১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
পাখির উড্ডয়ন
পাখির উড্ডয়ন সম্পর্কে কোরআন বলেছে :
اَلَمۡ یَرَوۡا اِلَی الطَّیۡرِ مُسَخَّرٰتٍ فِیۡ جَوِّ السَّمَآءِ ؕ مَا یُمۡسِکُہُنَّ اِلَّا اللّٰہُ ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یُّؤۡمِنُوۡن
অর্থ : তারা কি উড়ন্ত পাখি দেখে না? এগুলো আকাশের অন্তরীক্ষে আজ্ঞাধীন রয়েছে। আল্লাহ ছাড়া কেউ এগুলোকে আগলে রাখে না। নিশ্চয়ই এতে বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে। (সূরা নাহল : ৭৯)
একই ধরনের বক্তব্য নিচের আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে :
اَوَ لَمۡ یَرَوۡا اِلَی الطَّیۡرِ فَوۡقَہُمۡ صٰٓفّٰتٍ وَّ یَقۡبِضۡنَ ؔۘؕ مَا یُمۡسِکُہُنَّ اِلَّا الرَّحۡمٰنُ ؕ اِنَّہٗ بِکُلِّ شَیۡءٍۭ بَصِیۡرٌ
অর্থ : তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার ওপর উড়ন্ত পাখিকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? মেহেরবান আল্লাহই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব বিষয়ে লক্ষ্য রাখেন। (সূরা মূলক :১৯-২০)
আরবি শব্দ امسك (আমছাকা) এর শাব্দিক অর্থ, ‘কারো হাত ওপরে রাখা, পাকড়াও করা, ধরে রাখা, কাউকে পেছন থেকে ধরে রাখা, –এগুলো এ ধারণা প্রকাশ করে যে, আল্লাহ স্বীয় ক্ষমতায়নে পাখিকে আকাশে ধরে রাখে। এ আয়াতগুলো আল্লাহর নিয়ম মোতাবেক পাখির আচরণের চুড়ান্ত নির্ভরতার ওপর জোর দেয়। আধুনিক বৈজ্ঞানিক উপাত্ত থেকে জানা যায় যে, নির্দিষ্ট প্রজাতির এমন সব পাখি রয়েছে, যাদের চলাচলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির উৎকর্ষের পরিচয় বর্তমান। শুধু পাখির gentic code (যে পদ্ধতি অনুসারে বংশানুগতির তথ্য বা সংকেতাবলি জীবকোষস্থিত Chromosome-এ রক্ষিত থাকে) এ রক্ষিত গমনাগমন সম্পর্কিত কর্মসূচির কারণেই এ ধরনের পাখির বাচ্চারা পর্যন্ত দীর্ঘ ও দুর্গম যাত্রাপথের উদ্দিষ্ট সফরে সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম, যাদের ইতিপূর্বে দেশান্তরে গমনাগমনের কোন প্রকার অভিজ্ঞতা নেই, এমনকি কোন পথ নির্দেশনাও অনুপস্থিত। এরা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে প্রস্থান স্থানে পুনরায় ফিরেও আসতে পারে।
অধ্যাপক হামবার্গার তার ‘Power and Fragility’ নামক বইতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী Multon bird (মেষ পাখি) নামক এক প্রকার পাখির উদাহরণ দিয়েছেন, এ পাখিরা ইংরেজি সংখ্যা ৪ (আট)-এর আকৃতিতে ১৫,০০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে এবং ৬ মাসের বেশি সময় নিয়ে এরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছে এবং প্রস্থান স্থানে ফিরে আসতে বড়জোড় এক সপ্তাহ লাগে। এরূপ একটি ভ্রমণের জন্য পাখিদের স্নায়ুকোষে খুবই জটিল নির্দেশিকা বিদ্যমান আছে। এ জটিল সফর ও প্রত্যাবর্তনের কর্মসূচি নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত। আমাদের কি উচিত নয় সেই সুনির্ধারিত কর্মসূচির প্রণেতার স্বরূপ বা পরিচয় জানার চেষ্টা করা?
اَلَمۡ یَرَوۡا اِلَی الطَّیۡرِ مُسَخَّرٰتٍ فِیۡ جَوِّ السَّمَآءِ ؕ مَا یُمۡسِکُہُنَّ اِلَّا اللّٰہُ ؕ اِنَّ فِیۡ ذٰلِکَ لَاٰیٰتٍ لِّقَوۡمٍ یُّؤۡمِنُوۡن
অর্থ : তারা কি উড়ন্ত পাখি দেখে না? এগুলো আকাশের অন্তরীক্ষে আজ্ঞাধীন রয়েছে। আল্লাহ ছাড়া কেউ এগুলোকে আগলে রাখে না। নিশ্চয়ই এতে বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শনাবলি রয়েছে। (সূরা নাহল : ৭৯)
একই ধরনের বক্তব্য নিচের আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে :
اَوَ لَمۡ یَرَوۡا اِلَی الطَّیۡرِ فَوۡقَہُمۡ صٰٓفّٰتٍ وَّ یَقۡبِضۡنَ ؔۘؕ مَا یُمۡسِکُہُنَّ اِلَّا الرَّحۡمٰنُ ؕ اِنَّہٗ بِکُلِّ شَیۡءٍۭ بَصِیۡرٌ
অর্থ : তারা কি লক্ষ্য করে না, তাদের মাথার ওপর উড়ন্ত পাখিকুলের প্রতি পাখা বিস্তারকারী ও পাখা সংকোচনকারী? মেহেরবান আল্লাহই তাদেরকে স্থির রাখেন। তিনি সর্ব বিষয়ে লক্ষ্য রাখেন। (সূরা মূলক :১৯-২০)
আরবি শব্দ امسك (আমছাকা) এর শাব্দিক অর্থ, ‘কারো হাত ওপরে রাখা, পাকড়াও করা, ধরে রাখা, কাউকে পেছন থেকে ধরে রাখা, –এগুলো এ ধারণা প্রকাশ করে যে, আল্লাহ স্বীয় ক্ষমতায়নে পাখিকে আকাশে ধরে রাখে। এ আয়াতগুলো আল্লাহর নিয়ম মোতাবেক পাখির আচরণের চুড়ান্ত নির্ভরতার ওপর জোর দেয়। আধুনিক বৈজ্ঞানিক উপাত্ত থেকে জানা যায় যে, নির্দিষ্ট প্রজাতির এমন সব পাখি রয়েছে, যাদের চলাচলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির উৎকর্ষের পরিচয় বর্তমান। শুধু পাখির gentic code (যে পদ্ধতি অনুসারে বংশানুগতির তথ্য বা সংকেতাবলি জীবকোষস্থিত Chromosome-এ রক্ষিত থাকে) এ রক্ষিত গমনাগমন সম্পর্কিত কর্মসূচির কারণেই এ ধরনের পাখির বাচ্চারা পর্যন্ত দীর্ঘ ও দুর্গম যাত্রাপথের উদ্দিষ্ট সফরে সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম, যাদের ইতিপূর্বে দেশান্তরে গমনাগমনের কোন প্রকার অভিজ্ঞতা নেই, এমনকি কোন পথ নির্দেশনাও অনুপস্থিত। এরা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে প্রস্থান স্থানে পুনরায় ফিরেও আসতে পারে।
অধ্যাপক হামবার্গার তার ‘Power and Fragility’ নামক বইতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী Multon bird (মেষ পাখি) নামক এক প্রকার পাখির উদাহরণ দিয়েছেন, এ পাখিরা ইংরেজি সংখ্যা ৪ (আট)-এর আকৃতিতে ১৫,০০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে এবং ৬ মাসের বেশি সময় নিয়ে এরা গন্তব্যস্থলে পৌঁছে এবং প্রস্থান স্থানে ফিরে আসতে বড়জোড় এক সপ্তাহ লাগে। এরূপ একটি ভ্রমণের জন্য পাখিদের স্নায়ুকোষে খুবই জটিল নির্দেশিকা বিদ্যমান আছে। এ জটিল সফর ও প্রত্যাবর্তনের কর্মসূচি নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট ও সুনির্ধারিত। আমাদের কি উচিত নয় সেই সুনির্ধারিত কর্মসূচির প্রণেতার স্বরূপ বা পরিচয় জানার চেষ্টা করা?