হত, তাহলে রাত্রি থেকে দিনে এবং দিন থেকে রাত্রিতে একটা আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে যেত।
নিচের আয়াতটিও পৃথিবীর গোল আকৃতির ইঙ্গিত দেয়–
خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ بِالۡحَقِّ ۚ یُکَوِّرُ الَّیۡلَ عَلَی النَّہَارِ
তিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে যথার্থভাবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাতকে দিন দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন।’ (সূরা যুমার : ৫)
এ আয়াতে ব্যবহৃত আরবি শব্দটি হচ্ছে ( يکور ) যার অর্থ ‘আচ্ছাদিত করা’ বা কোন জিনিসকে প্যাঁচানো’– যেভাবে মাথার চতুর্দিকে পাগড়ি প্যাঁচানো হয়। দিন ও রাতের আচ্ছাদিত করা বা কুণ্ডলী পাকানো বিষয়টি শুধু তখনই সম্ভব যখন পৃথিবী গোলাকার হয়।
পৃথিবী বলের মত পুরোপুরি গোলাকার নয় বরং ভূ-গোলকের মত। উদাহরণস্বরূপ এটি মেরুদণ্ডের ন্যায় চ্যাপ্টা। নিচের আয়াতে পৃথিবীর আকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে–
وَ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ ذٰلِکَ دَحٰىہَا
অর্থ : আর আল্লাহ পৃথিবীকে উহার পর ডিম্বাকৃতি করে তৈরি করেছেন। (সূরা আন-নাযি’আত :৩০)
এখানে ডিমের জন্য ব্যবহৃত আরবি শব্দ হচ্ছে ( دحاها ) (দাহাহা), যার অর্থ হচ্ছে একটি উট পাখির ডিম। একটি উট পাখির ডিমের আকৃতি হচ্ছে পৃথিবীর ভূ-গোলকীয় আকৃতির ন্যায়।
এভাবেই কোরআন পৃথিবীর আকৃতি সঠিকভাবে বর্ণনা করেছে, যদিও কোরআন নাযিল হওয়ার সময়ে পৃথিবী চ্যাপ্টা হবার ধারণাটাই ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।
দিবারাত্রির বিবর্তন সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের নিচের আয়াতটিকে বিবেচনা করা যাক–
اَلَمۡ تَرَ اَنَّ اللّٰہَ یُوۡلِجُ الَّیۡلَ فِی النَّہَارِ وَ یُوۡلِجُ النَّہَارَ فِی الَّیۡلِ
অর্থ : আপনি কি দেখেন না যে, আল্লাহ রাতকে দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান? (সূরা লোকমান - ২৯)
এখানে বলা হচ্ছে, রাত ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ রাতে রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনা কেবল পৃথিবী গোলাকার হলেই ঘটতে পারে। যদি পৃথিবী চ্যাপ্টা হত, তাহলে রাত্রি থেকে দিনে এবং দিন থেকে রাত্রিতে একটা আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে যেত।
নিচের আয়াতটিও পৃথিবীর গোল আকৃতির ইঙ্গিত দেয়–
خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ بِالۡحَقِّ ۚ یُکَوِّرُ الَّیۡلَ عَلَی النَّہَارِ
তিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীকে যথার্থভাবে সৃষ্টি করেছেন। তিনি রাতকে দিন দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন।’ (সূরা যুমার : ৫)
এ আয়াতে ব্যবহৃত আরবি শব্দটি হচ্ছে ( يکور ) যার অর্থ ‘আচ্ছাদিত করা’ বা কোন জিনিসকে প্যাঁচানো’– যেভাবে মাথার চতুর্দিকে পাগড়ি প্যাঁচানো হয়। দিন ও রাতের আচ্ছাদিত করা বা কুণ্ডলী পাকানো বিষয়টি শুধু তখনই সম্ভব যখন পৃথিবী গোলাকার হয়।
পৃথিবী বলের মত পুরোপুরি গোলাকার নয় বরং ভূ-গোলকের মত। উদাহরণস্বরূপ এটি মেরুদণ্ডের ন্যায় চ্যাপ্টা। নিচের আয়াতে পৃথিবীর আকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে–
وَ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ ذٰلِکَ دَحٰىہَا
অর্থ : আর আল্লাহ পৃথিবীকে উহার পর ডিম্বাকৃতি করে তৈরি করেছেন। (সূরা আন-নাযি’আত :৩০)
এখানে ডিমের জন্য ব্যবহৃত আরবি শব্দ হচ্ছে ( دحاها ) (দাহাহা), যার অর্থ হচ্ছে একটি উট পাখির ডিম। একটি উট পাখির ডিমের আকৃতি হচ্ছে পৃথিবীর ভূ-গোলকীয় আকৃতির ন্যায়।
এভাবেই কোরআন পৃথিবীর আকৃতি সঠিকভাবে বর্ণনা করেছে, যদিও কোরআন নাযিল হওয়ার সময়ে পৃথিবী চ্যাপ্টা হবার ধারণাটাই ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।