১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৭
লিঙ্গ নির্ধারণ
ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ করা হয় শুক্রাণুর প্রকৃতির দ্বারা ডিম্বাণুর প্রকৃতির দ্বারা নয়। একটি শিশু নারী বা নর তা নির্ভর করে ২৩তম ক্রোমোজোম (Chromosomes) যথাক্রমে XX না XY তার ওপর।
প্রধানত লিঙ্গ নির্ধারণ করার কাজটি হয়ে থাকে নিষিক্তকরণের সময় এবং এটা নির্ভর করে ডিম্বাণুকে শুক্রাণুর কোন প্রকার লিঙ্গ ক্রোমজোম নিষিক্ত করে তার ওপর। যদি এটা X বহনকারী শুক্রাণু হয় যা ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, তাহলে ভ্রূণ হবে স্ত্রীলিঙ্গ এবং যদি এটা Y বহনকারী শুক্রাণু হয় তাহলে ভ্রূণ হবে পুংলিঙ্গ।
وَ اَنَّہٗ خَلَقَ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰی . مِنۡ نُّطۡفَۃٍ اِذَا تُمۡنٰی
অর্থ : তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল পুরুষ ও নারী একবিন্দু থেকে যখন স্খলিত করা হয়। (সূরা আন-নাজম : ৪৫-৪৬)
আরবি শব্দ (নুতফা) نطفة অর্থ, সামান্য পরিমাণ তরল পদার্থ এবং تمنى (তুমনা) অর্থ স্খলিত বা নির্গত। সেহেতু নুতফা দ্বারা শুক্রাণুকেই বুঝানো হয়, কারণ শুক্রকীটই স্খলিত হয়।
কোরআন বলে–
اَلَمۡ یَکُ نُطۡفَۃً مِّنۡ مَّنِیٍّ یُّمۡنٰی . ثُمَّ کَانَ عَلَقَۃً فَخَلَقَ فَسَوّٰی . فَجَعَلَ مِنۡہُ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰی
অর্থ : সে কি স্খলিত এক ফোটা শুক্রকীট ছিল না? অতঃপর সে পরিণত হয় এমন কিছুতে যা লেগে থাকে, এরপর আল্লাহ তাকে আকৃতি দান করলেন এবং যথার্থরূপে সুবিন্যস্ত করেন। তারপর তা থেকে সৃষ্টি করেছেন যুগল নর ও নারী। (সূরা ক্বিয়ামাহ :৩৭-৩৯)
এখানে পুনরায় نطفةمن مني শব্দ দ্বারা ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য সাহায্যকারী হিসেবে পুরুষের নিকট থেকে আসা খুবই অল্প পরিমাণ শুক্রকীটকে বুঝানো হয়েছে।
ভারতীয় উপমহাদেশের শাশুরিরা প্রায়ই নাতী (ছেলে সন্তান) কামনা করে এবং যদি নাতনী (মেয়ে সন্তান) হয় তাহলে তারা পুত্র বধূকে দোষারোপ করেন। যদি তারা জানত যে, নারীর ডিম্বাণুর প্রকৃতি নয় বরং পুরুষের শুক্রকীটের প্রকৃতিই লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য দায়ী। তাই কন্যা সন্তান প্রসবের জন্য পুত্রবধূদের দোষারোপ করা উচিত নয়। গর্ভের সন্তান ছেলে শিশু না হয়ে মেয়ে শিশু হওয়ার জন্য একমাত্র পিতাই দায়ী। নারীর ডিম্বানুর ২৩ জোড়া ক্রোমোজমই নেগেটিভ কিন্তু পুরুষের ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে কিছু নেগেটিভ, কিছু পজেটিভ। এ কারণেই কোরআন ও বিজ্ঞান উভয়ই পুরুষের শুক্রকীটকেই একমাত্র লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য দায়ী হিসেবে উল্লেখ করে।
প্রধানত লিঙ্গ নির্ধারণ করার কাজটি হয়ে থাকে নিষিক্তকরণের সময় এবং এটা নির্ভর করে ডিম্বাণুকে শুক্রাণুর কোন প্রকার লিঙ্গ ক্রোমজোম নিষিক্ত করে তার ওপর। যদি এটা X বহনকারী শুক্রাণু হয় যা ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, তাহলে ভ্রূণ হবে স্ত্রীলিঙ্গ এবং যদি এটা Y বহনকারী শুক্রাণু হয় তাহলে ভ্রূণ হবে পুংলিঙ্গ।
وَ اَنَّہٗ خَلَقَ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰی . مِنۡ نُّطۡفَۃٍ اِذَا تُمۡنٰی
অর্থ : তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল পুরুষ ও নারী একবিন্দু থেকে যখন স্খলিত করা হয়। (সূরা আন-নাজম : ৪৫-৪৬)
আরবি শব্দ (নুতফা) نطفة অর্থ, সামান্য পরিমাণ তরল পদার্থ এবং تمنى (তুমনা) অর্থ স্খলিত বা নির্গত। সেহেতু নুতফা দ্বারা শুক্রাণুকেই বুঝানো হয়, কারণ শুক্রকীটই স্খলিত হয়।
কোরআন বলে–
اَلَمۡ یَکُ نُطۡفَۃً مِّنۡ مَّنِیٍّ یُّمۡنٰی . ثُمَّ کَانَ عَلَقَۃً فَخَلَقَ فَسَوّٰی . فَجَعَلَ مِنۡہُ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰی
অর্থ : সে কি স্খলিত এক ফোটা শুক্রকীট ছিল না? অতঃপর সে পরিণত হয় এমন কিছুতে যা লেগে থাকে, এরপর আল্লাহ তাকে আকৃতি দান করলেন এবং যথার্থরূপে সুবিন্যস্ত করেন। তারপর তা থেকে সৃষ্টি করেছেন যুগল নর ও নারী। (সূরা ক্বিয়ামাহ :৩৭-৩৯)
এখানে পুনরায় نطفةمن مني শব্দ দ্বারা ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য সাহায্যকারী হিসেবে পুরুষের নিকট থেকে আসা খুবই অল্প পরিমাণ শুক্রকীটকে বুঝানো হয়েছে।
ভারতীয় উপমহাদেশের শাশুরিরা প্রায়ই নাতী (ছেলে সন্তান) কামনা করে এবং যদি নাতনী (মেয়ে সন্তান) হয় তাহলে তারা পুত্র বধূকে দোষারোপ করেন। যদি তারা জানত যে, নারীর ডিম্বাণুর প্রকৃতি নয় বরং পুরুষের শুক্রকীটের প্রকৃতিই লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য দায়ী। তাই কন্যা সন্তান প্রসবের জন্য পুত্রবধূদের দোষারোপ করা উচিত নয়। গর্ভের সন্তান ছেলে শিশু না হয়ে মেয়ে শিশু হওয়ার জন্য একমাত্র পিতাই দায়ী। নারীর ডিম্বানুর ২৩ জোড়া ক্রোমোজমই নেগেটিভ কিন্তু পুরুষের ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে কিছু নেগেটিভ, কিছু পজেটিভ। এ কারণেই কোরআন ও বিজ্ঞান উভয়ই পুরুষের শুক্রকীটকেই একমাত্র লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য দায়ী হিসেবে উল্লেখ করে।