১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
৫. ভূ-তত্ব বিজ্ঞান পাহাড় পর্বতগুলো তাঁবুর পেরেক সদৃশ
ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞানে, ‘ভাঁজ করার’ বিষয়টি একটি সাম্প্রতিক আবিষ্কৃত সত্য। ভাঁজ করা বিষয়টি পাহাড়-পর্বতের বিন্যাসের জন্য দায়ী। পৃথিবীর যে কঠিন পৃষ্ঠের ওপর আমরা বাস করি, তা শক্ত খোসার ন্যায়, অথচ এর গভীরের স্তরগুলো উত্তপ্ত ও তরল, ফলে যে কোন প্রাণীর জন্য তা বসবাসের অনুপযোগী। এটাও জানা যায় যে, পাহাড়-পর্বতের স্থায়িত্ব ভাঁজ করার মত বিস্ময়কর ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত। কারণ অস্থিতিশীল অবস্থা থেকে পরিত্রাণের মাধ্যমে পাহাড়-পর্বতের ভিত্তি স্থাপন করাই ছিল এ ভাঁজগুলোর উদ্দেশ্য।
ভূ-তত্ত্ববিদরা আমাদের বলেন যে, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৩৭৫০ মাইল এবং ভূপৃষ্ঠের শক্ত যে উপরিভাগে আমরা বাস করি তা অত্যন্ত পাতলা– এর বিস্তার ১ মাইল থেকে ৩০ মাইল পর্যন্ত। যেহেতু ভূ-পৃষ্ঠের শক্ত আবরণটি পাতলা সেহেতু এর আন্দোলিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। পাহাড়গুলো খুঁটি কিংবা তাঁবুর পেরেকের মত ভূ-পৃষ্ঠকে ধারণ করে এবং একে স্থিতি অবস্থা দান করে। কোরআন নিচের আয়াতে হুবহু এরূপ কথাই বলেছে–
اَلَمۡ نَجۡعَلِ الۡاَرۡضَ مِہٰدًا . وَّ الۡجِبَالَ اَوۡتَادًا
অর্থ : আমি কি জমিনকে বিছানা এবং পাহাড়কে পেরেক বানাইনি? (সূরা নাবা : ৬-৭)
এখানে ব্যবহৃত আরবি শব্দ اوتادا (অওতাদা)-এর অর্থ হচ্ছে পেরেক বা খুঁটি (যা তাঁবু স্থাপন করতে প্রয়োজন হয়)। এগুলো হলো ভূ-তাত্ত্বিক ভাঁজের ভিত্তি।
‘Earth’ নামক বইটি বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূ-তত্ত্ব বিষয়ে প্রাথমিক ও মৌলিক রেফারেন্স বই হিসেবে বিবেচিত। এ বইয়ের অন্যতম লেখক হলেন ডঃ ফ্রাঙ্ক প্রেস, যিনি ১২ বছর ধরে আমেরিকার বিজ্ঞান একাডেমির প্রেসিডেন্ট এবং প্রাক্তন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। এ বইতে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, পাহাড়-পর্বত হচ্ছে পেরেকাকৃতি বিশিষ্ট এবং এগুলো অবিভক্ত বস্তুর এক ক্ষুদ্র অংশমাত্র, যার মূল মাটির গভীরে প্রোথিত। ডঃ প্রেসের মতে, ভূ-পৃষ্ঠের কঠিন আবরণকে স্থিতিশীল রাখতে পাহাড়-পর্বতগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কোরআন পাহাড়-পর্বতের কার্যক্রম পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করে বলেছে, তা পৃথিবীকে কম্পন থেকে রক্ষা করে।
وَ جَعَلۡنَا فِی الۡاَرۡضِ رَوَاسِیَ اَنۡ تَمِیۡدَ بِہِمۡ
অর্থ : আমি পৃথিবীতে ভারী বোঝা রেখে দিয়েছি। যাতে তাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে। (সূরা আম্বিয়া : ৩১)
خَلَقَ السَّمٰوٰتِ بِغَیۡرِ عَمَدٍ تَرَوۡنَہَا وَ اَلۡقٰی فِی الۡاَرۡضِ رَوَاسِیَ اَنۡ تَمِیۡدَ بِکُمۡ
অর্থ : তিনি আসমানকে খুঁটিবিহীন তৈরি করেছেন যা তোমরা দেখতে পাচ্ছ। আর পৃথিবীতে পাহাড় সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে। (সূরা লুকমান : ১০)
وَ اَلۡقٰی فِی الۡاَرۡضِ رَوَاسِیَ اَنۡ تَمِیۡدَ بِکُمۡ وَ اَنۡہٰرًا وَّ سُبُلًا لَّعَلَّکُمۡ تَہۡتَدُوۡنَ
অর্থ : আর তিনি পৃথিবীতে পাহাড়-পর্বত সৃষ্টি করেছেন যাতে উহা তোমাদেরকে নিয়ে ঝুঁকে না পড়ে এবং আরও সৃষ্টি করেছেন নদ-নদী ও পথ যাতে তোমরা তোমাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পার। (সূরা নাহল : ১৫)
কোরআনের বর্ণনা সম্পূর্ণরূপে আধুনিক ভূ-তাত্ত্বিক উপাত্তের সাথে সাদৃর্শ্বপূর্ণ।
ভূ-তত্ত্ববিদরা আমাদের বলেন যে, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৩৭৫০ মাইল এবং ভূপৃষ্ঠের শক্ত যে উপরিভাগে আমরা বাস করি তা অত্যন্ত পাতলা– এর বিস্তার ১ মাইল থেকে ৩০ মাইল পর্যন্ত। যেহেতু ভূ-পৃষ্ঠের শক্ত আবরণটি পাতলা সেহেতু এর আন্দোলিত হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। পাহাড়গুলো খুঁটি কিংবা তাঁবুর পেরেকের মত ভূ-পৃষ্ঠকে ধারণ করে এবং একে স্থিতি অবস্থা দান করে। কোরআন নিচের আয়াতে হুবহু এরূপ কথাই বলেছে–
اَلَمۡ نَجۡعَلِ الۡاَرۡضَ مِہٰدًا . وَّ الۡجِبَالَ اَوۡتَادًا
অর্থ : আমি কি জমিনকে বিছানা এবং পাহাড়কে পেরেক বানাইনি? (সূরা নাবা : ৬-৭)
এখানে ব্যবহৃত আরবি শব্দ اوتادا (অওতাদা)-এর অর্থ হচ্ছে পেরেক বা খুঁটি (যা তাঁবু স্থাপন করতে প্রয়োজন হয়)। এগুলো হলো ভূ-তাত্ত্বিক ভাঁজের ভিত্তি।
‘Earth’ নামক বইটি বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূ-তত্ত্ব বিষয়ে প্রাথমিক ও মৌলিক রেফারেন্স বই হিসেবে বিবেচিত। এ বইয়ের অন্যতম লেখক হলেন ডঃ ফ্রাঙ্ক প্রেস, যিনি ১২ বছর ধরে আমেরিকার বিজ্ঞান একাডেমির প্রেসিডেন্ট এবং প্রাক্তন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। এ বইতে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, পাহাড়-পর্বত হচ্ছে পেরেকাকৃতি বিশিষ্ট এবং এগুলো অবিভক্ত বস্তুর এক ক্ষুদ্র অংশমাত্র, যার মূল মাটির গভীরে প্রোথিত। ডঃ প্রেসের মতে, ভূ-পৃষ্ঠের কঠিন আবরণকে স্থিতিশীল রাখতে পাহাড়-পর্বতগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কোরআন পাহাড়-পর্বতের কার্যক্রম পরিষ্কারভাবে বর্ণনা করে বলেছে, তা পৃথিবীকে কম্পন থেকে রক্ষা করে।
وَ جَعَلۡنَا فِی الۡاَرۡضِ رَوَاسِیَ اَنۡ تَمِیۡدَ بِہِمۡ
অর্থ : আমি পৃথিবীতে ভারী বোঝা রেখে দিয়েছি। যাতে তাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে। (সূরা আম্বিয়া : ৩১)
خَلَقَ السَّمٰوٰتِ بِغَیۡرِ عَمَدٍ تَرَوۡنَہَا وَ اَلۡقٰی فِی الۡاَرۡضِ رَوَاسِیَ اَنۡ تَمِیۡدَ بِکُمۡ
অর্থ : তিনি আসমানকে খুঁটিবিহীন তৈরি করেছেন যা তোমরা দেখতে পাচ্ছ। আর পৃথিবীতে পাহাড় সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমাদেরকে নিয়ে পৃথিবী ঝুঁকে না পড়ে। (সূরা লুকমান : ১০)
وَ اَلۡقٰی فِی الۡاَرۡضِ رَوَاسِیَ اَنۡ تَمِیۡدَ بِکُمۡ وَ اَنۡہٰرًا وَّ سُبُلًا لَّعَلَّکُمۡ تَہۡتَدُوۡنَ
অর্থ : আর তিনি পৃথিবীতে পাহাড়-পর্বত সৃষ্টি করেছেন যাতে উহা তোমাদেরকে নিয়ে ঝুঁকে না পড়ে এবং আরও সৃষ্টি করেছেন নদ-নদী ও পথ যাতে তোমরা তোমাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে পার। (সূরা নাহল : ১৫)
কোরআনের বর্ণনা সম্পূর্ণরূপে আধুনিক ভূ-তাত্ত্বিক উপাত্তের সাথে সাদৃর্শ্বপূর্ণ।