১
কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান
লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৩
ত্বকে ব্যথা অনুভবকারী গ্রন্থির উপস্থিতি
একদা ধারণা করা হত যে, অনুভূতি ও ব্যথার উপলব্ধি মস্তিষ্কের ওপর নির্ভরশীল। সাম্প্রতিক আবিষ্কার প্রমাণ করেছে যে, ত্বকে ব্যথা উপলব্ধিকারী উপকরণ বিদ্যমান রয়েছে। ঐ উপাদান ছাড়া ব্যক্তি ব্যথা অনুভব করতে পারে না।
আগুনে পুড়ে যাওয়ার ফলে ক্ষত সৃষ্টি হলে ডাক্তার যখন তার চিকিৎসা করেন তখন একটি সরু পিন দ্বারা পোড়ার মাত্রা পরীক্ষা করেন। রোগী ব্যথা অনুভব করলে ডাক্তার খুশী হন। কেননা, এর দ্বারা উপলব্ধি করা যায় যে, পোড়ার ক্ষতটি অগভীর এবং ব্যথা উপলব্ধিকারী উপকরণ অক্ষত রয়েছে। পক্ষান্তরে রোগী ব্যথা অনুভব না করলে বুঝা যায় যে, পোড়ার ক্ষতটি গভীর এবং ব্যথা উপলব্ধিকারী কোষসমূহ বিনষ্ট হয়ে গেছে।
কোরআন নিম্নের আয়াতে ব্যথা উপলব্ধিকারী গ্রন্থি বা কোষের অস্তিত্বের স্থাপনই ইঙ্গিত প্রদান করে–
اِنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا بِاٰیٰتِنَا سَوۡفَ نُصۡلِیۡہِمۡ نَارًا ؕ کُلَّمَا نَضِجَتۡ جُلُوۡدُہُمۡ بَدَّلۡنٰہُمۡ جُلُوۡدًا غَیۡرَہَا لِیَذُوۡقُوا الۡعَذَابَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ عَزِیۡزًا حَکِیۡمًا
অর্থ : যারা আমার আয়াতকে অস্বীকার করে নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। আর যখনই তাদের গায়ের চামড়া পুড়ে যাবে তখন আমি পাল্টে দেব, নতুন চামড়া দিয়ে, যাতে তারা (শাস্তির পর) শাস্তি ভোগ করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। (সূরা নিসা : ৫৬)
থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়ের এনাটমি (জীবদেহের গঠনসংক্রান্ত বিজ্ঞান) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাগাতাত তেজাসেন ব্যথা উপলব্ধিকারী উপকরণ তথা গ্রন্থি বা কোষের ওপর দীর্ঘকাল গবেষণা করেছেন। প্রথম দিকে তিনি বিশ্বাস করতেন না যে, এ বৈজ্ঞানিক সত্যটি কোরআন ১৪০০ বছর পূর্বে উল্লেখ করেছেন। পরবর্তীতে তিনি কোরআনের এ বিশেষ আয়াতটির অনুবাদ পরীক্ষা করেন। অধ্যাপক তেজাসেন কোরআনের এ আয়াতটির বৈজ্ঞানিক নির্ভুলতায় এতটা অভিভূত হয়ে পড়েন যে, রিয়াদে অনুষ্ঠিত ‘কোরআন ও সুন্নাহর বৈজ্ঞানিক দিকদর্শনাবলি’ বিষয়ের ওপর ৮ম সৌদি মেডিকেল কনফারেন্স প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন–
لااله الا الله محمد رسول الله
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল।
আগুনে পুড়ে যাওয়ার ফলে ক্ষত সৃষ্টি হলে ডাক্তার যখন তার চিকিৎসা করেন তখন একটি সরু পিন দ্বারা পোড়ার মাত্রা পরীক্ষা করেন। রোগী ব্যথা অনুভব করলে ডাক্তার খুশী হন। কেননা, এর দ্বারা উপলব্ধি করা যায় যে, পোড়ার ক্ষতটি অগভীর এবং ব্যথা উপলব্ধিকারী উপকরণ অক্ষত রয়েছে। পক্ষান্তরে রোগী ব্যথা অনুভব না করলে বুঝা যায় যে, পোড়ার ক্ষতটি গভীর এবং ব্যথা উপলব্ধিকারী কোষসমূহ বিনষ্ট হয়ে গেছে।
কোরআন নিম্নের আয়াতে ব্যথা উপলব্ধিকারী গ্রন্থি বা কোষের অস্তিত্বের স্থাপনই ইঙ্গিত প্রদান করে–
اِنَّ الَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا بِاٰیٰتِنَا سَوۡفَ نُصۡلِیۡہِمۡ نَارًا ؕ کُلَّمَا نَضِجَتۡ جُلُوۡدُہُمۡ بَدَّلۡنٰہُمۡ جُلُوۡدًا غَیۡرَہَا لِیَذُوۡقُوا الۡعَذَابَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ کَانَ عَزِیۡزًا حَکِیۡمًا
অর্থ : যারা আমার আয়াতকে অস্বীকার করে নিশ্চয়ই আমি তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ করব। আর যখনই তাদের গায়ের চামড়া পুড়ে যাবে তখন আমি পাল্টে দেব, নতুন চামড়া দিয়ে, যাতে তারা (শাস্তির পর) শাস্তি ভোগ করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। (সূরা নিসা : ৫৬)
থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই বিশ্ববিদ্যালয়ের এনাটমি (জীবদেহের গঠনসংক্রান্ত বিজ্ঞান) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাগাতাত তেজাসেন ব্যথা উপলব্ধিকারী উপকরণ তথা গ্রন্থি বা কোষের ওপর দীর্ঘকাল গবেষণা করেছেন। প্রথম দিকে তিনি বিশ্বাস করতেন না যে, এ বৈজ্ঞানিক সত্যটি কোরআন ১৪০০ বছর পূর্বে উল্লেখ করেছেন। পরবর্তীতে তিনি কোরআনের এ বিশেষ আয়াতটির অনুবাদ পরীক্ষা করেন। অধ্যাপক তেজাসেন কোরআনের এ আয়াতটির বৈজ্ঞানিক নির্ভুলতায় এতটা অভিভূত হয়ে পড়েন যে, রিয়াদে অনুষ্ঠিত ‘কোরআন ও সুন্নাহর বৈজ্ঞানিক দিকদর্শনাবলি’ বিষয়ের ওপর ৮ম সৌদি মেডিকেল কনফারেন্স প্রকাশ্যে ঘোষণা করেন–
لااله الا الله محمد رسول الله
অর্থ : আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল।