১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব
আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল ১৯২৫ সালে পর্যবেক্ষণমূলক সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করেন যে, সকল ছায়াপথ একে অপর থেকে অপসৃত হচ্ছে– যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ বর্তমানে একটি সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্য। মহাবিশ্বের প্রকৃতি সম্পর্কে কোরআনও ঐ একই কথা বলেছে–
وَ السَّمَآءَ بَنَیۡنٰہَا بِاَیۡىدٍ وَّ اِنَّا لَمُوۡسِعُوۡنَ
অর্থ : আমি স্বহস্তে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমিই এর সম্প্রসারণকারী। (সূরা যারিয়াত :৪৭)
আরবি শব্দ موصعون (মুছিউন)-এর যথার্থ অনুবাদ হল, ‘সম্প্রসারণকারী’ এবং এটা মহাবিশ্বের ব্যাপক সম্প্রসারণশীলতার দিকেই ইঙ্গিত করে।
স্টিফেন হকিং তাঁর ‘A Brief History of Time’ (সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস) নামক গ্রন্থে বলেছেন, মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে– এ আবিষ্কারটি বিংশ শতাব্দীর মহান বুদ্ধিবৃত্তিক বিপ্লবের অন্যতম। কিন্তু কোরআন এমন সময় মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের কথা বলেছে, যখন মানুষ সামান্য টেলিফোনও আবিষ্কার করতে পারে নি।
কেউ বলতে পারে যে, যেহেতু আরবরা জ্যোতির্বিদ্যায় অগ্রসর ছিল, সেহেতু কোরআনে জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কিত সত্যের উপস্থিতি আশ্চর্যের বিষয় নয়। জ্যোতির্বিদ্যায় আরবদের অগ্রসরতা স্বীকার করার ক্ষেত্রে তারা সঠিক। তথাপি তারা এ সত্য উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয় যে, জ্যোতির্বিদ্যায় আরবদের অগ্রসরতার কয়েক শতাব্দী পূর্বেই কোরআন অবতীর্ণ হয়েছিল।
তাছাড়া আরবরা তাদের বৈজ্ঞানিক অগ্রসরতার সুউচ্চ শিখরে আরোহণ করেও ‘বিগ ব্যাঙ’-এর কারণে মহাবিশ্বের উৎপত্তি ছাড়াও ওপরে উল্লিখিত অনেক বৈজ্ঞানিক সত্য সম্পর্কে অবগত ছিল না। জ্যোতির্বিদ্যায় অগ্রগতির কারণে কোরআনে বর্ণিত বৈজ্ঞানিক সত্যসমূহতে আরবদের কোন অবদান ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, বিপরীতটাই সত্য। আর তা হল, কোরআনে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে জ্ঞানালোচনা বিদ্যমান রয়েছে বলেই আরবরা জ্যোতির্বিজ্ঞানে অগ্রগতি অর্জন করেছিল।
وَ السَّمَآءَ بَنَیۡنٰہَا بِاَیۡىدٍ وَّ اِنَّا لَمُوۡسِعُوۡنَ
অর্থ : আমি স্বহস্তে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমিই এর সম্প্রসারণকারী। (সূরা যারিয়াত :৪৭)
আরবি শব্দ موصعون (মুছিউন)-এর যথার্থ অনুবাদ হল, ‘সম্প্রসারণকারী’ এবং এটা মহাবিশ্বের ব্যাপক সম্প্রসারণশীলতার দিকেই ইঙ্গিত করে।
স্টিফেন হকিং তাঁর ‘A Brief History of Time’ (সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস) নামক গ্রন্থে বলেছেন, মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে– এ আবিষ্কারটি বিংশ শতাব্দীর মহান বুদ্ধিবৃত্তিক বিপ্লবের অন্যতম। কিন্তু কোরআন এমন সময় মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের কথা বলেছে, যখন মানুষ সামান্য টেলিফোনও আবিষ্কার করতে পারে নি।
কেউ বলতে পারে যে, যেহেতু আরবরা জ্যোতির্বিদ্যায় অগ্রসর ছিল, সেহেতু কোরআনে জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কিত সত্যের উপস্থিতি আশ্চর্যের বিষয় নয়। জ্যোতির্বিদ্যায় আরবদের অগ্রসরতা স্বীকার করার ক্ষেত্রে তারা সঠিক। তথাপি তারা এ সত্য উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয় যে, জ্যোতির্বিদ্যায় আরবদের অগ্রসরতার কয়েক শতাব্দী পূর্বেই কোরআন অবতীর্ণ হয়েছিল।
তাছাড়া আরবরা তাদের বৈজ্ঞানিক অগ্রসরতার সুউচ্চ শিখরে আরোহণ করেও ‘বিগ ব্যাঙ’-এর কারণে মহাবিশ্বের উৎপত্তি ছাড়াও ওপরে উল্লিখিত অনেক বৈজ্ঞানিক সত্য সম্পর্কে অবগত ছিল না। জ্যোতির্বিদ্যায় অগ্রগতির কারণে কোরআনে বর্ণিত বৈজ্ঞানিক সত্যসমূহতে আরবদের কোন অবদান ছিল না। প্রকৃতপক্ষে, বিপরীতটাই সত্য। আর তা হল, কোরআনে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে জ্ঞানালোচনা বিদ্যমান রয়েছে বলেই আরবরা জ্যোতির্বিজ্ঞানে অগ্রগতি অর্জন করেছিল।