১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
৩. পদার্থবিজ্ঞান অতি পারমাণবিক কণিকার অস্তিত্ব
প্রাচীন যুগে ‘পরমাণুবাদ’ নামে একটি সুপরিচিত তত্ত্ব ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়েছিল। ২৩ শতাব্দীকাল পূর্বে, গ্রিকরা বিশেষত ডিমোক্রিটাস নামে এক গ্রিক দার্শনিক কর্তৃক এ তত্ত্বটি প্রস্তাবিত হয়েছিল। ডিমোক্রিটাস এবং তার পরবর্তী লোকেরা মনে করত যে, বস্তুর ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পরমাণু। আরবরাও একই রকম বিশ্বাস করত। আরবি শব্দ ذرة (জাররাহ)-এর অতিসাধারণ অর্থ হচ্ছে পরমাণু। অতিসম্প্রতি বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে, পরমাণুকেও বিভক্ত করা যায়। পরমাণুকেও যে বিভক্ত করা যায় তা বিংশ শতাব্দীর আবিষ্কার। এমনকি আরবদের কারও ১৪ শতাব্দীকাল পূর্বে এ বিষয়টি জানা ছিল না। কারণ, ذرة (জাররাহ) ছিল একটি সীমা যা কেউ অতিক্রম করতে পারত না। তথাপি কোরআনের নিচের আয়াতটি ذرة শব্দের এ সীমা স্বীকার করে না–
وَ قَالَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا لَا تَاۡتِیۡنَا السَّاعَۃُ ؕ قُلۡ بَلٰی وَ رَبِّیۡ لَتَاۡتِیَنَّکُمۡ ۙ عٰلِمِ الۡغَیۡبِ ۚ لَا یَعۡزُبُ عَنۡہُ مِثۡقَالُ ذَرَّۃٍ فِی السَّمٰوٰتِ وَ لَا فِی الۡاَرۡضِ وَ لَاۤ اَصۡغَرُ مِنۡ ذٰلِکَ وَ لَاۤ اَکۡبَرُ اِلَّا فِیۡ کِتٰبٍ مُّبِیۡنٍ
অর্থ : কাফিরগণ বলে, কিয়ামত আমাদের নিকট আসবে না। হে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনি বলুন, না, আমার রবের শপথ! তোমাদের নিকট তা অবশ্য অবশ্যই আসবে। তিনি যাবতীয় অদৃশ্যের জ্ঞানী, তার থেকে আসমান ও যমীনে লুক্কায়িত নেই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরমাণু; না তার থেকে ছোট আর না তার থেকে বড়। সবই আছে (লওহে মাহফুজ নামক) এক সুস্পষ্ট কিতাবে।’ (সূরা সাবা : ৩)
এ আয়াতে মহান আল্লাহর সর্বজ্ঞান, তার প্রকাশ্য ও গোপন সকল কিছুর জ্ঞানের দিকে ইঙ্গিত করে। তারপর এটি বলে যে, আল্লাহ পরমাণু অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর কিংবা বৃহত্তর সবকিছুর ব্যাপারেই সচেতন। এভাবে এ আয়াতটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, পরমাণুর চেয়ে ক্ষুদ্রতর কোন কিছুর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব। যে সত্যটি আধুনিক বিজ্ঞান দ্বারা অতি সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে।
وَ قَالَ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا لَا تَاۡتِیۡنَا السَّاعَۃُ ؕ قُلۡ بَلٰی وَ رَبِّیۡ لَتَاۡتِیَنَّکُمۡ ۙ عٰلِمِ الۡغَیۡبِ ۚ لَا یَعۡزُبُ عَنۡہُ مِثۡقَالُ ذَرَّۃٍ فِی السَّمٰوٰتِ وَ لَا فِی الۡاَرۡضِ وَ لَاۤ اَصۡغَرُ مِنۡ ذٰلِکَ وَ لَاۤ اَکۡبَرُ اِلَّا فِیۡ کِتٰبٍ مُّبِیۡنٍ
অর্থ : কাফিরগণ বলে, কিয়ামত আমাদের নিকট আসবে না। হে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনি বলুন, না, আমার রবের শপথ! তোমাদের নিকট তা অবশ্য অবশ্যই আসবে। তিনি যাবতীয় অদৃশ্যের জ্ঞানী, তার থেকে আসমান ও যমীনে লুক্কায়িত নেই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র পরমাণু; না তার থেকে ছোট আর না তার থেকে বড়। সবই আছে (লওহে মাহফুজ নামক) এক সুস্পষ্ট কিতাবে।’ (সূরা সাবা : ৩)
এ আয়াতে মহান আল্লাহর সর্বজ্ঞান, তার প্রকাশ্য ও গোপন সকল কিছুর জ্ঞানের দিকে ইঙ্গিত করে। তারপর এটি বলে যে, আল্লাহ পরমাণু অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর কিংবা বৃহত্তর সবকিছুর ব্যাপারেই সচেতন। এভাবে এ আয়াতটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, পরমাণুর চেয়ে ক্ষুদ্রতর কোন কিছুর অস্তিত্ব থাকা সম্ভব। যে সত্যটি আধুনিক বিজ্ঞান দ্বারা অতি সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে।