hadith book logo

কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

লেখকঃ ডা. জাকির নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৪০

ভ্রূণ আংশিক গঠিত এবং আংশিক অগঠিত

مضغة (মুদগা) অবস্থায় যদি ভ্রূণকে ছেদন এবং এর অভ্যন্তরীণ কোন অঙ্গকে কর্তন করা হয়, তাহলে দেখা যাবে এর অধিকাংশই গঠিত, কিন্তু অন্যান্য কিছু অংশ পুরোপুরি গঠিত হয় নি।

অধ্যাপক জনসনের মতে, ভ্রূণকে যদি আমরা একটি পূর্ণ সৃষ্টি হিসেবে বর্ণনা করি, তাহলে আমরা ঐ অংশটিকে বর্ণনা করছি– যা ইতোমধ্যেই সৃষ্টি হয়ে গেছে। আর যদি আমরা একে অপূর্ণ সৃষ্টি হিসেবে বর্ণনা করি, তাহলে যে অংশ এখনও পর্যন্ত সৃষ্টি করা হয় নি ঐ অংশের বর্ণনা করছি। সুতরাং ভ্রূণ কি পূর্ণ সৃষ্টি না অপূর্ণ সৃষ্টি। এক্ষেত্রে কোরআনের বর্ণনা অপেক্ষা ভ্রূণের উৎপত্তির স্তর সম্পর্কে আর কোন উত্তম বর্ণনা নেই। যেমন, কোরআনের নিম্নের আয়াতে আংশিক গঠিত হয়েছে এবং ‘আংশিক গঠিত হয় নি’ বলেও বর্ণনা করা হয়েছে।

خَلَقۡنٰکُمۡ مِّنۡ تُرَابٍ ثُمَّ مِنۡ نُّطۡفَۃٍ ثُمَّ مِنۡ عَلَقَۃٍ ثُمَّ مِنۡ مُّضۡغَۃٍ مُّخَلَّقَۃٍ وَّ غَیۡرِ مُخَلَّقَۃٍ لِّنُبَیِّنَ لَکُمۡ

অর্থ : আমি তোমাদেরকে মাটি থেকে সৃষ্টি করেছি, এরপর বীর্য থেকে, এরপর জমাট রক্ত থেকে, এরপর পূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট ও অপূর্ণাকৃতিবিশিষ্ট মাংসপিণ্ড থেকে, তোমাদের কাছে ব্যক্ত করার জন্য। (সূরা হাজ্জ : ৫)

বৈজ্ঞানিকভাবে আমরা জানি যে, বিকাশের প্রাথমিক স্তরে কিছু পার্থক্যমূলক কোষ এবং কিছু অপার্থক্যমূলক কোষ থাকে। অর্থাৎ কিছু অঙ্গ গঠিত এবং কিছু অঙ্গ এখনও গঠিত হয় নি।